1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
জগন্নাথপুরে নৌকাডুবির ঘটনায় নিহতদের স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন এমপি, দিলেন অনুদান জগন্নাথপুরে শফিকুল আহমদ ভূঁইয়া ইসলামিক সেন্টারে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত জগন্নাথপুর ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের ভোটযুদ্ধ কাল:ভোটারের রায়ের অপেক্ষা সিলেটে ট্রিপল মার্ডার,বাবা-মায়ের শেষ বিদায়ে প্রবাসী সন্তানরা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আজ আজ আজ ১৫ আগস্ট, বঙ্গবন্ধু হত্যার ৫১ বছর ইসলামের দৃষ্টিতে বন্ধুত্ব ও বিরোধের মানদণ্ড এসএসসির রেজাল্ট দেখতে বেরিয়ে নিখোঁজ পরীক্ষার্থী ৪ দিন পর উদ্ধার সীতাকুণ্ডের জাহাজভাঙা কারখানায় বিষক্রিয়ায় ৯ জনের মৃত্যু রাহুলের হুঁশিয়ারি ‘পদত্যাগ না করা পর্যন্ত মোদি-অমিতকে ঘুমাতে দেব না’

পদত্যাগপত্রে জোর করে বাবুল আক্তারের স্বাক্ষর

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন, ২০১৬
  • ৩১৮ Time View

Babul

জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডেস্ক : যেদিন ১৫ ঘণ্টার জন্য এসপি বাবুল আক্তারকে পুলিশের হেফাজতে নেয়া হয়েছিল। সেদিন তিনি তার পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করেছিলেন, বলে জানিয়েছে পুলিশ এবং তার পরিবারের কয়েকটি সুত্র।

দেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম ‘দ্যা ডেইলি স্টারে’ এই প্রতিবেদনটি তুলে ধরা হয়। সেখানে আরও বলা হয়েছে, সেদিন তাকে দুইটি শর্ত দেয়া হয়েছিল যে, হয়তো তাকে তার স্ত্রী হত্যার দায়ে আদালতে দাঁড়াতে হবে, নয়তো তার পদত্যাগপত্র জমা দিতে হবে। তবে পদত্যাগপত্র এখনও পুলিশের হেড কোয়ার্টারে পাঠানো হয়নি বলে একটি সুত্র জানায়।

গত শুক্রবার মাঝরাতে বাবুলকে তার শ্বশুরবাড়ি থেকে পুলিশ ধরে নিয়ে যায়। এরপর তাকে সেখানে টানা ১৫ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাকে মিন্টু রোডের গোয়েন্দা ব্রাঞ্চে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

Babul-2

সূত্রটি আরও জানায়, ডিআইজি র‌্যাঙ্কের অফিসারেরা তাকে বলেছিলেন, স্ত্রী মিতুর মৃত্যুতে বাবুল আক্তারের হাত থাকার উপযুক্ত প্রমাণ তাদের নিকট রয়েছে এবং তখনি তাকে দুইটি শর্ত দেয়া হয়। তবে বাবুলের পরিবারের একজন জানায়, বাবুল এই হত্যাকাণ্ডে নিজের হাত থাকার ব্যাপারে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন, তবে দুই সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তিনি পদত্যাগ করার জন্য রাজি হয়ে যান।

সূত্রটি আরও জানায়, বাবুলকে জোরপূর্বক দুই শর্তের যেকোন একটি মানার জন্য রাজি করানো হয়। গত ৫ই জুন সকালে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় চট্টগ্রামের ও আর নিজাম রোডে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয় মাহমুদা আক্তার মিতুকে।

পুলিশ জানায়, এই হত্যাকাণ্ডে আটজন মানুষ অংশ নেয়। তিনজন মিতুর উপর হামলা চালায় এবং বাকি ৪ জন ব্যাকআপ হিসেবে ছিলেন। পুলিশ এ পর্যন্ত ছয়জনকে এই বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাদের মাঝে তিনজনকে গ্রেফতার দেখিয়েছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com