1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
জগন্নাথপুরে পরীক্ষা না দিয়েও ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী তালিকায় নাম! এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ যুক্তরাজ্যে রেফারি সার্ভিস অ্যাওয়ার্ডে ভুষিত হলেন জগন্নাথপুরের ফটিক মিয়া  দেশে রেকর্ড ৩৬৭১ মেগাওয়াট লোডশেডিং প্রযুক্তির যুগে সময়ের অপচয় ও সচেতনতা দেশের মানুষ যাতে শান্তিতে থাকতে পারে, সেটিই প্রধান লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী জগন্নাথপুরে মৎস্য ফিশারি থেকে পাহাড়াদারের লাশ উদ্ধার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলের প্রার্থী কর্নেল অলি জো বাইডেনের শরীরে ছড়িয়ে পড়েছে ‘চরম যন্ত্রণাদায়ক’ ক্যানসার দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে আরেক ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ২

জগন্নাথপুরে ৪ ভরি স্বর্ণালংকার ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করতে গিয়ে ধরা পড়ল চোর

  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর, ২০১৯
  • ২১৫৫ Time View

প্রায় ৪ ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার বিক্রির জন্য বাজারে যায় এক কিশোর। জুয়েলারি দোকানে গিয়ে দাম চাইলো মাত্র ২০ হাজার টাকা। দাম শুনেই চমকে গেলেন জুয়েলারির দোকানদার। বুঝতে দেরি হলো না যে, এসব চুরির মালামাল।

আজ মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর পৌরশহরে এ ঘটনাটি ঘটেছে।

পুলিশ ও ব্যবসায়ীরা জানান, জগন্নাথপুর পৌরশহরের সদরের জগন্নাথপুর বাজারের বাসুদেব জুয়েলারি নামে দোকানে স্বর্ণালংকার বিক্রির জন্য যায় নিজাম খাঁ (১৬)। এসময় জুয়েলারি দোকানের মালিক কাজল বনিককে স্বর্ণালংকারগুলো দেখিয়ে বিক্রি করবে বলে জানায়, জুয়েলারির মালিক স্বর্নালংকার ওজন করে দেখেন ৪ ভরি ৬ আনা সোনা রয়েছে। দোকানি যখন কিশোরের নিকট কত টাকায় স্বর্নালংকার বিক্রি করতে চায়, দাম জানতে চান তখন সে জানায়, ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করবে। তখন দোকানির সন্দেহ হয়, এসময় তিনি বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহির উদ্দিনকে মোবাইল ফোনে ডেকে আনেন তাঁর দোকানে। ব্যাপক জিঙ্গাসাবাদের এক পর্যায়ে সে জানায়, স্বর্নালংকারগুলো চুরি করে এনেছে। এবং তার পরিচয় দেয় সে জগন্নাথপুর উপজেলা কলকলিয়া ইউনিয়নের ঘীপুরা এলাকার নাছির খা’র ছেলে।
জুয়েলারির দোকান মালিক কাজল বনিক জানান, ৪ ভরি ৬ আনা ওজন কিছু স্বনাংলকার বেচার জন্য ওই কিশোর দোকানে নিয়ে আসে। কত টাকায় বিক্রি করতে চায়, জানতে চাইলে সে জানায়, ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করবে। দাম শুনেই আমি অবাক হয়ে যায়ই। বিষয়টি বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সেক্রেটারিকে জানাই আমি। পরে তিনি এসে স্বর্নালংকারসহ কিশোরকে তাঁর কার্যালয়ে নিতে যান।

জগন্নাথপুর বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহির উদ্দিন জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, খবর পেয়ে স্বর্নালংকারসহ ওই কিশোরকে আমার কার্যালয়ে নিয়ে এসে জিঙ্গাসাবাদ করি। প্রথমে সোনাগুলো তার মায়ের বলে জানায়। এক পর্যায়ে সে বলে, সোনাগুলো পৌরশহরের হবিবনগর এলাকা থেকে চুরি করেছে। পরে তাকে জগন্নাথপুর থানা পুলিশে সোর্পদ করেছি।

জগন্নাথপুর থানার এসআই লুৎফুর রহমান জগন্নাথপুর টুূয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, পৌরশহরের হবিবনগর এলাকার বাসিন্দা সৈয়দ জিতু মিয়ার বাসা থেকে স্বর্নালংকারগুলো চুরি করেছে বলে আটককৃত কিশোর জানিয়েছে। উদ্বারকৃত স্বর্নালংকার আমাদের জিম্মায় রয়েছে। এবিষয়ে মামলার প্রস্তুুতি চলছে।

হবিবনগর এলাকার বাসিন্দা পৌর যুবলীগ নেতা সৈয়দ জিতু মিয়া জানান, আমি আর আমার স্ত্রী বাহিরে ছিলাম। দুপুরের দিকে বাসায় খালি পেয়ে চোর প্রবেশ করে ওয়ারড্রপ থেকে আলমারির চাবি নিয়ে তালাবদ্ধ আলমারি খুলে স্বর্নালংকারগুলো চুরি করে নিয়ে যায়। তিনি জানান, চুরি যাওয়া স্বর্নালংকারের মধ্যে ১টি গলার হার, ১ জোড়া দুল, ১ জোড়া রিং, ২টি আংটি ও একটি চেইন ছিল। চোর ধরা পড়েছে শুনে থানায় এসেছি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com