স্টাফ রিপোর্টার::
টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে কুশিয়ারা নদীর পানি বেড়েছে। এতে নিম্নাঞ্চলের কিছু কিছু এলাকায় প্লাবিত হয়ে পড়েছে। এছাড়া একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে পানি ঢুকে পড়ায় পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার ( ০৯ জুলাই) কুশিয়ারা নদীর পানি বেড়ে রানীগঞ্জ বাজারে হাঁটুপানি জমে যায়। এ ছাড়া উপজেলার রানীগঞ্জ ও পাইলগাঁও ইউনিয়নের কুশিয়ারা নদীর তীরবর্তী গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পড়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসীরা।
জানা গেছে, গত দুই দিনের টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে কুশিয়ারা নদীর পানি বেড়ে উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের জালালপুর, খানপুর, আলীপুর, নতুন কসবা, কাতিয়া, পাইলগাঁও, আলাগদি, রানীগঞ্জ ইউনিয়নের রানীগঞ্জ বাজার, কদরপাড়াসহ প্রায় ২০টি গ্রামের কিছু কিছু এলাকায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পড়েছে। ফলে যাতায়াতে ভোগান্তিতে পড়েছে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ লক্ষাধিক মানুষ।
এদিকে,পাইলগাঁও ইউনিয়নের বাংলা বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে পানি ঢুকে যাওয়ায় ওই বিদ্যালয়ের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। বিপাকে পড়েছেন কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।
রানীগঞ্জ বাজারের ব্যবসায়ী আবু হাসান মিলন বলেন, কুশিয়ারার পানি বাড়ায় রাস্তাঘাট ভেঙে লোকালয়ে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। বাজারের সড়ক পানি উঠে গেছে। যাতায়াতে চরম বিপাকে পড়েছেন নিম্নাঞ্চলের বসতিরা।
আরেক ব্যবসায়ী আকরাম হোসেন বলেন, নদীর পানিতে বাজারে এখন হাঁটুপানি। প্রতিবছরই কুশিয়ারার পানিতে বাজারের ব্যবসায়ীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
পাইলগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) নজমুদ্দিন বলেন, কুশিয়ারার পানি বেড়ে জগন্নাথপুর-বেগমপুর সড়কের বিভিন্ন অংশ ডুবে যাওয়ায় যান চলাচলে সমস্যা তৈরি হয়েছে। এ ছাড়া বাংলা বাজার স্কুলসহ গ্রামীণ সড়ক এবং নিন্মাঞ্চলের কয়েক এলাকায় পানি উঠেছ
রানীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ ছদরুল ইসলাম বলেন, কুশিয়ারার পানি বেড়ে রানীগঞ্জ বাজারের একাংশে পানি উঠেছে। ব্যবসায়ীদের সমস্যা হচ্ছে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহাবুবুল আলম বলেন, ওই বিদ্যালয়টিতে পানি উঠে যাওয়ায় পার্শ্ববর্তী একটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে অস্থায়ীভাবে পাঠদান চলছে। বিষয়টি জেলা কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে।
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইসলাম উদ্দিন বলেন, ‘সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি রয়েছে। জরুরি যোগাযোগে উপজেলায় নিয়ন্ত্রন খোলা হয়েছে।