জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক::
সুনামগঞ্জ-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের বিরুদ্ধে ধর্মপাশা উপজেলার জয়শ্রী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে নৌকার কমীর্ সমর্থকদের ওপর হামলা ভাংচুর ও নৌকার প্রার্থী অ্যাড. রনজিত সরকারের ব্যানার ছিড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদ মুরাদ জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে এবং সন্ধ্যায় উপজেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মহসিন আহমেদ ধর্মপাশা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। বুধবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। তবে মোয়াজ্জেম হোসেন রতন তাকে হেয় করার জন্য বিষয়টি সাজানো নাটক বলে দাবি করেছেন।
নৌকার সমর্থিত নেতাকমীর্ ও লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বুধবার সন্ধ্যায় জয়শ্রী ইউনিয়নের নৌকা সমর্থিত নেতা কমীর্রা নির্বাচনী প্রচারণার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। তখন জয়শ্রী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে কয়েকজন কমীর্ সমর্থক বসে নৌকার প্রচারণার স্পিকার বাজাচ্ছিলেন। অপরদিকে জয়শ্রী উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের নির্বাচনী প্রচার সভা চলছিল। মোয়াজ্জেম হোসেন রতন সভা শেষ করে ফেরার পথে তার লোকজন নিয়ে জয়শ্রী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করে নৌকার কমীর্ সমর্থকদের ওপর হামলা, স্পিকার ও চেয়ার ভাংচুর করেন। খবর পেয়ে রাত দশটার দিকে নৌকার সমর্থক জয়শ্রী ইউপি চেয়ারম্যান সঞ্জয় রায় চৌধুরী, উপজেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ন আহ্বায়ক এএসএম ওয়াসিমসহ অন্যরা জয়শ্রী বাজারে পৌঁছে এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেন।
উপজেলা আওয়ামীর লীগের সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদ বিলকিস বলেন, পরাজয়ের আশঙ্খা থেকে রতন এমন আচরন করছেন। তাঁর আরও সংযত হওয়া উচিত।
স্বতন্ত্র প্রার্থী মোয়াজ্জেম হোসেন রতন বলেন, ৭ টার আগেই আমার সভা শেষ করে চলে এসেছি। আমি চলে আসার পর নৌকার প্রার্থীর লোকজন ঈর্ষান্বিত হয়ে নিজেরাই ভাংচু্র করে এমন নাটক সাজিয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার দাবি জানাই।
উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ইউএনও মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দীন বলেন, এ ব্যাপারে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। আমাকেও অনুলিপি দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।