1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
সুনামগঞ্জে বখাটেপনায় আটক ৪ শিক্ষার্থী, মুচলেকায় মুক্ত জগন্নাথপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত টমটম চালকের মৃত্যু অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নারী ডেপুটি মেয়র এলিজা রহমান সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেটের চারজন নিহত ভোটারের এনআইডি ও মোবাইল নম্বর নিতে পারবেন না প্রার্থীরা আল্লাহর সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট থাকা ঈমানের দাবি স্বামী-স্ত্রী ও নবজাতকের লাশ/ বাসায় ডেকে আনা ব্যক্তিই কেড়ে নেন তিন প্রাণ: পিবিআই দিরাইয়ে জলমহাল থেকে দেড় কোটি টাকার মাছ লুটের অভিযোগ বিদ্যুৎ সংকট কমবে কবে, জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষ্যে জগন্নাথপুরে র‍্যালি ও আলোচনাসভা ​

দুই চোখের আলো নেই, তবুও দমে যাননি জগন্নাথপুরের চয়ন: এবার বসলেন ডিগ্রি পরীক্ষায়

  • Update Time : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬
  • ১২৪ Time View
বিশেষ প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজ থেকে এবার ডিগ্রি ৩য় বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষা দিচ্ছেন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী চয়ন তালুকদার। বন্ধুর সহযোগিতায় শ্রুতি লেখন পদ্ধতিতে পরীক্ষায় অংশ নেন জগন্নাথপুর পৌরসভার ভবানীপুর গ্রামের নিতাই তালুকদারের ছেলে চয়ন তালুকদার।
আজ রোববার (১৯ জুলাই) আব্দুস সোবহান উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষায় যাওয়ার সময় চয়ন জগন্নাথপুর ‍টুয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, সমবয়সী ছোট বোনের সহযোগিতায় আমি এতো দূর আসতে পেরেছি। ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনার প্রতি তাঁর বেশ আগ্রহ ছিল। দু-চোখ অন্ধ থাকায় তাঁর পড়ালেখা অনিশ্চিত ছিল। সমবয়সী ছোট বোন যখন পড়তে বসত তখন তার পাশে বসে শুনে শুনে তিনি পড়া শিখে ফেলতেন। পরে তিনি ওই পড়া বলতেন অন্যজন লিখে দিত। এভাবে তিনি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়ে ডিগ্রিতে ভর্তি হন। কলেজ কর্তৃপক্ষের সহায়তায় শ্রুতি লেখনপদ্ধতিতে পরীক্ষায় অংশ নেন। তাঁকে শ্রুতি লেখনে সহায়তা করেন বন্ধু জাহেদ মিয়া।
এর আগে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় বন্ধু মাজহারুল ইসলাম শ্রুতি লেখনের দায়িত্ব পালন করেন।
চয়নের শ্রুতি লেখক জাহেদ মিয়া জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, চয়ন বলে দেয় আমি শুধু খাতায় লিখে দিই। এতে আমাদের কোনো অসুবিধা হয় না। সে পড়ায় ভালো। তাঁকে সহযোগিতা করতে আমারও ভালো লাগে।
চয়নের বাবা নিতাই তালুকদার জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, জন্মগতভাবেই চয়নের দুই চোখ অন্ধ। তবে ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনায় তার আগ্রহ ছিল। ভাইবোন মিলে একসঙ্গে পড়ালেখা করে এবার দুজন ডিগ্রি পরীক্ষা দিচ্ছে। অভাব-অনটনের কারণে ঠিকমতো তাদের পড়ালেখার খরচ জোগাতে পারছি না। তবুও তাদের স্বপ্ন পূরণে চেষ্ঠা করে যাচ্ছি।
জগন্নাথপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক সুরঞ্জিত কুমার সেন জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, চয়নকে শিক্ষা বোর্ড থেকে শ্রুতি লেখনের অনুমতি এনে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। আমরা তার সফলতা কামনা করছি।

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com