জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক::
সিলেট থেকে দিরাইগামী বাসে এক শিক্ষার্থীকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেছে ড্রাইভার-হেলপার। এ ঘটনায় দিরাই পৌর শহরের মজলিশপুর গ্রামবাসী থানার সামনে এসে বিক্ষোভ করেছেন। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় এ ঘটনা ঘটেছে। গুরুতর আহত ওই নির্যাতিতাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
নির্যাতিতার স্বজন সহ স্থানীয়রা জানান, সিলেট থেকে দিরাইয়ের উদ্দ্যেশ্যে ছেড়ে আসা বাসে (নম্বর সিলেট জ -১১০৭২৩) লামাকাজী থেকে দিরাই আসছিলো ওই কলেজ শিক্ষার্থী। দিরাই পৌরসভার সুজানগর গ্রামের পাশে আসলে বাসে আর কোনো যাত্রী ছিল না। ওই সময় বাসের চালক ও হেলপার মিলে মেয়েটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। মেয়েটি সম্ভ্রম রক্ষার জন্য বাস থেকে লাফ দিয়ে সড়কে পড়ে যায়। গ্রামবাসী আহত অবস্থায় মেয়েটিকে দিরাই হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। নির্যাতিতা মেয়েটির বাড়ি দিরাই পৌর শহরের মজলিশপুরে। এ ঘটনায় মজলিশপুর গ্রামবাসী বিক্ষোভ করে থানায় আসেন এবং ঘটনার বিচার দাবি করেন।
মজলিশপুর গ্রামের সচেতন যুবক হেমরঞ্জন দাস জানান, গ্রামবাসী থানায় গিয়ে ঘটনার বিচার দাবি করেন। থানার ওসি বলেছেন, রাতের মধ্যে অপরাধীকে গ্রেপ্তার করতে না পারলে চাকুরি ছেড়ে দেবেন। তাকে সময় দেবার অনুরোধ জানান। পরে গ্রামবাসী শান্ত হন। থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম জানান, মজলিশপুরের বিক্ষুব্ধ লোকজন থানায় আসছিলেন। তারা দাবি করেছেন বাসের চালক ও হেলপার মেয়েটির সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছে। নামার সময় মেয়েটি আহত হয়েছে। বাসটি আটক করা হয়েছে। চালক হেলপার পালিয়েছে। সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান রাত পৌনে নয় টায় জানান, নির্যাতিতা মেয়েটি জানিয়েছে বাসের চালক হেলপার তার সঙ্গে অশালিন আচরণ করেছে। এই অবস্থায় মেয়েটি বাধ্য হয়ে বাস থেকে নামার সময় গুরুতর আহত হয়েছে। তাকে প্রথমে দিরাই হাসপাতালে এবং পরে সিলেটে স্থানান্তর করা হয়েছে। মামলা রেকর্ড হয়েছে। আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
Leave a Reply