দিরাই প্রতিনিধি::
দিরাই উপজেলার তাড়ল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল কদ্দুসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ এনে পরিষদের ১২ জন সদস্য অনাস্থা প্রস্তাব দিয়েছেন। ১২ জন সদস্যের স্বাক্ষরিত লিখিত অনাস্থা প্রস্তাবটি গত সোমবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর দাখিল করা হয়।
অনাস্থা প্রস্তাবকারী সদস্যরা হলেন ১ নম্বর নম্বর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য গোলাপ মিয়া, ২ নম্বর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য শফিকুর রহমান চৌধুরী, ৩ নম্বর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য লাল মিয়া, ৪ নম্বর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মো. শিমুল মিয়া, ৫ নম্বর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মো. মঞ্জুরুল হক, ৬ নম্বর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মো. রাশেদ মিয়া, ৭ নম্বর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য শেখ ফরিদ, ৮ নম্বর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য আজিজুর রহমান, ৯ নম্বর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মিলন মিয়া, সংরক্ষিত ইউপি মহিলা সদস্য জাহানারা বেগম, সংরক্ষিত ইউপি মহিলা সদস্য ছালমা বেগম, সংরক্ষিত ইউপি মহিলা সদস্য মোছা. হাফছা বেগম।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদুর রহমান মামুন জানান, ১২ জন স্বাক্ষরিত অনাস্থা প্রস্তাবের একটি লিখিত পেয়েছি, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে। ১৯ দফা অভিযোগ এনে লিখিত অনাস্থা প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শেখ ফরিদ জানান, ইতিপূর্বে চেয়াম্যানের বিরুদ্ধে ২০১৭ সালে ভিজিএফ’র ৩০ বস্তা চাল আত্মসাতের বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে। আমরা ২০১৭ সালে এপ্রিলে তার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব দাখিল করি, কিন্তু তখনকার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান তালুকদার বিষয়টি কদ্দুস চেয়ারম্যানের লিখিত অঙ্গিকার নিয়ে বিষটি সমঝোতার ভিত্তিতে মিমাংসা করে দেন। কিন্ত চেয়ারম্যান সাহেবের দুর্নীতি তাতেও থামেনি, তিনি দুর্নীতিতে বেপরোয়া হয়ে উঠেন, আমারা প্রায় ৫ বছরের মধ্যে কেউ সম্মানী ভাতাও পাইনি।
Leave a Reply