ছাতক প্রতিনিধি::
ছাতকে শেষ হওয়া ১০ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ১৯ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী সহ মোট ১৩৮ জন প্রার্থী তাদের জামানত হারাতে যাচ্ছেন। নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী কোন প্রার্থী কাস্টিং ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পেলে তার জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়। নির্বাচন কমিশনের এ বিধি অনুযায়ী নির্বাচন সম্পন্ন হওয়া উপজেলার ১০ ইউনিয়নে ১৯ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী, ২২ জন সংরক্ষিত নারী সদস্য এবং ৯৭ জন সাধারন সদস্য প্রার্থী জামানত হারাতে পারেন।
দ্বিতীয় ধাপে এখানের ১০টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৫০ জন, সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ১০৮ জন এবং সাধারন সদস্য পদে ৩৮৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এরমধ্যে জাউয়া বাজার ইউনিয়নে সর্বাধিক ৬ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী জামানত হারাতে পারেন। কাস্টিং ভোটের এক অষ্টমাংশ ভোট না পাওয়ায় জাউয়াবাজার ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী লায়েক আহমদ, সুবেদ আহমদ রাজন, আল আমিন, আসাদুল হক মঞ্জু, আছাদুর রহমান পীর ও রেজা মিয়া তালুকদার জামানত হারাতে যাচ্ছেন। এছাড়া জামানত হারাতে পারেন ৪ জন নারী সদস্য ও ১৩ জন সাধারন সদস্য প্রার্থী।
চরমহল্লা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী জালাল উদ্দিন, ছোরাব আলী, তাজুদ আলী এবং জসীম তালুকদার সহ ৫ জন নারী সদস্য প্রার্থী ও ১৩ জন সাধারন সদস্য প্রার্থী জামানত হারাতে যাচ্ছেন।
ছৈলা-আফজলাবাদ ইউনিয়নে জামানত হারাতে পারেন চেয়ারম্যান প্রার্থী হাফিজুর রহমান, মিজানুর রহমান মানিক ও আব্দুল খালিক। এ ইউনিয়নে ১ জন নারী সদস্য ও ৮ জন সাধারন সদস্য প্রার্থীও জামানত হারাতে যাচ্ছেন।
কালারুকা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ সেলিম আরাফাত মিয়া, দোলারাবাজার ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী আসমত আলী ও আব্দুল ছালিক মিলন, খুরমা দক্ষিণ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী গোলাম আজম তালুকদার, খুরমা উত্তর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী মনির উদ্দিন ও ছাতক সদর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী আসাদ আহমদ টিটু কাস্টিং ভোটের এক অষ্টমাংশ ভোট না পাওয়ায় তারা জামানত হারাতে যাচ্ছেন।
একই নিয়ম অনুযায়ী জামানত হারাতে পারেন কালারুকা ইউনিয়নের ৩ নারী সদস্য প্রার্থী ও ১১ সাধারন সদস্য প্রার্থী, দোলারবাজার ইউনিয়নের ২ নারী সদস্য প্রার্থী ও ৯ সাধারন সদস্য প্রার্থী, খুরাম দক্ষিণ ইউনিয়নের ১ নারী সদস্য প্রার্থী ও ৮ সাধারন সদস্য প্রার্থী, খুরমা উত্তর ইউনিয়নের ১ নারী সদস্য প্রার্থী ও ৬ সাধারন সদস্য প্রার্থী, ছাতক সদর ইউনিয়নের ৬ জন সাধারন সদস্য প্রার্থী, গোবিন্দগঞ্জ-সৈদেরগাঁও ইউনিয়নের ২ নারী সদস্য প্রার্থী ও ১০ সাধারন সদস্য প্রার্থী এবং ইসলামপুর ইউনিয়নের ৩ নারী সদস্য প্রার্থী ও ১৩ সাধারন সদস্য প্রার্থী।
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ফয়েজুর রহমান এ ব্যাপারে জানান, যেসব প্রার্থী প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট পাননি তারা জামানত ফেরত পাবেন না।
Leave a Reply