1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২৫ পূর্বাহ্ন

নারায়ে তাকবির’ অর্থ কী

  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২২
  • ৮১৪ Time View

তাকবির দুটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত। ‘নারায়ে’ ও ‘তাকবির’। ‘নারায়ে’ শব্দটি ফারসি। ফারসিতে এর সমকক্ষ আরেকটি শব্দ হলো ‘বাঙ্গ/বাং’। উর্দুতেও ‘নারা/নারায়ে’ শব্দের ব্যবহার আছে। এর অর্থ ধ্বনী বা উচ্চ আওয়াজ। আর দ্বিতীয় অংশ ‘তাকবির’ আরবি শব্দ। এর অর্থ আল্লাহর বড়ত্ব ও শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা করা, ‘তাকবির’ ধ্বনী দেওয়া ও ‘আল্লাহু আকবার’ বলা।
ফারসি/উর্দু ও আরবি শব্দের সংমিশ্রণে ‘নারায়ে তাকবির’ অর্থ হলো, ‘তোমরা উচ্চ আওয়াজে আল্লাহর বড়ত্বের ঘোষণা দাও।’
‘নারায়ে তাকবির’-এর পরিবর্তে কোথাও কোথাও বলতে শোনা যায়, ‘লিল্লাহে তাকবির’ অর্থাৎ আল্লাহর জন্য ‘তাকবির’ দাও। কোথাও কোথাও শুধু বলা হয় ‘তাকবির’।

‘নারায়ে তাকবির’ এই স্লোগান সরাসরি কোরআন ও হাদিসে বর্ণিত হয়নি।
কিন্তু ‘তাকবির’ দেওয়া ইসলামের স্বতঃসিদ্ধ একটি বিধান। সুতরাং শব্দগুলোতে যেহেতু ইসলামবিরোধী কিছু নেই, তাই এই স্লোগান দেওয়া যায়। সর্বোত্তম হলো ‘লিল্লাহে তাকবির’ বলা।
মহান আল্লাহর বড়ত্ব ও মহিমা বর্ণনার সর্বোত্তম শব্দ ‘আল্লাহু আকবার’। আল্লাহু আকবার এমন একটি বাক্য, যা অবিশ্বাসী, ইসলামবিদ্বেষী ও শয়তানের মনে প্রচণ্ড কম্পন সৃষ্টি করে। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেন, শয়তান যখন সালাতের আজান তথা (আল্লাহু আকবারের আওয়াজ) শুনতে পায় তখন বায়ু ছাড়তে ছাড়তে পালাতে থাকে, যেন আজানের শব্দ তার কানে পৌঁছতে না পারে। মুয়াজ্জিন যখন আজান শেষ করে তখন সে ফিরে এসে (সালাত আদায়কারীর) সংশয়-সন্দেহ সৃষ্টি করতে থাকে। সে পুনরায় যখন ইকামাত শুনতে পায়, আবার চলে যায় যেন এর শব্দ তার কানে না যেতে পারে। যখন ইকামাত শেষ হয় তখন সে ফিরে এসে (সালাত আদায়কারীদের অন্তরে) সংশয়-সন্দেহ সৃষ্টি করতে থাকে। (মুসলিম, হাদিস : ৭৪২)
সৌজন্যে কালের কণ্ঠ

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com