1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া জগন্নাথপুরের রোহিত হতে চান ক্রিকেটার শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ: জগন্নাথপুর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব শামিম আহমদ বহিষ্কার বুধবার সারাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে যায় বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয়কে ধরল গ্রামবাসী বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: ডা. জাহেদ উর রহমান তীব্র শিক্ষক সংকটেও জগন্নাথপুরের সরকারি দুই স্কুলের বাজিমাত, ১২ শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ ১০ জন পরীক্ষা দিয়ে ১০ জনই ফেল আত্মশুদ্ধির আলোচনা জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের ফলে বিপর্যয়: স্কুলের চেয়ে পিছিয়ে মাদরাসা জগন্নাথপুরে গেলবারের চেয়ে এবার জিপিএ-৫ বেশি, স্কুলে ২৩, মাদরাসা ও কারিগরিতে ১টি

জগন্নাথপুরে নিরাপদ খাদ্য সংরক্ষনের জন্য দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ড্রাম আত্মসাতের অভিযোগ

  • Update Time : শুক্রবার, ১১ মার্চ, ২০২২
  • ৩২৫ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক –
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় নিরাপদ খাদ্য সংরক্ষনের জন্য দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিতরণের জন্য ৮০ টি ড্রাম আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সাধারণ সদস্য জাকির হোসেন লিখিতভাবে এ অভিযোগ করেন।
সুবিধা বঞ্চিত লোকজন ও সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যর লিখিত অভিযোগ থেকে জানা গেছে খাদ্য অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে দরিদ্র অনগ্রসর ক্ষুদ্রনৃগোষ্টিও দূর্যোগ প্রবন এলাকার জনগোষ্ঠীর নিরাপদ খাদ্য সংরক্ষণের জন্য হাউস হোল্ডস সাইলো সরবরাহ প্রকল্পে উপজেলার আটটি ইউনিয়নে ছয় হাজার ড্রাম বিতরণ করার কথা। ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে তালিকা তৈরি করে তা বিতরণের কথা। আশারকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের সাধারণ সদস্য জাকির হোসেন সাত মাস আগে তার ওয়ার্ডের ৮০ জনের একটি তালিকা প্রেরণ করেন।
জাকির হোসেন জগন্নাথপুর টুয়েন্টি ফোর ডটকম কে জানান,দুই সপ্তাহ আগে আশারকান্দি ইউনিয়নে ড্রাম বিতরণ করা হলেও ৩ নং ওয়ার্ডের আশি জনের মধ্যে একজনও ড্রাম পায়নি।খোঁজ নিয়ে জানলাম খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা কে ম্যানেজ করে ড্রামগুলো ৩ নং ওয়ার্ডের সাধারণ সদস্য আব্দুল তাহিদ ও ১,২,৩ নং ওয়ার্ড মহিলা সদস্য লজনু খানম ড্রামগুলো আত্মসাৎ করেন।
আশারকান্দি ইউনিয়নের তিলক গ্রামের ছালেহ আহমেদ বলেন, আমার নাম তালিকায় থাকলেও আমি ড্রাম পাইনি। খোঁজ নিয়ে সাধারণ সদস্য ও মহিলা সদস্যর কাছ থেকে কোন সদুত্তর পাইনি।
৩ নং ওয়ার্ড সদস্য আব্দুল তাহিদ বলেন, আমি কোন ড্রাম পাইনি। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ সঠিক নয়। খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তার দপ্তরে যোগাযোগ করে আমি কোন ড্রাম পাইনি।
জগন্নাথপুর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা আব্দুর রব জানান, জগন্নাথপুর উপজেলার জন্য ছয় হাজার ড্রাম বরাদ্দ আসে। আমরা ইউনিয়ন পরিষদের কাছে ড্রামগুলো হস্তান্তর করেছি।
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজেদুল ইসলাম বলেন, এবিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি।তদন্ত করে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com