1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: ডা. জাহেদ উর রহমান তীব্র শিক্ষক সংকটেও জগন্নাথপুরের সরকারি দুই স্কুলের বাজিমাত, ১২ শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ ১০ জন পরীক্ষা দিয়ে ১০ জনই ফেল আত্মশুদ্ধির আলোচনা জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের ফলে বিপর্যয়: স্কুলের চেয়ে পিছিয়ে মাদরাসা জগন্নাথপুরে গেলবারের চেয়ে এবার জিপিএ-৫ বেশি, স্কুলে ২৩, মাদরাসা ও কারিগরিতে ১টি জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ফেল ১৩৬১ শিক্ষার্থী জগন্নাথপুরে পরীক্ষা না দিয়েও ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী তালিকায় নাম! এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ যুক্তরাজ্যে রেফারি সার্ভিস অ্যাওয়ার্ডে ভুষিত হলেন জগন্নাথপুরের ফটিক মিয়া 

দুইশত টাকার জন্য…

  • Update Time : রবিবার, ৩ মার্চ, ২০১৯
  • ২৯৫ Time View

জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক:: ‘এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র আনতে গেলে সহকারী প্রধান শিক্ষক আমার কাছে ২ শ টাকা চান। কিন্তু আমি টাকা দিতে না পারায় তিনি প্রবেশপত্র না দিয়ে আমাকে ফিরিয়ে দেন। তখন অন্য শিক্ষকরা অনুরোধ করলেও তিনি আমাকে প্রবেশপত্র দেননি। পরে পরীক্ষার দিন বেলা ১১টার দিকে ওই বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া আমার ছোট বোনকে দিয়ে আমার প্রবেশপত্র বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। যখন প্রবেশপত্র বাড়িতে পৌঁছেছে তখন আর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার কোনো সুযোগ ছিল না। মাত্র ২ শ টাকার জন্য স্যারেরা আমার শিক্ষাজীবন শেষ করে দিল।’

আজ শনিবার দুপুরে নাজিরপুর প্রেস ক্লাবে স্থানীয় সাংবাদিকদের এ কথাগুলো বলেছেন পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার মনোহরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী জাহিদ হাওলাদার। শিক্ষকদের দাবিকৃত ২ শ টাকা দিতে না পেরে প্রবেশপত্র না পেয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি এ পরীক্ষার্থী। জাহিদ হাওলাদার উপজেলার দেউলবাড়ী ইউনিয়নের পদ্মাডুবি গ্রামের হতদরিদ্র জাহাঙ্গীর হাওলাদারের ছেলে।

জাহিদ হাওলাদার জানান, মনোহরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ২০১৮ সালে বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র হিসেবে এসএসসি পরীক্ষা অংশগ্রহণ করে সে। তবে সেই পরীক্ষায় রসায়ন ও জীববিজ্ঞান বিষয়ে অকৃতকার্য হয়। সেই কারণে ২০১৯ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অনিয়মিত ছাত্র হিসেবে রসায়ন ও জীববিজ্ঞান বিষয়ে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য নির্ধারিত ফি দিয়ে ফরম পূরণ করেছিল জাহিদ। তবে পরীক্ষার আগের দিন প্রবেশপত্র নেওয়ার জন্য সে মনোহরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গেলে ওই বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক বিমল কৃষ্ণ সুতার তার কাছে প্রবেশপত্র বাবদ ২ শ টাকা দাবি করেন। টাকা না দিতে পারলে তাকে প্রবেশপত্র না দিয়ে ফিরিয়ে দেন ওই শিক্ষক। পরে পরীক্ষার নির্ধারিত দিন ২৬ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টার দিকে বাড়িতে প্রবেশপত্র পাঠিয়ে দিলেও তখন আর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ ছিল না।

অভিযোগের বিষয়ে কথা হলে সহকারী প্রধান শিক্ষক বিমল কৃষ্ণ সুতার জানান, প্রধান শিক্ষকের নির্দেশক্রমেই পরীক্ষার্থী জাহিদের অ্যাডমিট কার্ড প্রথমে দেওয়া হয়নি তবে ২৬ তারিখ প্রবেশপত্র জাহিদের বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অনীল চন্দ্র বড়াল জানান, বিষয়টি দুঃখজনক। এ ঘটনার জন্য আমরা লজ্জিত। আমি প্রধান শিক্ষক হিসেবে জাহিদের কাছে দূঃখ প্রকাশ করেছি এবং আগামী বছরে তাকে পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com