1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
বুধবার সারাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে যায় বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয়কে ধরল গ্রামবাসী বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: ডা. জাহেদ উর রহমান তীব্র শিক্ষক সংকটেও জগন্নাথপুরের সরকারি দুই স্কুলের বাজিমাত, ১২ শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ ১০ জন পরীক্ষা দিয়ে ১০ জনই ফেল আত্মশুদ্ধির আলোচনা জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের ফলে বিপর্যয়: স্কুলের চেয়ে পিছিয়ে মাদরাসা জগন্নাথপুরে গেলবারের চেয়ে এবার জিপিএ-৫ বেশি, স্কুলে ২৩, মাদরাসা ও কারিগরিতে ১টি জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ফেল ১৩৬১ শিক্ষার্থী জগন্নাথপুরে পরীক্ষা না দিয়েও ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী তালিকায় নাম!

পুত্র হত্যার সঠিক তদন্ত ও বিচার চান :: জগন্নাথপুরের সোহাগের বাবা

  • Update Time : বুধবার, ২ আগস্ট, ২০১৭
  • ৩৩৭ Time View

জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডটকম ডেস্ক :: পুত্র হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন জগন্নাথপুরের জয়দা গ্রামের দরিদ্র কৃষক তৈয়বুর রহমান টিটু। গতকাল সিলেট জেলা প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের জন্য প্রশাসন ও সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ১৩ই ফেব্রুয়ারি আমাদের জয়দা গ্রামের নিজামের ছেলে নজমুল ওয়াজ মাহফিলের কথা বলে আমার ছেলে সোহাগকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে যায়। রাতে সোহাগ বাড়িতে না আসলে নজমুলের বাড়িতে গিয়ে ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া যায়নি। বিষয়টি গ্রামে আত্মীয় স্বজনকে জানানো হলে হৈ চৈ পড়ে যায়। শুরু হয় খোঁজাখুঁজি। সকাল অনুমান ৯টায় গ্রামের পার্শ্ববর্তী শেলনী হাওরে চেরাগ আলীর বোরো জমিতে কৃষকরা কাজ করতে গেলে সোহাগের ক্ষত বিক্ষত লাশ দেখতে পায়। হত্যাকারীরা সোহাগকে নৃশংস কায়দায় হত্যা করে মাটির নিচে চাপা দিয়ে রাখে। সোহাগের সারা শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাত ছাড়াও গলা কাটা পাওয়া যায়। ঘটনাস্থল থেকে ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সোহাগ জয়দা দাখিল মাদ্রাসায় ৮ম শ্রেণির ছাত্র ছিল। সে অত্যন্ত মেধাবী ছিল। সোহাগের বাবা তৈয়বুর রহমান টিটু বলেন, ১৫ই ফেব্রুয়ারি আমি জগন্নাথপুর থানায় অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করি। মামলা নম্বর ১০-২২। পুলিশ প্রযুক্তি ব্যবহার করে গ্রেপ্তার করে একই এলাকার নাজমুল ও রাজুকে। তাদের জবানবন্দি অনুযায়ী উদ্ধার করা হয় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দা। এই দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয় সোহাগকে। ঘটনার পর মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী মানববন্ধন করে নৃশংস এ হত্যায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। এ ছাড়া বিভিন্ন সময় জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। নির্মম এ হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার পেতে ভবিষ্যতেও আপনাদের সহযোগিতা কামনা করছি। ঘটনার প্রায় তিনমাস পর আসামি আসলম খা ও বাতেনকে আটক করা হয়। দু’জনই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। পরে আসলম খা ও রাজু অস্থায়ী জামিনে বেরিয়ে আসে। আরো আসামি এখনো প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করছে না। আসলম ও রাজু জেল থেকে বের হয়ে এসে নানাভাবে আমাদের হুমকি দিচ্ছে। অন্যান্য আসামি প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করছে না। এলাকাবাসীর পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মুহিবুর রহমান ইয়াওর, ছালিক মিয়া, আব্দুর রউফ মিয়া, মো. হাবিবুর রহমান জায়গিরদার, রুহুল ইসলাম, রিটু মিয়া, জুবেদ আহমদ, শাহিনুর মিয়া, কবির আহমদ, জামিল আহমদ প্রমুখ।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com