1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের ফলে বিপর্যয়: স্কুলের চেয়ে পিছিয়ে মাদরাসা জগন্নাথপুরে গেলবারের চেয়ে এবার জিপিএ-৫ বেশি, স্কুলে ২৩, মাদরাসা ও কারিগরিতে ১টি জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ফেল ১৩৬১ শিক্ষার্থী জগন্নাথপুরে পরীক্ষা না দিয়েও ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী তালিকায় নাম! এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ যুক্তরাজ্যে রেফারি সার্ভিস অ্যাওয়ার্ডে ভুষিত হলেন জগন্নাথপুরের ফটিক মিয়া  দেশে রেকর্ড ৩৬৭১ মেগাওয়াট লোডশেডিং প্রযুক্তির যুগে সময়ের অপচয় ও সচেতনতা দেশের মানুষ যাতে শান্তিতে থাকতে পারে, সেটিই প্রধান লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী জগন্নাথপুরে মৎস্য ফিশারি থেকে পাহাড়াদারের লাশ উদ্ধার

মাহফিল, বিয়ে-বিনোদনের মাইক নিয়ে যা বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

  • Update Time : শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ১০৮ Time View

সাম্প্রতিককালে ঢাকা প্রায় সময় শব্দ দূষণে শীর্ষ তালিকায় উঠে আসে। গড়ে ১৪ ঘণ্টা সময় ধরে সহনীয় মাত্রার চেয়ে বেশি মাত্রায় শব্দদূষণ হয় ঢাকায়। গণপরিবহন, প্রাইভেট কার, বাইক, রিক্সার অযাচিত হর্ণ, বিভিন্ন সভা-সমাবেশ, বিয়ে-বিনোদন, মাহফিলে মাইকের শব্দ পরিমিত না রাখাও শব্দ দূষণের অন্যতম একটি কারণ। এসবের কারণে কষ্ট পোহাতে হয় শিশু, বৃদ্ধদের। অনেক সময় পরীক্ষার্থীদেরও সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।

এ নিয়ে সচেতনতা তৈরিতে জনপ্রিয় ইসলামি আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেছেন, সম্মানিত ওয়াজ মাহফিলের আলোচক ও আয়োজকবৃন্দ,  এসএসসি, দাখিল ও বেফাক পরীক্ষার্থীদের কথা বিবেচনায় রেখে মাহফিলের মাইক নিয়ন্ত্রণ করুন। সম্ভব হলে মাইক প্যান্ডেলের মধ্যে সীমিত রাখুন, অথবা বাহিরের মাইকের ভলিউম কমিয়ে রাখুন। কোন অবস্থাতেই  দূর-দুরান্ত পর্যন্ত মাইক লাগিয়ে গভীর রাত পর্যন্ত মাহফিল করবেন না।

তিনি বলেন, আমাদের অসচেতনতা যেন ইসলামের ব্যাপারে মানুষকে বীতশ্রদ্ধ করে না তোলে। মুসলিম জীবনে ওয়াজ ও নসীহার গুরুত্ব অপরিসীম। তবে সবকিছুই হওয়া উচিত ইসলামের নির্দেশনা মেনে। ওয়াজ-নসীহার মতো একটি ইবাদত যেন অন্যের কষ্টের কারণ না হয়, এ বিষয়টি আমাদের গুরুত্ব দিয়ে ভাবা উচিত।
তিনি আরও বলেন, এর পাশাপাশি বিয়ে-বিনোদন, রাজনৈতিক প্রচারণা, গাড়ির অযাচিত হর্নসহ যে কোন শব্দদূষণ সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় ব্যাঘাত ঘটে, তা থেকে আমাদের বিরত থাকা উচিত।

শায়খ আহমাদুল্লাহ বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় ইসলামি আলোচক ও সামাজিক সক্রিয় কর্মী। তিনি আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি জাপান, ভারত ও আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশের আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানের দাওয়াতি কাজে অংশগ্রহণ করেছেন।

শিক্ষাজীবন শেষ করার পর তিনি ২০০৩ সালে দারুর রাশাদ মিরপুর কওমি মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসাবে যোগদান করেন, পাশাপাশি নিকটস্থ মিরপুরের বায়তুল ফালাহ জামে মসজিদে ইমামতি ও খতিবের দায়িত্ব পালন করেন।

২০০৯ সালে ঢাকা ত্যাগ করে সৌদি আরবে গমন করেন এবং ধর্ম মন্ত্রণালয়ের আওতায় পশ্চিম দাম্মাম ইসলামি দাওয়াহ কেন্দ্রে অনুবাদক ও ধর্ম প্রচারক হিসাবে যোগদান করেন। তবে সেখানে ১০ বছর কাজ করার পরে বাংলাদেশে ফিরে আসেন।

দেশে এসে তিনি আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন নামক সমাজসেবী সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব এবং পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জের ভূমিপল্লী জামে মসজিদের খতিবের দায়িত্ব পালন করছেন।
সৌজন্যে ঢাকা পোষ্ট

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com