1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ যুক্তরাজ্যে রেফারি সার্ভিস অ্যাওয়ার্ডে ভুষিত হলেন জগন্নাথপুরের ফটিক মিয়া  দেশে রেকর্ড ৩৬৭১ মেগাওয়াট লোডশেডিং প্রযুক্তির যুগে সময়ের অপচয় ও সচেতনতা দেশের মানুষ যাতে শান্তিতে থাকতে পারে, সেটিই প্রধান লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী জগন্নাথপুরে মৎস্য ফিশারি থেকে পাহাড়াদারের লাশ উদ্ধার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলের প্রার্থী কর্নেল অলি জো বাইডেনের শরীরে ছড়িয়ে পড়েছে ‘চরম যন্ত্রণাদায়ক’ ক্যানসার দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে আরেক ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ২ জগন্নাথপুরে নৌকা ডুবিতে চার জনের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় উপজেলা বিএনপির শোক

মনোনয়ন নিয়ে দলের নেতাদের সর্তক করলেন প্রধানমন্ত্রী

  • Update Time : বুধবার, ২৫ জুলাই, ২০১৮
  • ৪৭৯ Time View

জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক:: আসন্ন নির্বাচনে মনোনয়ন নিয়ে দলের নেতাদের সতর্ক করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা । একইসঙ্গে মনোনয়ন নিয়ে কোনো নেতাকে দায়িত্ব না নেয়ার কথা বলেছেন। সম্প্রতি বেশ কিছু অভিযোগের প্রেক্ষিতে দলীয় সভানেত্রী বিষয়টি নিয়ে নেতাদের স্পষ্টভাবে বার্তা দিলেন। সোমবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কাযনির্বাহী সংসদের সভায় এ বিষয়ে কথা বলেন শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগ সভাপতি এ সময় নেতাদের আলাদাভাবে এলাকা তৈরি না করার নির্দেশ দেন। কয়েকজন নেতাকে তাদের নির্বাচনী এলাকায় না যাওয়ারও বার্তা দিয়েছেন। নির্বাচন কেন্দ্রিক কোন্দল মিটিয়ে নেতা-কর্মী ও সংসদ সদস্যদের একযোগে কাজ করার কথা বলেছেন। রুদ্ধদ্বার বৈঠকে উপস্থিত কয়েক নেতা মানবজমিনকে এসব তথ্য জানান। তারা বলেন, অনেক কেন্দ্রীয় নেতা আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন দেয়ার দায়িত্ব নিয়েছেন। এর ফলে কিছু নির্বাচনী এলাকায় বিশৃঙ্খল অবস্থা তৈরি হয়েছে। দলীয় সভাপতির কাছে এসব তথ্য আছে। তিনি জানেন কোন নেতা কি ভূমিকা পালন করছেন। এদিকে অনেক নির্বাচনী এলাকার নেতা প্রধানমন্ত্রীর কাছে লিখিত অভিযোগও করেছেন। পাশাপাশি সোমবার রাতে বৈঠকে উপস্থিত নেতাদের কাছ থেকে সাংগঠনিক রিপোর্ট নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ওই রিপোর্ট নেয়ার সময় দলীয় নেতাদের এ বার্তা দিয়েছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত দলের সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীম গতকাল মানবজমিনকে বলেন, বৈঠকে আমরা সাংগঠনিক রিপোর্ট দলীয় সভাপতির কাছে দিয়েছি।

তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন। স্পষ্ট করে বলেছেন, দলের নেতা ও এমপিদের এক হয়ে নৌকার পক্ষে কাজ করতে। নির্বাচনে যাকে নৌকা প্রতীক দেয়া হবে তার হয়ে কাজ করার কঠোর নির্দেশ দেন। নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব ও বিভেদ না রাখারও পরামর্শ দেন তিনি। মনোনয়ন নিয়ে সতর্ক করা প্রসঙ্গে তিনি জানান, নির্বাচন সামনে। আওয়ামী লীগ একটি বড় দল। তাই এসব স্বাভাবিক বিষয়। কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে অনেক স্থানীয় নেতা প্রত্যাশা নিয়ে আসতেই পারেন। তবে দলীয় সভাপতি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে নৌকার পক্ষে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন। এদিকে বৈঠকে উপস্থিত কয়েক নেতা জানান, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মতামত নিয়েই আগামী নির্বাচনের প্রার্থী বাছাই করা হবে বলে জানান আওয়ামী লীগ সভাপতি। তিনি বলেন, শোকের মাস আগস্টের পর সেপ্টেম্বরের শুরুতেই আমি বিভাগীয় পর্যায়ের নেতাদের নিয়ে বৈঠকে বসবো। সেখানে মনোনয়নের বিষয়টি চূড়ান্ত করা হবে। তফসিলের আগেই প্রার্থীদের সিগন্যাল দিয়ে দেয়া হবে। এদিকে বৈঠকে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল রেখে দরকার হলে অন্যান্য কোটা সংস্কার করা যেতে পারে বলে অভিমত জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কোটা সংস্কার আন্দোলন সম্পর্কে আলোচনার সূত্রপাত করেন দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন। তিনি বলেন, নেত্রী এই ইস্যুটির সমাধান হওয়া উচিত। এ আলোচনায় অংশ নেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন। এ সময় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমি কীভাবে সমাধান করবো? আমি তো মুক্তিযোদ্ধা কোটা রাখার পক্ষে। ২০০১ সালে আমাকে বিশ্বব্যাংক যে প্রস্তাব দিয়েছিল তা মানলে আমি ক্ষমতায় আসতে পারতাম। মুক্তিযুদ্ধের প্রশ্নে আপস করলে আমার রাজনীতি করার দরকার কী? তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের জন্য স্বাধীনতাবিরোধীরা পরিকল্পিতভাবে আন্দোলন করাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কোটা থাকবেই। মুক্তিযোদ্ধারা আগে পশ্চাৎপদ ছিল, তাদের পরিবারকে সামনে আনা হয়েছে। তাই এ কোটা থাকবেই। এ সময় কোটা সংরক্ষণ নিয়ে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা ও সরকারের গঠিত কমিটির প্রসঙ্গ তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে কমিটি কাজ করছে। কমিটির রিপোর্ট পাওয়ার পর সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তবে, কোটা বিষয়ে আদালতের নির্দেশনা রয়েছে। সেটা আমাদের বিবেচনায় নিতে হবে। এদিকে বৈঠকে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গ নিয়েও আলোচনা হয়। বৈঠকে উপস্থিত নেতারা জানান, বৈঠকে বলা হয় কারাগারে কারাবিধির বাইরেও সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়া অথচ আদালতে হাজিরা দেয়ার সময় হলেই বলা হচ্ছে তিনি অসুস্থ। এদিকে বৈঠকে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগে কিছু পদ খালি আছে সে বিষয়ে দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলকে নির্দেশনা দেন আওয়ামী লীগ প্রধান। এ সময় দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি জামালপুরের অনুষ্ঠিত সংগঠন মেলা সম্পর্কে বলেন, সেখানে আবুল কালাম আজাদ সাহেবের লোকজনকে ডাকা হয়নি।

উনার বিরুদ্ধের লোকজনকে ডাকা হয়েছে। এ সময় আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য মির্জা আজমকে উদ্দেশ করে বলেন, তুমি কি জামালপুরে বসে বসে তোমার প্রার্থী দিচ্ছ না কি? প্রতিউত্তরে মির্জা আজম বলেন, নেত্রী প্রার্থী তো আপনি দেবেন। বৈঠকে ছাত্রলীগের কমিটি নিয়ে আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী ব্যস্ততার কারণে সময় দিতে পারছেন না বিধায় কিছু বিলম্ব হচ্ছে বলে জানান শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, যারা আবেদন করেছে তাদের বিষয়টি যাচাই-বাছাই চলছে। নতুন কমিটি নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনে যারা আছে তাদের সঙ্গে আমি দ্রুত বস।
মানব জমিন

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com