1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ যুক্তরাজ্যে রেফারি সার্ভিস অ্যাওয়ার্ডে ভুষিত হলেন জগন্নাথপুরের ফটিক মিয়া  দেশে রেকর্ড ৩৬৭১ মেগাওয়াট লোডশেডিং প্রযুক্তির যুগে সময়ের অপচয় ও সচেতনতা দেশের মানুষ যাতে শান্তিতে থাকতে পারে, সেটিই প্রধান লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী জগন্নাথপুরে মৎস্য ফিশারি থেকে পাহাড়াদারের লাশ উদ্ধার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলের প্রার্থী কর্নেল অলি জো বাইডেনের শরীরে ছড়িয়ে পড়েছে ‘চরম যন্ত্রণাদায়ক’ ক্যানসার দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে আরেক ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ২ জগন্নাথপুরে নৌকা ডুবিতে চার জনের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় উপজেলা বিএনপির শোক

দাবি বাস্তবায়ন শুরু হলে ঘরে ফিরে যাবে শিক্ষার্থীরা

  • Update Time : শুক্রবার, ৩ আগস্ট, ২০১৮
  • ৩৭৬ Time View

জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক::সরকার শিক্ষার্থীদের যেসব দাবি মেনে নিয়েছে সেগুলো যদি আগামী রোববার থেকে বাস্তবায়ন শুরু হয় তাহলে তাদের ঘরে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) আন্দোলনের চেয়ার‌ম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন।

শুক্রবার (জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নিরাপদ সড়কের দাবিতে তার প্রতিষ্ঠিত সংগঠনসহ একাধিক সংগঠন আয়োজিত মানববন্ধনে তিনি এ ঘোষণা দেন।

ইলিয়াস কাঞ্চনের সভাপতিত্বে মানববন্ধনের অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, বিআরটিএর সাবেক চেয়ারম্যান ও নিরাপদ সড়ক চাই’র উপদেষ্টা আইয়ুবুর রহমান, মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধি সিরাজুল ইসলাম, বাস থেকে ফেলা দেওয়ার পর নিহত ছাত্র পায়েলের মামা সোহরাওয়ার্দি বিপ্লব, কেন্দ্রীয় খেলাঘর আসরের সভাপতি লায়লা হাসান প্রমুখ।

নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পায়েল, রমিজউদ্দিন কলেজের দুই শিক্ষার্থীসহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের ঘটনার প্রতিবাদে এ মানববন্ধন করা হয়।

চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, সব অধিদফতরগুলো যদি তাদের কর্মকাণ্ডগুলো শুরু করে দেয় তাহলে আমার সন্তানদের উদ্দেশে বলবো তোমরা অবশ্যই ঘরে ফিরে যাবে, লেখাপড়া করবে। বাবা-মায়ের কাছে থাকবে। প্রয়োজনে আবারও যদি কোনো অসুবিধা হয়, তখন অবশ্যই আমরা তোমাদের সঙ্গে থেকে আবার রাজপথে নামবো।

দেশের মানুষকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার আহ্বান জানিয়ে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘সাময়িক অসুবিধা হলেও আপনারা অস্থির হবেন না। ভালো কিছু পাওয়ার জন্য অনেক সময় কিছু কষ্ট স্বীকার করতে হয়।’

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘রোববার থেকে দাবি মেনে নিয়ে সরকার কাজে হাত দিলে তোমরা অবশ্যই ঘরে ফিরে যাবে। বাবা-মায়ের কাছে ফিরে যাবে।’এসময় সড়ক দুর্ঘটনার বিষয়ে দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের দায়িত্বহীন বক্তব্যেরও তীব্র প্রতিবাদ জানান ইলিয়াস কাঞ্চন।

ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় আমার সন্তানের মাকে হারিয়ে ২৫ বছর আগে আমি এ আন্দোলন শুরু করেছিলাম। এর একটাই উদ্দেশ্য ছিল আমার সন্তানের মত আর কোন সন্তান তার মাকে না হারায়। কোন মায়ের সন্তানের রক্ত যাতে সড়কে না ঝড়ে।
এ আন্দোলন করতে গিয়ে আমাকে অনেক ধরনের নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে। মানসিকভাবে আমাকে কষ্ট দেওয়া হয়েছে। তারপরও আমাকে দমানো যায়নি।

তিনি বলেন, আজকে ২৫ বছর পর হলেও কোমলমতি শিক্ষার্থীরা এ দাবি নিয়ে সড়কে নেমে এসেছে। আমি শুরু থেকেই তাদের সঙ্গে সঙ্গহতি জানিয়ে এসেছি। তাদের যৌক্তিক দাবিগুলোকে আমি সমর্থন করে এসেছি। আমি তাদের সঙ্গে আছি। সরকার ও পরিবহন সেক্টরের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের দায়িত্বহীন কথা বার্তায় পরিহন সেক্টর আজ বিশৃংখল ও অমানবিক হয়েছে উঠেছে। তার প্রতিবাদে আজকের এ মানববন্ধন।

আজকে আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বলতে চাই- নিরাপদ সড়ক মানুষের প্রাণের দাবি, এদেশের মানুষ সড়কে মরতে চায়না, পঙ্গু হতে চায় না। সে কারণে আর সময় নষ্ট করা উচিত নয়, যতই সময় যাবে ততই জীবন যাবে। দাবি মেনে নিয়ে বাস্তবায়ন শুরু করুন।

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী একজন চালক প্রতিদিন ৫ ঘন্টা গাড়ি চালাবেন। কিন্তু এটা বাস্তবায়ন করতে হলে এক একটা গাড়িতে কম করে হলেও দুইজন করে চালকের প্রয়োজন। সে হিসেবে দেশে এখন ২০ লাখ চালকের দরকার রয়েছে। কিন্তু এ বিপুল সংখ্যক চালক তৈরিতে কোন প্রতিষ্ঠান তৈরি করা হয়নি। এমনকি জাতীয় বাজেটেও এর জন্য কোন বরাদ্দ রাখা হয়নি।

কোমলমতি শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে নিরাপদ সড়ক গড়তে আইন তৈরিতে সরকারকে সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যে পরিবহন সেক্টরের ভয়ে আপনারা নতুন আইন প্রণয়ন করতে পারেন না। আজকে সেই সুযোগটি শিক্ষার্থীরা করে দিয়েছেন। এখন সারাদেশের মানুষ প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে আছে। এ অবস্থায় নতুন আইন তৈরি করা ও প্রয়োগ করা কোন কষ্টের বিষয় হবে না। এখনই কাজটি শুরু করা উচিত বলেও তিনি মনে করেন।

সড়কের জন্য তৈরি নতুন খসড়া আইনের সমালোচনা করে চিত্র নায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, নতুন এ আইনে নিরাপদ সড়ক গড়তে আমরা যে প্রস্তাব দিয়েছিলাম তার অধিকাংশই সংযুক্ত করা হয়নি। কতটুকু নেওয়া হয়েছে তা আমাদের জানানো হয়নি। নতুন এ আইনের নাম দেওয়া হয়েছে সড়ক পরিবহন আইন। এতে শুভংকরের ফাকিঁ রয়েছে বলেও তিনি জানান।

তিনি বলেন, আমরা বলেছি, শুধু সড়ক পরিবহন কথাটুকু নয়। এখানে সড়ক নিরাপত্তা ও পরিবহন আইন হতে হবে। নিরাপত্তা শব্দটি যুক্ত করতে হবে। এছাড়া নতুন আইনের খসড়ায় তিন বছর সাজার মেয়াদ রেখে উচ্চ আদালতের আদেশ অমান্য করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com