1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
তীব্র শিক্ষক সংকটেও জগন্নাথপুরের সরকারি দুই স্কুলের বাজিমাত, ১২ শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ ১০ জন পরীক্ষা দিয়ে ১০ জনই ফেল আত্মশুদ্ধির আলোচনা জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের ফলে বিপর্যয়: স্কুলের চেয়ে পিছিয়ে মাদরাসা জগন্নাথপুরে গেলবারের চেয়ে এবার জিপিএ-৫ বেশি, স্কুলে ২৩, মাদরাসা ও কারিগরিতে ১টি জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ফেল ১৩৬১ শিক্ষার্থী জগন্নাথপুরে পরীক্ষা না দিয়েও ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী তালিকায় নাম! এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ যুক্তরাজ্যে রেফারি সার্ভিস অ্যাওয়ার্ডে ভুষিত হলেন জগন্নাথপুরের ফটিক মিয়া  দেশে রেকর্ড ৩৬৭১ মেগাওয়াট লোডশেডিং

জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাচন-প্রতিশ্রুতির বণ্যায় ভাসছেন ভোটাররা

  • Update Time : সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭
  • ২০৫ Time View

বিশেষ প্রতিনিধি::প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে আয়োজিত প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রতিশ্রুতির বন্যায় ভাসছেন ভোটাররা। উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে তিন জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সবাই দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। একইভাবে ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বি তিন প্রার্থীও নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটারদেরকে তাদের পক্ষে আনার চেষ্টা করছেন। দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হওয়ায় ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ ও বিএনপির প্রার্থীরা কিছুটা সুবিধায় থাকলেও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নিজেদের মতো করে নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটারদেরকে স্থানীয় নির্বাচনে দলীয় প্রভাবের বিরুদ্ধে কথা বলছেন।
প্রার্থীদের দেয়া প্রতিশ্রুতির আলোকে ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, আওয়ামীলীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী আকমল হোসেন বিভিন্ন গণসংযোগ ও পথসভায় জোরগলায় প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলছেন, আমি প্রধানমন্ত্রী মনোনীত প্রার্থী। তাই আমাকে ভোট দিলে উন্নয়ন হবে। তিনি বিগত ৫ বছর দায়িত্ব পালনকালে অনেক উন্নয়ন করেছেন উল্লেখ করে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষায় তাকে নৌকা প্রতীকে আবারও ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়ে অসমাপ্ত উন্নয়ন কাজ সমাপ্ত করার পাশাপাশি নতুন নতুন
প্রকল্প বাস্তবায়নের আশ্বাস দিচ্ছেন। তাঁর পক্ষে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি সিদ্দিক আহমদ, স্থানীয় সংসদ সদস্য অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নানের রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত সচিব আবুল হাসনাত ও জুয়েল মিয়া দিচ্ছেন নানা উন্নয়ন প্রতিশ্রুতি।
অপর দিকে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মুক্তাদীর আহমদ মুক্তা নির্বাচনী প্রচারণায় নিজেকে জনগন মনোনীত প্রার্থী হিসেবে উল্লেখ করে দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। তিনি তাঁর প্রতিশ্রুতিতে উপেজলা নির্বাচনে অংশ নেয়া প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের উৎসাহ ও সহযোগিতা থাকার কথা তুলে ধরে বলেন, আমি নির্বাচিত হলে অগ্রসর জগন্নাথপুর গড়ে তুলব।
তিনি বলেন, বিগত উপজেলা পরিষদের দুই বছর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও ৫ বছর ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে দেশে বিদেশে স্থানীয় সরকার বিষয়ে অনেক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। এসব অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে জগন্নাথপুর উপজেলাকে এগিয়ে নিতে চাই। তিনিও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতা হিসেবে ভোটারদেরকে নানা উন্নয়ন প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আতাউর রহমান আওয়ামী লীগের বিরোধিতা করে বলেন, আমি নির্বাচিত হলে জগন্নাথপুর উপজেলাকে মডেল উপজেলায় রূপান্তরিত করব। তিনি নানা কমিটমেন্ট করে ভোট চাওয়ার পাশাপাশি প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থীদের উন্নয়নের ব্যর্থতা তুলে ধরছেন।
ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী বিজন কুমার দেব বলেন, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের একজন কর্মী হিসেবে যতটুকু সম্ভব ভোটারদের নানা সুখ দুঃখ শুনে তা সমাধানে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে ভোটাররা আমাদের প্রতি আস্থা রাখছেন। তাই আমি দৃঢ় আশাবাদী ভোটাররা উন্নয়নের পক্ষে আমাকে নৌকায় ভোট দিবেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থী উপজেলা যুবলীগের সভাপতি কামাল উদ্দিন প্রচারণায় ভোটারদেরকে নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট চাইছেন। তাঁর পক্ষে তার অনুসারিরাও ভোটারদের নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট আনার চেষ্টা করছেন। বিএনপি প্রার্থী হাজী সুহেল আহমদ খান টুনু ও জমিয়াত উলামায়ে ইসলাম প্রার্থী ছালিম আহমদ কাসেমী সরকার বিরোধী প্রচারণার পাশাপাশি ভোট আদায়ে নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। একইভাবে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফয়জুর রহমান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হাজেরা বারী অসমাপ্ত উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়নে তাকে আবারও ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়ে ভোট চাইছেন। বিএনপি প্রার্থী ফারজানা বেগম ও স্বতন্ত্র মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী সুফিয়া খানম ফুটবল প্রতীকে ভোট চেয়ে নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন বলে ভোটারা জানিয়েছেন।
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাচনে প্রাথীদের প্রতিশ্রুতির বিষয়ে জগন্নাথপুর নাগরিক ফোরামের সহ-সভাপতি সুহানুর রহমান বলেন, প্রার্থীদের প্রতিশ্রুতির বন্যায় আমরা ভাসছি। তবে এবার প্রতিশ্রুতি নগদে নয় চলছে বক্তব্যের ফুলঝুঁড়িতে।।
তিনি বলেন, প্রার্থী সংখ্যা কম ও প্রবাসী প্রার্থী না থাকায় নির্বাচনে খুব একটা আমেজ নেই। বিগত নির্বাচনগুলোতে প্রার্থীরা প্রতিশ্রুতি সাথে সাথে পূরণ করে নগদ দান দক্ষিণা ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করলেও এবার নির্বাচনে এধরনের সুযোগ নেই। তাই ভোটারদেরকে বিশ্বাস করেই ভোট দিতে হবে। নির্বাচিত হয়ে কে কতটুকু প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেন তা দেখার বিষয়।
জগন্নাথপুর উপজেলা সহকারী রির্টানিং অফিসার মোহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী প্রার্থীদেরকে প্রচারণা চালাতে অনুরোধ করা হয়েছে। আচরনবিধি লঙ্ঘিত হয় এমন প্রতিশ্রুতি দিলে আমরা আইনানুগ পদক্ষেপ নিব।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com