মো. মোশারফ হোসাইন:
শেরপুরের নকলা উপজেলার চন্দ্রকোনায় করোনাভাইরাস মোকাবেলায় সেব্চ্ছাশ্রম দিয়ে যাচ্ছেন বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা। করোনাভাইরাস সংক্রমণ ও প্রতিরোধে নানা উদ্যোগ হাতে নিয়েছেন চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা। বিশেষ করে জেলা পুলিশের “মাস্ক নাই যার বাজার নাই তার” এ শ্লোগানকে বাস্তবায়ন করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন তারা।
এর ধারাবহিকতায় চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাজু সাঈদ সিদ্দিকীর পরামর্শে চন্দ্রকোনা কলেজের প্রভাষক জয়ন্ত কুমারের নেতৃত্বে স্বেচ্ছাসেবীরা বিভিন্ন সচেতনতা মুলক কাজ করে যাচ্ছেন। এর অংশ হিসেবে চন্দ্রকোনা বাজারের অলিগলিতে জীবাণুনাশক স্প্রে করা, সাপ্তাহিক হাটের দিন জনসমাগম এড়াতে হ্যান্ড মাইকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে সচেতনতা সৃষ্টি করা, নিজের সুর বজায় রেখে অন্যদেরকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে উদ্বুদ্ধ করা, বাজারের প্রবেশ মুখে চেকপোষ্ট বসিয়ে মাস্ক পড়া নিশ্চিত করা, ক্রেতা বিক্রেতাকে মাস্ক, হ্যান্ড গ্লভস ব্যবহার করাসহ বিভিন্ন বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টি করে যাচ্ছেন স্বেচ্ছাসেবকরা। তাচাড়া জনসমাগম এড়াতে চন্দ্রকোনা কাঁচা বাজারকে মাঠে স্থানান্তর করা, নির্দিষ্ট দুরত্ব বজায় রেখে বিক্রেতাদের দোকান বসানো, দোকানে ক্রেতাদের ভিড় এড়াতে বৃত্তাকার চিহৃ দিয়েছেন এসকল সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবকরা।
এবিষয়ে প্রভাষক জয়ন্ত কুমার জানান, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের এ উদ্যোগ শুধু নিজ এলাকাতেই নয়, সারা দেশের জন্য অনুকরণীয় বটে। ক্ষুদ্র এ প্রয়াস সারাদেশ ব্যাপী ছড়িয়ে দিতে পারলে বাংলাদেশকে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মুক্ত রাখা সম্ভব বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।
চন্দ্রকোনা ইউপির চেয়ারম্যান সাজু সাঈদ সিদ্দিকী জানান, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবীদের বিভিন্ন মহতী উদ্যোগ সকলের প্রশংসা পাচ্ছে। চন্দ্রকোনাবাসীদের সুরক্ষায় তাদের বিভিন্ন কার্যক্রম ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। জনসচেতনতা সৃষ্টি স্বেচ্ছাসেবীদের পাশে তিনি সব সময় ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও তাদের পাশে থাকবেন বলে তিনি জানান।
Leave a Reply