1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রীর বার্তা এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া জগন্নাথপুরের রোহিত হতে চান ক্রিকেটার শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ: জগন্নাথপুর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব শামিম আহমদ বহিষ্কার বুধবার সারাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে যায় বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয়কে ধরল গ্রামবাসী বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: ডা. জাহেদ উর রহমান তীব্র শিক্ষক সংকটেও জগন্নাথপুরের সরকারি দুই স্কুলের বাজিমাত, ১২ শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ ১০ জন পরীক্ষা দিয়ে ১০ জনই ফেল আত্মশুদ্ধির আলোচনা জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের ফলে বিপর্যয়: স্কুলের চেয়ে পিছিয়ে মাদরাসা

গাদ্দাফিকে হত্যা ছিল বড় ভুল, স্বীকার করল ইতালি

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৩
  • ২২৮ Time View

জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক::

লিবিয়ার সাবেক নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফিকে ক্ষমতাচ্যুত ও হত্যা করা বড় ধরনের ভুল হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও উপপ্রধানমন্ত্রী আন্তোনিও তাজানি।

গতকাল বুধবার (১৬ আগস্ট) তাসকানিতে একটি ইভেন্টের ফাঁকে কথা বলার সময় এমনটাই উল্লেখ করেন তাজানি। তার মতে, পরে যারা লিবিয়ায় ক্ষমতায় এসেছেন তাদের চেয়ে গাদ্দাফি ভালো।

তিনি বলেন, ‘গাদ্দাফিকে হত্যা করা খুবই গুরুতর ভুল ছিল। তিনি গণতন্ত্রের চ্যাম্পিয়ন নাও হতে পারেন, কিন্তু তিনি শেষ হয়ে যাওয়ার পরই লিবিয়া ও আফ্রিকায় রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা দেখা দেয়।’

তাজানি আরও দাবি করেন, গাদ্দাফির সময় (ইউরোপমুখী) অভিবাসনপ্রবাহও বন্ধ ছিল এবং পরিস্থিতি ছিল অনেক বেশি স্থিতিশীল।

গাদ্দাফি একজন স্বৈরশাসক হলেও তিনি তার দেশের জনগণের মৌলিক চাহিদাসংক্রান্ত উপাদানগুলো নিশ্চিত করতে পেরেছিলেন। একসময় দেশটিতে তিনি জনপ্রিয়ও ছিলেন। কিন্তু আরব বসন্তের সময় তার জনপ্রিয়তায় নাটকীয়ভাবে ভাটা পড়ে।

লিবিয়ায় ২০১১ সালের গৃহযুদ্ধের সময় নো-ফ্লাই জোন আরোপ করার অজুহাতে বোমা হামলা চালায় পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো। তাদের পদক্ষেপের কারণেই বিদ্রোহীরা সহজে গাদ্দাফির বাহিনীকে কাবু করে ফেলে এবং বিদ্রোহীদের হাতে গাদ্দাফি নিহত হন।

গাদ্দাফি-পরবর্তী লিবিয়া পরে নানা জটিলতার মধ্য দিয়ে গেছে। এ সময় লিবিয়া বহু পক্ষে বিভক্ত হয়ে পড়ে। সব পক্ষই নিজেকে শাসন করার বৈধতা দাবি করে। এ উপদলগুলো বছরের পর বছর লড়াই চালিয়ে যেতে থাকে।

সে সময় দেশটিতে আইএসের উত্থান হয়। এ ছাড়া গৃহযুদ্ধ থেকে বাঁচতে বহু লিবীয় নাগরিক সমুদ্র পাড়ি দিয়ে ইউরোপে চলে যায়। লিবীয় উপকূল আফ্রিকা থেকে ইউরোপে যাওয়ার হাবে পরিণত হয়।

বর্তমানে লিবিয়ার অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল। জাতিসংঘ সমর্থিত সরকার জাতীয় চুক্তির আলোকে জেনারেল খলিফা হাফতার ও লিবিয়ান হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভের অনুগত বাহিনীর অধীনে একত্র হয়েছে। সূত্র : রাশিয়া টুডে

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com