ধর্মপাশা প্রতিনিধি
সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে বিজয়ী হওয়ার পরেও ধর্মপাশায় শপথ নিতে পারেননি টিটু মিয়া নামের এক নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য। তিনি ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৭ নম্বর ওয়ার্ড থেকে ৬৫৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। কিন্তু একই ওয়ার্ডে সর্বনি¤œ ভোট পেয়ে পরাজিত প্রার্থীর নাম গেজেটে অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় টিটু মিয়া বুধবার সকালে উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য ও সংরক্ষিত সদস্যদের সাথে শপথ নিতে পারেননি।
গত ৫ জানুয়ারি ৫ম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সেলবরষ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে সাধারণ সদস্য পদে ভাটাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ওই ওয়ার্ডে সাধারণ সদস্য পদে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনের দিন ভোট গণনা শেষে প্রার্থীদের এজেন্টের কাছে ফলাফলের তালিকা দেওয়া হয়। সেই ফলাফল মোতাবেক ফুটবল প্রতীকে টিটু মিয়া ৬৫৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হন। পরে ওইদিন রাতে উপজেলা পরিষদ গণমিলনায়তনে কন্ট্রোল রুমে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা কেন্দ্রটির লিখিত ফলাফল জমা দেন। ওই তালিকা নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হয়। কিন্তু ২০ জানুয়ারি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন থেকে নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশিত গেজেটে দেখা যায় শাহীন মিয়া নামের একজন ওই ওয়ার্ডে বিজয়ী হয়েছেন। অথচ শাহীন মিয়া মোরগ প্রতীক নিয়ে পেয়েছিলেন সর্বনি¤œ ১৯৪ ভোট।
কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা ধর্মপাশা সোনালী ব্যাংকে সিনিয়র কর্মকর্তা রুবেল মিয়া বলেন, ‘রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়া ফলাফল সিটে ভুল করে শাহীন মিয়ার নাম ও তাঁর প্রতীক লেখা হয়েছিল। অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।’
সেলবরষ ইউনিয়নের রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুক্তার হোসেন বলেন, ‘ফলাফলের গেজেট সংশোধনের জন্য আমাদের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করে নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মোতাবেক পরবর্তীতে ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যের শপথ অনুষ্ঠিত হবে।’
Leave a Reply