জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক::
তিনি পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি। উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ছাড়াও দুইবারের নির্বাচিত মেয়র। তৃতীয় ধাপের নির্বাচনে তিনি ফের মেয়র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন। এর মধ্যে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা হত্যার ঘটনায় তাঁকে করা হয় হুকুমের আসামি। গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে গিয়ে জামিনে এসে মনোনয়ন দাখিলের পর যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়ন বাতিল হলে বেকায়দায় পড়েন। সবশেষ আপিলে মনোনয়ন বৈধ হলেও দল থেকে বহিষ্কার হন। গতকাল শনিবার শান্তিপূর্ণ ও অবাধ নির্বাচনে তিনি বিপুল ভোটে তৃতীয়বারের মেয়র নির্বাচিত হন।
তিনি হচ্ছেন ময়মনসিংহের গৌরীপুর পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র সৈয়দ রফিকুল ইসলাম। লাগাতার তিনবারের মেয়র হয়ে তিনি তাঁর বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্রের জবাব দিয়েছেন বলে জানান।
জানা যায়, এ পৌরসভায় মেয়র পদে মোট সাতজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। বিএনপি ছাড়া অন্যরা সকলেই আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ছিলেন। দলের কথা অমান্য করে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় নির্বাচনের এক সপ্তাহ আগে তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। এরপরও তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াননি। নৌকার প্রার্থী সাবেক মেয়র শফিকুল ইসলাম হবিকে হারিয়ে তিনি বিজয়ী হন।
মেয়র সৈয়দ রফিকুল ইসলাম বলেন, আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি পক্ষ আমাকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে উঠেপড়ে লাগে। একটি হত্যা মামলায় ফাঁসিয়ে আমাকে হেয় করেছে। স্থানীয়ভাবে আমার মনোনয়ন বাতিল করা হয়। পরে জেলায় আপিল করলে মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হলেও প্রচার-প্রচারণায় বাধার পাশাপাশি কর্মীদের মারধর ছাড়াও তাদের বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়। এসব প্রতিকূলতার মধ্যেও আমাকে ভোটাররা তাঁদের মূল্যবান ভোট দিয়ে ষড়যন্ত্রের জবাব দিয়েছেন।
সুত্র-কালের কণ্ঠ
Leave a Reply