1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৩০ অপরাহ্ন

জগন্নাথপুরে ‘বড়ি বাওয়া‘ উৎসবে মেতেছেন শৌখিনরা

  • Update Time : সোমবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৮ Time View

বিশেষ প্রতিনিধি::
শীতের আগমনে যখন নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করে ঠিক তখনি শৌখিন মৎস্য শিকারিরা ভিড় জমান নদীর দুই পাড়ে।
প্রতিবছরের মতো এবারও উপজেলার নলজুর নদীর কাটাগাঙ্গ এলাকায় এলাকার শৌখিন মৎস্য ‘বড়ি বাওয়া’ (বড়শি বাওয়া) উৎসবে মেতে উঠেছেন প্রবাসী ও শৌখিন মৎস্য শিকারিরা।
আমাদের দেশে নদী-নালা, পুকুর, ডোবাসহ বিভিন্ন জলাশয়ে ছিপ ফেলে মাছ শিকার করার প্রচলন রয়েছে। তবে এ দৃশ্য বেশি দেখা যায় হাওর অঞ্চলে।
সম্প্রতি সরজমিনে কাটাগাঙ্গ বেইলি সেতু এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে মাছ শিকারের এ উৎসব। ছোট, বড়, যুবক, বৃদ্ধসহ নানা শ্রেণি পেশার মানুষ মাছ শিকারে বসেন সেখানে। স্থানীয়দের পাশাপাশি দূর-দূরান্ত থেকেও অনেকে মাছ ধরতে আসেন এখানে। কেউ বা আবার বড়শির বাওয়ার শখে ছুটে আসেন দূর প্রবাস থেকে।

এমনি এক শৌখিন মৎস্য শিকারি সৌদিআরব প্রবাসী আব্দুল হামিদ বলেন, বিগত ১৫ বছর যাবৎ এই স্থানে এসে বড়শি দিয়ে মাছ শিকার করছি। এখানে অনেক বড় বড় মাছও বড়শি দিয়ে ধরেছি। শীতের মৌসুমে শুধুমাত্র বড়শি বাওয়ার জন্য দেশে চলে আসি।

সিলেটের ওসমানী নগর উপজেলার দয়ামির ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি)সদস্য রুম্মান আহমদ বলেন, শীতের এ মৌসুমের বড়শি বাওয়া নেশা হয়ে গেছে। তাই শত ব্যস্ততার মধ্যে রাত জেগে বড়শি ফেলে নদীর তীরে বসে থাকি; কখন বড়শিতে একটা বড় বোয়াল মাছ আটকাবে। ছিপে মাছ ধরা পড়লে খুব আনন্দ লাগে।

আরেক শৌখিন মৎস্য শিকারি সিলেটের বিশ্বনাথ বাজারের ব্যবসা শাহিন মিয়া বলেন, এখানে যারা বড়শি ফেলে বসে আসেন সবাই বিভিন্ন শ্রেণি-পেশায় লোকজন। সবাই শখে বসে বড়শি নিয়ে এসেছেন। বড়শিতে সব ধরেনের মাছ ধরা পড়লেও বোয়ালমাছের সংখ্যা বেশি। তবে আগের মত বড় মাছ আর এখন নেই!

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com