1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ যুক্তরাজ্যে রেফারি সার্ভিস অ্যাওয়ার্ডে ভুষিত হলেন জগন্নাথপুরের ফটিক মিয়া  দেশে রেকর্ড ৩৬৭১ মেগাওয়াট লোডশেডিং প্রযুক্তির যুগে সময়ের অপচয় ও সচেতনতা দেশের মানুষ যাতে শান্তিতে থাকতে পারে, সেটিই প্রধান লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী জগন্নাথপুরে মৎস্য ফিশারি থেকে পাহাড়াদারের লাশ উদ্ধার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলের প্রার্থী কর্নেল অলি জো বাইডেনের শরীরে ছড়িয়ে পড়েছে ‘চরম যন্ত্রণাদায়ক’ ক্যানসার দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে আরেক ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ২ জগন্নাথপুরে নৌকা ডুবিতে চার জনের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় উপজেলা বিএনপির শোক

ভোটের উত্তাপ যেন উত্তপ্ত না হয়: সিইসি

  • Update Time : মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৮
  • ৪২৫ Time View

জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক::
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা বলেছেন, এটা বলার এবং বোঝার অপেক্ষা রাখে না যে নির্বাচনের উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে। শুধু আমাদের লক্ষ রাখতে হবে যে ‍উত্তাপের এই পরিবেশ যেন উত্তপ্ত না হয়। উত্তপ্ত হয়ে নির্বাচনী পরিবেশ যেন ব্যাহত না হয়, ব্যাঘাত না ঘটে।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের মিলনায়তনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারিক হাকিমদের উদ্দেশে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, একটা সময় সাধারণ মানুষ ও বিচারকদের মধ্যে একটা অদৃশ্য কৃত্রিম দেয়াল ছিল। সেটি ক্রমেই সরে যাচ্ছে। আমি মনে করি, যারা বিচার করবেন এবং যাদের মধ্যে বিচার, তাদের মধ্যে এত বড় দেয়াল থাকার প্রয়োজন ছিল না। নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে সেই দেয়াল আরও কিছুটা শিথিল হবে। মানুষের কাছাকাছি গিয়ে বুঝতে পারবেন তারা কী চান। নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্র আরও প্রশস্ত হবে।

বিচারিক হাকিমদের উদ্দেশে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, আমাদের কাজ শুধু ৩০ তারিখ। সেদিন ভোট হবে। সুষ্ঠুভাবে ভোট গ্রহণ করা, যেন কোনো সংঘাত না হয়, ভুল–বোঝাবুঝি না হয়। সবাই যেন নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলেন, সেটা বুঝিয়ে দেওয়া। এটাই আমাদের উদ্দেশ্য। বিচারকেরা বিচারক। কে সাদা, কে কালো, কে রঙিন—সেটা বিচারকদের দেখার বিষয়। বিচারকার্যটাকে সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করবেন, এটাই আমাদের কামনা। বিচার করে একেবারে জেলে পাঠিয়ে দেবেন, এটাও কাম্য নয়। আমাদের উদ্দেশ্য একটি সুষ্ঠু নির্বাচন করা। এর জন্য যতটুকু প্রয়োজন, ঠিক ততটুকুই প্রয়োগ করবেন।

সিইসি কে এম নুরুল হুদা বলেন, সেই অনাদিকাল থেকে বিচারকদের মানুষ অগাধ শ্রদ্ধা করে। কাজির আমল থেকেই বিচারকেরা যে সিদ্ধান্ত দিতেন, সেটা মানুষ মান্য করত, এখনো করে। নির্বাচন কমিশন অত্যন্ত আশাবাদী। আপনারা যদি মাঠে থাকেন, আপনাদের পদচারণে এই নির্বাচনের পরিবেশ সুন্দর হবে। মানুষের মধ্যে আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি হবে। মানুষ যেন ভোট দিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারে, সেই পরিবেশ তৈরি করতে হবে।

সিইসি বলেন, একটা জিনিস মনে রাখতে হবে, নির্বাচনের পরের দিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নির্বাচনের আগের দিন ও নির্বাচনের দিন যতটা না সংঘাত হয়, তার থেকে বেশি সংঘাত হয় নির্বাচনের পরের দিন। অতি উৎসাহী লোক ও প্রতিহিংসাপরায়ণতার কারণে এসব হয়ে থাকে। ভোটের পরের দিন মিছিলের কারণে অনেকের মনে আঘাত লাগে, অনেকে কষ্ট পায়। এতে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নষ্ট হয়। বিষয়টি খেয়াল রাখতে এবং সজাগ থাকতে বিচারিক হাকিমের প্রতি নির্দেশ দেন তিনি।

কে এম নুরুল হুদা বলেন, ‘নির্বাচনী আইনে আছে নির্বাচনের পরের দিন কোনো শোডাউন হবে না। এটা কঠোরভাবে পালন করতে হবে। নির্বাচনে সহিংসতা সৃষ্টির আগে আপনারা অবস্থান নেবেন, যাতে কেউ কোনো ধরনের সহিংসতার প্রস্তুতি না নিতে পারে। সেটাই যথেষ্ট। তড়িৎগতিতে আপনাদের উপস্থিতি, সারা দেশে নির্বাচনের অনুকূল পরিবেশ বজায় রাখবে। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

‘বিচারকদের মানুষের সঙ্গে মিশলে কোনো ক্ষতি নেই। তবে মিশে যাবেন না (মিক্সডআপ)। আপনার ব্যক্তিত্ব কতটা শক্তিশালী, তার ওপর নির্ভর করে আপনি প্রভাবিত হবেন কি হবেন না। আইন, বিবেক, জ্ঞান, প্রজ্ঞা, ব্যক্তিত্ব প্রয়োগ করে আপনারা একটি সুন্দর ও সাবলীল নির্বাচন করতে পারবেন।’

সব রাজনৈতিক দল নির্বাচনে থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে সিইসি বলেন, হাজার হাজার মানুষ থাকবে। সব রাজনৈতিক দল একটি ইতিবাচক মনোভাব (পজিটিভ অ্যাটিচুড) নিয়ে নির্বাচনের কাজ শুরু করে দিয়েছে। এত বড় নির্বাচনে এখনো পর্যন্ত কোনো সংঘাতের ঘটনা ঘটেনি। বিচারকেরা মাঠে থাকলে আর কোনো সংঘাত ঘটবে না বলে তিনি মনে করেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com