1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
চট্রগ্রামে বন্যার্তদের মধ্যে জগন্নাথপুরের মাতৃভূমি ফাউন্ডেশনের ঢেউটিন ও নগদ অর্থ বিতরণ গাজী নজরু‌লের এম‌পি পদ বা‌তি‌লে স্পিকার-ইসিকে জামায়া‌তের চি‌ঠি জগন্নাথপুরে আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভায়-মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের দাবি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শুক্রবার পদত্যাগ করছেন ‘আমরা চলছিলাম মদিনার দিকে, হঠাৎ দেখি কাফেলা যাচ্ছে আমেরিকার দিকে’ ষাটোর্ধ্ব বয়সে আবারো গ্রাজুয়েশন লন্ডনে শিক্ষক সৈয়দ জহুরুল হক সংবর্ধিত জগন্নাথপুরে দুই মাদকসেবীকে কারাদণ্ড, ৫ দোকানিকে অর্থদণ্ড দাবি আদায়ে অনড় ‘ককরোচ’ পার্টি দিল্লির রাজনীতিতে নয়া সমীকরণ সুদ অর্থনৈতিক বৈষম্য বয়ে আনে জগন্নাথপুর পৌরসভার বাজেট ঘোষণা

দুই চোখের আলো নেই, তবুও দমে যাননি জগন্নাথপুরের চয়ন: এবার বসলেন ডিগ্রি পরীক্ষায়

  • Update Time : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬
  • ৩৭ Time View
বিশেষ প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজ থেকে এবার ডিগ্রি ৩য় বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষা দিচ্ছেন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী চয়ন তালুকদার। বন্ধুর সহযোগিতায় শ্রুতি লেখন পদ্ধতিতে পরীক্ষায় অংশ নেন জগন্নাথপুর পৌরসভার ভবানীপুর গ্রামের নিতাই তালুকদারের ছেলে চয়ন তালুকদার।
আজ রোববার (১৯ জুলাই) আব্দুস সোবহান উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষায় যাওয়ার সময় চয়ন জগন্নাথপুর ‍টুয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, সমবয়সী ছোট বোনের সহযোগিতায় আমি এতো দূর আসতে পেরেছি। ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনার প্রতি তাঁর বেশ আগ্রহ ছিল। দু-চোখ অন্ধ থাকায় তাঁর পড়ালেখা অনিশ্চিত ছিল। সমবয়সী ছোট বোন যখন পড়তে বসত তখন তার পাশে বসে শুনে শুনে তিনি পড়া শিখে ফেলতেন। পরে তিনি ওই পড়া বলতেন অন্যজন লিখে দিত। এভাবে তিনি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়ে ডিগ্রিতে ভর্তি হন। কলেজ কর্তৃপক্ষের সহায়তায় শ্রুতি লেখনপদ্ধতিতে পরীক্ষায় অংশ নেন। তাঁকে শ্রুতি লেখনে সহায়তা করেন বন্ধু জাহেদ মিয়া।
এর আগে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় বন্ধু মাজহারুল ইসলাম শ্রুতি লেখনের দায়িত্ব পালন করেন।
চয়নের শ্রুতি লেখক জাহেদ মিয়া জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, চয়ন বলে দেয় আমি শুধু খাতায় লিখে দিই। এতে আমাদের কোনো অসুবিধা হয় না। সে পড়ায় ভালো। তাঁকে সহযোগিতা করতে আমারও ভালো লাগে।
চয়নের বাবা নিতাই তালুকদার জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, জন্মগতভাবেই চয়নের দুই চোখ অন্ধ। তবে ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনায় তার আগ্রহ ছিল। ভাইবোন মিলে একসঙ্গে পড়ালেখা করে এবার দুজন ডিগ্রি পরীক্ষা দিচ্ছে। অভাব-অনটনের কারণে ঠিকমতো তাদের পড়ালেখার খরচ জোগাতে পারছি না। তবুও তাদের স্বপ্ন পূরণে চেষ্ঠা করে যাচ্ছি।
জগন্নাথপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক সুরঞ্জিত কুমার সেন জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, চয়নকে শিক্ষা বোর্ড থেকে শ্রুতি লেখনের অনুমতি এনে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। আমরা তার সফলতা কামনা করছি।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com