1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
জগন্নাথপুরে অনিয়মের অভিযোগে তোপের মুখে বিদ্যালয় সড়ক সংস্কার কাজ বন্ধ  অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রীর বার্তা এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া জগন্নাথপুরের রোহিত হতে চান ক্রিকেটার শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ: জগন্নাথপুর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব শামিম আহমদ বহিষ্কার বুধবার সারাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে যায় বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয়কে ধরল গ্রামবাসী বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: ডা. জাহেদ উর রহমান তীব্র শিক্ষক সংকটেও জগন্নাথপুরের সরকারি দুই স্কুলের বাজিমাত, ১২ শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ ১০ জন পরীক্ষা দিয়ে ১০ জনই ফেল আত্মশুদ্ধির আলোচনা

শান্তিগঞ্জে সন্তান নিয়ে কাড়াকাড়ি

  • Update Time : সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬
  • ৮৮ Time View

ইয়াকুব শাহরিয়ার, বিশেষ প্রতিনিধি::

শান্তিগঞ্জ উপজেলার জয়কলস ইউনিয়নের হাসনাবাজ গ্রামের বাসিন্দা মরহুম লাল মিয়া একসময় ছিলেন প্রবাসী। পরে থিতো হয়েছেন নিজ গ্রামে। করেছেন বিশাল সম্পদ। ঘটনা প্রবাহে একাধিক বিয়ে করতে হয়েছে তাকে। তার প্রথম স্ত্রী নিজ গ্রামেরই। প্রথম স্ত্রীর সাথে নানা কারণে ছাড়াছাড়ির পর দ্বিতীয় বিয়ে করেন দোয়ারাবাজার উপজেলার পান্ডারগাঁও গ্রামের রুপনা বেগমকে। ২০১৩ সালের ৩০ আগস্ট রুপনা বেগমের গর্ভে লাল মিয়ার এক পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। নাম রাখেন মো. সাকির মিয়া। যার বর্তমান বয়স প্রায় ১৩। নোয়াখালী সপ্তগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। পারিবারিক কলহে মাত্র ৭ মাস বয়সী সাকির মিয়াকে রেখে চলে যান জন্মদাত্রী রুপনা বেগম। তখন সাকির মিয়ার লালন পালনের ভার এসে পড়ে তার চাচী ও লাল মিয়ার ভাই মালদার মিয়ার স্ত্রী ও ইকবাল হোসেনের মায়ের উপর। ২০১৫ সালে ২০ সেপ্টেম্বর শাল্লা থানাধীন সরমা গ্রামের মোছা. আনুফা বেগমকে তৃতীয় বিয়ে করেন লাল মিয়া। তখন থেকেই সাকিরকে দেখাশোনার দায়িত্ব পান আনুফা। নিজ মা থেকেও যে সাকির বার বার হাত বদল হচ্ছে সেই সাকির মিয়াকে নিয়েই চাচা, চাচাতো ভাই ও সৎমা আনুফা বেগমের মাঝে এখন রীতিমতো কাড়াকাড়ি। ঘটনাটি গড়িয়েছে থানা পুলিশ, ইউএনও ও আদালত পর্যন্ত। বিভিন্ন জায়গায় মো. আনুফা বেগমের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ দায়ের করেছেন মালদার আলীর ছেলে ইকবাল হোসেন। অভিযোগে স্বাক্ষী হিসেবে আছেন ইকবাল ও সাকিরের চাচা মো. রফিক মিয়া। উপরে উল্লেখিত ঘটনা এই অভিযোগ থেকেই নেওয়া। যদিও এসব অভিযোগকে নিছক হয়রানির জন্য করা বলে মনে করছেন অভিযুক্ত আনুফা।

 

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও আদালতে করা অভিযোগে ইকবাল হোসেন বলেছেন, আমার চাচা লাল মিয়ার মৃত্যুর পর চাচী আনুফা বেগম পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের কথা না মেনে মন ইচ্ছা মতো যত্রতত্র চলাফেরা শুরু করেন। সাথে রাখেন চাচার ছেলে মো. সাকির মিয়াকে। যাকে তিনি গর্ভে ধারণ করেননি। অথচ সাকির মিয়া তার কাছে থাকার সুবাদে সাকিরের জন্মনিবন্ধন তৈরির সময় গর্ভধারীনী মা রুপনা বেগম না লিখে মায়ের জায়গায় আনুফা বেগম নাম লিখান। মূলত: সাকিরের মা পরিবর্তন করে আনুফা বেগম একটি গর্হিত উদ্দেশ্য আদায়ের জন্য জালিয়াতি করছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন ইকবাল হোসেন।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com