1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ যুক্তরাজ্যে রেফারি সার্ভিস অ্যাওয়ার্ডে ভুষিত হলেন জগন্নাথপুরের ফটিক মিয়া  দেশে রেকর্ড ৩৬৭১ মেগাওয়াট লোডশেডিং প্রযুক্তির যুগে সময়ের অপচয় ও সচেতনতা দেশের মানুষ যাতে শান্তিতে থাকতে পারে, সেটিই প্রধান লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী জগন্নাথপুরে মৎস্য ফিশারি থেকে পাহাড়াদারের লাশ উদ্ধার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলের প্রার্থী কর্নেল অলি জো বাইডেনের শরীরে ছড়িয়ে পড়েছে ‘চরম যন্ত্রণাদায়ক’ ক্যানসার দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে আরেক ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ২ জগন্নাথপুরে নৌকা ডুবিতে চার জনের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় উপজেলা বিএনপির শোক

লন্ডনে বাংলাদেশি খুনের দায়ে আরেক বাংলাদেশির কারাদণ্ড

  • Update Time : শনিবার, ১৬ জুলাই, ২০১৬
  • ৪৭১ Time View

জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডটকম ডেস্ক :: ১৯ বছর আগে প্রবাসী এক বাংলাদেশিকে খুন করে যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে যাওয়া আরেক বাংলাদেশির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে যুক্তরাজ্যের একটি আদালত।

১৯৯৭ সালে লন্ডনের ইলিংটনে ডেলিভারিম্যান আবদুস সামাদকে হত্যার দায়ে শুক্রবার ওল্ড বেইলির আদালত ফয়জুর রহমানকে (৪৪) অন্তত ১৮ বছর জেলে রাখার রায় দেয়।

এ সময় বিচারক পিটার রক অভিযুক্তকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “১৯ বছর আগে অন্য অপরাধীদের সঙ্গে মিলে তুমি সামাদকে সবচেয়ে দামী সম্পদ থেকে বঞ্চিত করেছ, আর তা হলো তার জীবন।”

খুন হওয়ার সময় আবদুস সামাদের বয়স ছিল ২৫, কাজ করতেন ইলিংটনের সেন্ট পল সড়কের ‘কারি ইন এ হারি’র বিতরণ ব্যবস্থাপনায়। বেথনেল গ্রিনের এ বাসিন্দাকে আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুবান্ধবরা কামাল নামে ডাকত।

স্টোক নিউইংটন ও ব্রিক লেনের দুই দল প্রবাসী বাঙালিদের বিবাদের জের ধরে সামাদকে হত্যা করা হয় বলে তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

সামাদ ব্রিক-লেন অংশের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ১৯ বছর আগে মে’র ২১ তারিখ টেলিফোনের মাধ্যমে খাবারের ‘ভুয়া অর্ডার’ দিয়ে ইলিংটনের এলওয়েইন সড়কে সামাদকে ডেকে নেন ফয়জুর ও তার দোসররা।
সামাদ সেখানে গেলে দুই-তিনজন মুখোশধারী ব্যক্তি তার উপর মাংস কাটার চাপাতি, ছোরাসহ ধারাল অস্ত্র ও বেইসবল ব্যাট দিয়ে হামলা চালায়।

গুরুতর আহত অবস্থায় পুলিশ ও স্বাস্থ্যসেবা কর্মীরা হুইটিংটন হাসপাতালে নিয়ে গেলে পরদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় সামাদের মৃত্যু হয়।

ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে সেন্ট পাঙ্কার্স মর্গ সামাদের মৃত্যুর জন্য ধারালো অস্ত্রের আঘাতকে দায়ী করেছে।

ওই ঘটনার পরদিনই সন্দেহভাজন ফয়জুর যুক্তরাজ্য থেকে পালিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যায় বলে তদন্ত কর্মকর্তারা আদালতকে জানান।

“রায় হতে অনেক বছর লেগেছে; কিন্তু আমি খুশি যে শেষ পর্যন্ত জুরিদের কাছে ফয়জুরের বিরুদ্ধে বীভৎস এ খুনে সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগ প্রমাণ করতে পেরেছি”, বলেন তদন্ত কর্মকর্তা নিক মিলার।

হোমিসিড ও মেজর ক্রাইম বিভাগের এ গোয়েন্দা জানান, ২০১২ সালের মার্চে সামাদ হত্যার দায়ে মহিউদ্দিন বাবলুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দেয় আদালত।

হত্যাকাণ্ডের পর বাবলুও প্রথমে বার্মিংহাম ও পরে বাংলাদেশে পালিয়ে যায়। খুনের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা আছে তা জানার পর তাকে যুক্তরাজ্যে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করা হয়।

বাবলুর সাক্ষ্য, ঘটনাস্থলে পাওয়া মুখোশের ডিএনএ আর অস্ত্রের ব্যাগে থাকা আঙ্গুলের ছাপ ফয়জুরের সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত করে।

২০১৬ সালের ২৭ জানুয়ারি ফয়জুরকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরিয়ে আনা হয়। পরদিন তাকে আক্সব্রিজের ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়।

এরপর শুক্রবার ওল্ড বেইলির আদালত তাকে সামাদ হত্যায় জড়িত থাকার দায়ে যাবজ্জীবন সাজা দেয়।

রায়ে সামাদের স্ত্রী ও দুই মেয়ে সন্তুষ্ট বলে মিলার জানিয়েছেন।

“সামাদের পরিবার কখনোই আশা ছাড়ে নি; তারা স্নেহময়ী স্বামী ও বাবার হত্যাকারীকে আদালতে হাজির করতে দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করেছে।

“আমি তাদের এ দৃঢতাকে সম্মান দেখাতে চাই,” বলেন মিলার।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com