1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ১২:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ যুক্তরাজ্যে রেফারি সার্ভিস অ্যাওয়ার্ডে ভুষিত হলেন জগন্নাথপুরের ফটিক মিয়া  দেশে রেকর্ড ৩৬৭১ মেগাওয়াট লোডশেডিং প্রযুক্তির যুগে সময়ের অপচয় ও সচেতনতা দেশের মানুষ যাতে শান্তিতে থাকতে পারে, সেটিই প্রধান লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী জগন্নাথপুরে মৎস্য ফিশারি থেকে পাহাড়াদারের লাশ উদ্ধার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলের প্রার্থী কর্নেল অলি জো বাইডেনের শরীরে ছড়িয়ে পড়েছে ‘চরম যন্ত্রণাদায়ক’ ক্যানসার দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে আরেক ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ২ জগন্নাথপুরে নৌকা ডুবিতে চার জনের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় উপজেলা বিএনপির শোক

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সুরক্ষায় ইসলাম

  • Update Time : সোমবার, ১২ আগস্ট, ২০২৪
  • ১০৯ Time View

ইসলাম সব ধর্মের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে। ধর্ম পালনে কেউ বাধাগ্রস্ত হবে না। তাই ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মগ্রন্থ, উপাসনালয় ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান নিয়ে কোনোরূপ ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করা থেকে কঠোরভাবে বারণ করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আল্লাহকে ছেড়ে যাদের তারা (মূর্তিপূজক) ডাকে, তাদের তোমরা গালি দিও না
তাহলে তারা সীমালঙ্ঘন করে অজ্ঞতাবশত আল্লাহকেও গালি দেবে।’ (সুরা আনয়াম, আয়াত : ১০৮)

 

যেকোনো মুসলিম দেশে বসবাসকারী অমুসলিমদের নিরাপত্তার দায়িত্ব করা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। কোনো অমুসলিম যেন কোনোভাবেই মুসলিমদের মাধ্যমে জুলুমের শিকার না হন, তা নিশ্চিত করতে রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো অমুসলিম নাগরিকের ওপর জুলুম করে, বা তার কোনো ক্ষতি করে, বা তার ওপর সাধ্যাতীত কোনো বিষয়ের বোঝা চাপিয়ে দেয়, অথবা তার সন্তুষ্টি ছাড়া কোনো কিছু ছিনিয়ে নেয়, কিয়ামতের দিন আমি তার বিরুদ্ধে অমুসলিমের পক্ষে প্রতিবাদকারী হব।

’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস : ৩০৫১) 

অন্য হাদিসে রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো অমুসলিম নাগরিককে হত্যা করল সে জান্নাতের সুঘ্রাণও পাবে না। অথচ জান্নাতের সুঘ্রাণ ৪০ বছরের দূরত্ব থেকেও পাওয়া যায়।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৩১৬৬)

দেখুন, ইসলামে কত সুস্পষ্টভাবে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় অমুসলিমদের অধিকারের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) অমুসলিমদের বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।

সুতরাং তাদের ওপর জুলুম করা, তাদের অধিকার খর্ব করা, নিরাপত্তা বিঘ্নিত করা ইসলামে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। 

মক্কা বিজয়ের পর রাসুল (সা.) বিধর্মীদের ওপর কোনো ধরনের অন্যায় আচরণ করেননি। শত্রুতার জেরে কারো থেকে কোনো ধরনের প্রতিশোধ গ্রহণ করেননি। বরং সবার জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা দিয়েছেন। এবং নিজেদের উত্তম আচার-ব্যবহার ও ইসলামের আদর্শ তাদের কাছে ফুটিয়ে তুলেছেন।

তা ছাড়া রাসুল  (সা.) মক্কা থেকে মদিনায় হিজরত করার পর যে ‘মদিনা সনদ’ ঘোষণা করেছিলেন, তাতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষাসহ অমুসলিমদের অধিকার ও নিরাপত্তা বাস্তবায়ন করেন। 

আবহমান কাল থেকেই এ দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা শান্তিপ্রিয়। সম্প্রীতি ও সহমর্মিতা বজায় রাখা এ দেশের মুসলিমদের হাজার বছরের ঐতিহ্য। মহান আল্লাহ আমাদের সম্প্রীতি, সৌহার্দ ও প্রীতি-ভালোবাসা বজায় চলার তাওফিক দিন। এবং ইসলামের সুমহান আদর্শ পালনে আমাদরে কবুল করুন। আমিন।
সৌজন্যে কালের কণ্ঠ

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com