1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ যুক্তরাজ্যে রেফারি সার্ভিস অ্যাওয়ার্ডে ভুষিত হলেন জগন্নাথপুরের ফটিক মিয়া  দেশে রেকর্ড ৩৬৭১ মেগাওয়াট লোডশেডিং প্রযুক্তির যুগে সময়ের অপচয় ও সচেতনতা দেশের মানুষ যাতে শান্তিতে থাকতে পারে, সেটিই প্রধান লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী জগন্নাথপুরে মৎস্য ফিশারি থেকে পাহাড়াদারের লাশ উদ্ধার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলের প্রার্থী কর্নেল অলি জো বাইডেনের শরীরে ছড়িয়ে পড়েছে ‘চরম যন্ত্রণাদায়ক’ ক্যানসার দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে আরেক ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ২ জগন্নাথপুরে নৌকা ডুবিতে চার জনের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় উপজেলা বিএনপির শোক

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রশ্ন রোহিঙ্গা নির্যাতনে মুসলিম বিশ্ব নীরব কেন?

  • Update Time : সোমবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
  • ২৯৫ Time View

জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডটকম ডেস্ক ::
রোহিঙ্গাদের ওপর নৃশংস নির্যাতনের পরও মুসলিম বিশ্ব নীরব থাকায় ক্ষুব্ধ তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসোগলু। মুসলিম দেশগুলোর নেতাদের এমন নীবরতার নিন্দা জানিয়েছেন তিনি। তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ আন্তালিয়াতে পবিত্র ঈদুল ফিতর পরবর্তী এক অনুষ্ঠানে তিনি প্রশ্ন রাখেন মুসলিম বিশ্বের প্রতি। তিনি বলেন, বিশ্বে অনেক বড় বড় মুসলিম দেশ আছে। তারা কোথায়? তারা নীরব কেন? এ সময় তিনি রোহিঙ্গা ইস্যুতে তুরস্কের অবস্থান তুলে ধরেন। শুক্রবার ঈদের পরের ওই অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ওই সময় পর্যন্ত রোহিঙ্গা মুসলিমদের জন্য ৭ কোটি ডলারের বেশি মানবিক সহায়তা দিয়েছে তুরস্ক। তিনি বলেন, তুরস্কের চেয়ে বিশ্বের অন্য কোনো দেশ রোহিঙ্গা ইস্যুতে বেশি উদ্বেগ প্রকাশ করে নি। তিনি বলেন, ত্রাণের জন্য এটা পর্যাপ্ত নয়। দু’সপ্তাহের মধ্যে আমাদেরকে নিউ ইয়র্কে জরুরি বৈঠক করা উচিত। বৈঠক করা উচিত জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্টনিও গুতেরাঁ, মুসলিম দেশগুলোর রাষ্ট্রপ্রধানরা, আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলো, রাখাইনে জাতিসংঘ গঠিত উপদেষ্টা কমিশনের প্রধান কফি আনান ও অন্যান্য নেতার সঙ্গে। উল্লেখ্য, ২৫ শে আগস্ট থেকে রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংস নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে মিয়ানমারের নিরাপত্তা রক্ষাকারীরা। তাদের আক্রমণ থেকে হিন্দু সম্প্রদায়ও রেহাই পাচ্ছে না। তাদেরও অনেকে পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন বাংলাদেশে। মিয়ানমারের এমন কঠোরতায় বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ঢল নেমেছে। মিডিয়ার খবর অনুযায়ী, মিয়ানমারের নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো অতিমাত্রায় শক্তি প্রয়োগ করছে। এতে রোহিঙ্গা গ্রামগুলো থেকে হাজার হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছে। তাদের বাড়িঘর মর্টার ও মেশিন গান দিয়ে ধ্বংস করে দেয়া হচ্ছে। ২০১২ সালে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার পর থেকে রাখাইনে মুসলিম জনগোষ্ঠী ও বৌদ্ধদের মধ্যে দেখা দিয়েছে শিরদাড়ায় শিহরণ সৃষ্টিকারী উত্তেজনা। এর আগে গত বছর অক্টোবরে মংডুতে একই রকম দমনপীড়ন শুরু করে সেনাবাহিনী। ওই ঘটনার তদন্তে জাতিসংঘ গণধর্ষণ, গণহত্যা সহ নানা রকম লোমহর্ষক অপরাধ প্রামাণ্য হিসেবে উপস্থাপন করেছে। তাতে দেখানো হয়েছে নবজাতক, শিশুদেরকেও প্রজার করে হত্যা করা হয়েছে। তাদেরকে গুম করে দেয়া হয়েছে। আর এবার সেনাবাহিনী নিজেরাই স্বীকার করেছে তারা কমপক্ষে ৪০০ রোহিঙ্গাকে হত্যা করেছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com