1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
জ্বালানি সংকট উত্তরণে সংসদে বিরোধী দলের ৪ প্রস্তাব, সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরলেন প্রতিমন্ত্রী দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে বাড়িতে মিললো যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ সত্য প্রতিষ্ঠায় ন্যায় ও শিষ্টাচারের গুরুত্ব ১০ বার ডেকেও আসেননি নার্স! জগন্নাথপুর হাসপাতালে রোগীর মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বদলি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট : প্রধানমন্ত্রী আগস্টে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮১ জন নিহত মালয়েশিয়ায় অবৈধ বাংলাদেশিদের কঠোর সতর্কবার্তা দিল হাইকমিশন গুনাহ হয়ে গেলে ফিরে আসুন আল্লাহর পথে ইউরোপে গিয়েও স্বপ্ন পূরণ হল না জগন্নাথপুরের হাফেজ জায়েদের, দেশে ফিরল নিথর দেহ

স্কুল ছাত্র আবু সাঈদ খুনের ঘটনায় আরও দুই ‘কিলারকে’ হণ্য হয়ে খুঁজছে পুলিশ

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০১৫
  • ৫৬৮ Time View

জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডেস্ক- জগন্নাথপুর উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নের খাশিলা গ্রামের সন্তান সিলেটে শহরে বসবাসকারী শিশু আবু সাঈদ অপহরণ ও খুনের ঘটনায় আরও দুই ‘কিলারকে’ হণ্য হয়ে খুঁজছে পুলিশ। তাদেরকে গ্রেফতারে পুলিশ নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়েছে। এই দুই কিলারের মধ্যে একজন জেলা ওলামালীগের প্রচার সম্পাদক মুহিবুর রহমান ওরফে মাছুম, অপরজনকে এখনো সনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। হত্যাকান্ডের ঘটনায় ইতোমধ্যে গ্রেফতারকৃত ৩ জনের মধ্যে পুলিশ কনস্টেবল এবাদুর রহমান ও জেলা ওলামালীগের সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম রাকিব (আবদুর রাকিব) এর দেয়া ১৬৪ ধারা জবানবন্দি থেকে এ দুই ‘কিলারের’ তথ্য উঠে এসেছে। এছাড়া গ্রেফতার হওয়া অপরব্যক্তি র‌্যাবের কথিত সোর্স আতাউর রহমান গেদাকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে এবাদুর ও রাকিব জানায়, তাদের সাথে অপহরণ ও কিলিং মিশনে অংশ নেয় জেলা ওলামালীগের প্রচার সম্পাদক মুহিবুর রহমান ওরফে মাছুম ও আনুমানিক ৩০ বছর বয়সী এক যুবক। ওই যুবকটি লম্বা ও শ্যামলা বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেছে এবাদুর ও রাকিব। অপহরণের পরিকল্পনা বৈঠক থেকে শুরু করে অপহরণ, চাঁদাদাবি ও খুনের সাথে ওই যুবক জড়িত ছিল সরাসরি। তবে জবানবন্দিতে যুবকটির নাম পরিচয় জানায়নি তারা। গ্রেফতার হওয়া আতাউর রহমান গেদা ওই যুবকটিকে নিয়ে এসেছিল বলে জানিয়েছে তারা।

জবানবন্দিতে এবাদ ও রাকিব জানায়, শিশু সাঈদকে অপহরণ করে মোটর সাইকেলে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় রায়নগরস্থ গেদার বাসার পাশের একটি বাসায়। সেখান থেকে সিএনজি অটোরিকশাযোগে সাঈদকে নিয়ে আসা হয় কুমারপাড়া ঝর্ণারপাড়স্থ এবাদুরের বাসায়। জবানবন্দিতে ওই অটোরিকশা চালকের পরিচয় জানাতে না পারলেও রাকিব তাকে হালকা-পাতলা গড়নের বলে উল্লেখ করেছে। পুলিশ ওই অটোরিকশা চালককেও খুঁজছে। তাকে পাওয়া গেলে অপহরণকারীদের সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যাবে।

সিলেট কোতোয়ালী থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই ফায়াজ আহমদ জানান- হত্যাকান্ডের ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে গ্রেফতারকৃত আতাউর রহমান গেদাকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত তার কাছ থেকে নতুন কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।

সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার মো. রহমত উল্লাহ বলেন- পুলিশ কনস্টেবল এবাদুল ও ওলামালীগ নেতা রাকিবের জবানবন্দিতে অপহরণ ও হত্যাকান্ডের সাথে আরও দুইজনের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে একজন ওলামালীগ নেতা ও অপরজন এখনো সনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। এছাড়া অপহরণে ব্যবহৃত সিএনজি অটোরিকশা চালককেও খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। তাকে পাওয়া গেলে অপহরণকারীদের ব্যাপারে আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com