1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের ফলে বিপর্যয়: স্কুলের চেয়ে পিছিয়ে মাদরাসা জগন্নাথপুরে গেলবারের চেয়ে এবার জিপিএ-৫ বেশি, স্কুলে ২৩, মাদরাসা ও কারিগরিতে ১টি জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ফেল ১৩৬১ শিক্ষার্থী জগন্নাথপুরে পরীক্ষা না দিয়েও ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী তালিকায় নাম! এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ যুক্তরাজ্যে রেফারি সার্ভিস অ্যাওয়ার্ডে ভুষিত হলেন জগন্নাথপুরের ফটিক মিয়া  দেশে রেকর্ড ৩৬৭১ মেগাওয়াট লোডশেডিং প্রযুক্তির যুগে সময়ের অপচয় ও সচেতনতা দেশের মানুষ যাতে শান্তিতে থাকতে পারে, সেটিই প্রধান লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী জগন্নাথপুরে মৎস্য ফিশারি থেকে পাহাড়াদারের লাশ উদ্ধার

সাহসী নারী,এক কিলোমিটার দৌড়ে ছিনতাইকারীকে পাকড়াও!

  • Update Time : সোমবার, ৪ মার্চ, ২০১৯
  • ২৫৮ Time View

জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক:: সালমা খাতুন। কর্মরত আছেন ঢাকার দোহার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে। শনিবার বিকেলে রাজধানীর হাতিরঝিলে অন্তত এক কিলোমিটার দৌড়ে পথচারীদের সহায়তায় ছিনতাইকারী পাকড়াও করেছেন তিনি। আল আমিন (২৫) নামে এক ছিনতাইকারীকে হাতিরঝিল থানায় সোপর্দ করে মামলাও করেছেন সালমা খাতুন। এই নারী কর্মকর্তার সাহসিকতার গল্প ঘুরছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও।

হাতিরঝিল থানার ওসি ফজলুল করিম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘তিনি (সালমা) নিজেই ধাওয়া করেছিলেন। পরে পাবলিক ছিনতাইকারী ধরতে তাঁকে সহায়তা করে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে।’

পুলিশ জানায়, ছিনতাইকারী আল আমিনের বাসা নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায়। গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালীর কুয়াতলায়।

সালমা খাতুনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শনিবার বিকেলে রিকশায় করে হাতিরঝিল দিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। সেখানে যানজটে বসে থাকার মুহূর্তে তাঁর গলায় থাকা লকেটসহ সোনার চেইনটি ছিঁড়ে নিয়ে দৌড় দেয় এক

ছিনতাইকারী। তিনি সাহস করে তাকে ধাওয়া করেছিলেন। শাড়ি পরা অবস্থায়ই ছুটতে ছুটতে অন্তত এক কিলোমিটার দৌড়ে অন্যদের সহযোগিতায় ছিনতাইকারীকে ধরে ফেলেন। উদ্ধার করেণ তাঁর চেইনটি। তবে ছিনতাইয়ের সময় লকেটসহ চেইনটি টুকরো হয়ে যাওয়ায় চেইনের পুরো অংশটি উদ্ধার করতে পারেননি তিনি। পরে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে সাহায্য নেন পুলিশের। ছিনতাইকারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়ে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেণ সালমা খাতুন।

সালমা খাতুন বলেন, ‘নারী-পুরুষ ভেদে সাহসিকতার ভিন্ন কোনো সংজ্ঞা নেই। যেকোনো অপরাধ সংঘটনের প্রাথমিক পর্যায়ে যদি সাধারণ মানুষ পুলিশ আসার অপেক্ষায় না থেকে সাহস করে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে, তাহলে সেটিই বহু সমস্যার আগাম সমাধান দিতে পারে। একজন নারীর সাহসিকতা দেখে ১০ জন নারী এগিয়ে আসবে। তারাও প্রেরণা পাবে সাহস নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার। আমার এ কর্মকাণ্ড দেখে সেখানে থাকা আরো ১৫-২০ জন নারী এগিয়ে এসে আমাকে ধন্যবাদ দিয়েছে। আমি মনে করি, তারাও প্রেরণা পেয়েছে সাহসের সঙ্গে অপরাধ মোকাবেলা করার।’
সৌজন্যে-কালের কণ্ঠ

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com