1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের ফলে বিপর্যয়: স্কুলের চেয়ে পিছিয়ে মাদরাসা জগন্নাথপুরে গেলবারের চেয়ে এবার জিপিএ-৫ বেশি, স্কুলে ২৩, মাদরাসা ও কারিগরিতে ১টি জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ফেল ১৩৬১ শিক্ষার্থী জগন্নাথপুরে পরীক্ষা না দিয়েও ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী তালিকায় নাম! এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ যুক্তরাজ্যে রেফারি সার্ভিস অ্যাওয়ার্ডে ভুষিত হলেন জগন্নাথপুরের ফটিক মিয়া  দেশে রেকর্ড ৩৬৭১ মেগাওয়াট লোডশেডিং প্রযুক্তির যুগে সময়ের অপচয় ও সচেতনতা দেশের মানুষ যাতে শান্তিতে থাকতে পারে, সেটিই প্রধান লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী জগন্নাথপুরে মৎস্য ফিশারি থেকে পাহাড়াদারের লাশ উদ্ধার

প্রশাসন দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রস্তুত রয়েছে -জেলা প্রশাসক

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৫ জুলাই, ২০১৮
  • ২০৭ Time View

স্টাফ রিপোর্টার
জেলা প্রশাসক মো.সাবিরুল ইসলাম বলেছেন, ‘গত সপ্তাহের কয়েক দিনের বৃষ্টিতে এবং পাহাড়ি ঢলে হাওর ও নদীতে বেশ পানি বেড়েছে। তলিয়ে গেছে বিভিন্ন উপজেলার রাস্তা-ঘাট। সুনামগঞ্জ শহরেও কিছু কিছু স্থান ও রাস্তা-ঘাট পানিতে তলিয়ে গেছে। বুধবার দোয়ারাবাজার ও ছাতকের বিভিন্ন জায়গায় পানি ছিল, বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার রাস্তা-ঘাটে পানি ছিল। তা এখন কমতে শুরু করেছে। পানি বাড়লে মানুষের দুর্ভোগ বাড়বে। প্রতিটি উপজেলায় ৫০ হাজার টাকা এবং ১০ মেট্রিক টন চাউল দেয়া হয়েছে। সে সাথে স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণ সেলাইন সরবরাহ করা হয়েছে বলে সিভিল সার্জন জানিয়েছেন। প্রতিটি উপজেলায় পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট দেয়ার কথাও বলেন তিনি। বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক আরও বলেন,‘পানি বাড়লে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা না আসলে শিক্ষকরাও আসেন না। বিদ্যালয়ের মাঠ পানিতে ডুবে যেতে পারে, একজন শিক্ষার্থীর ঘর-বাড়িতে পানি উঠতে পারে, তাহলে পাঠদান বন্ধ থাকবে কেন? বিদ্যালয়ের ঘরের ভেতরে বা বারান্দায় তো পানি উঠেনি। পানি বাড়ার সাথে সাথে দোয়ারা উপজেলার ৫টি স্কুল বন্ধ হয়ে গেছে। বিশ্বম্ভরপুরে ২টি ও তাহিরপুরে ১টি বিদ্যালয় বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এটি ঠিক হয়নি। এ সময় জেলা সহকারি জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাজ্জাদ জানান, জেলায় ১১০টি বিদ্যালয় প্লাবিত হয়েছে এবং ৩৩টি বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। জেলা প্রশাসক বলেন,‘দেশ ও জাতির উন্নœয়নে আন্তরিকভাবে দুর্যোগ মোকাবেলায় কাজ করতে হবে সকলে।’
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. সফিউল আলম, পৌর মেয়র নাদের বখ্ত, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবুবকর সিদ্দিক ভূঁইয়া, এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ইকবাল আহমেদ, জেলা সিভিল সার্জন ডা: আশুতোষ দাশ, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম, শাল্লা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুম বিল্লাহ, জেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. মতিউর রহমান পীর, জেলা রোভার স্কাউটের সাধারণ সম্পাদক সহকারী অধ্যাপক শাহ আবু নাসের, জেলা স্কাউট প্রতিনিধি প্রাক্তন শিক্ষক মো. তাহের আলী। সভায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তা এবং জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com