1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
শিরক থেকে বাঁচতে করণীয় হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের জেলা নেতৃবৃন্দের  সঙ্গে জগন্নাথপুর উপজেলা কমিটির মতবিনিময় সভা  ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থীর জামানত ২৫ হাজার টাকা, সর্বোচ্চ ব্যয় ১০ লাখ ইউপি নির্বাচনে যেসব প্রতীক পাবেন প্রার্থীরা সিলেটে বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৫০ মাধ্যমিকে ‘গুণী শিক্ষক’-এর স্বীকৃতি পেলেন জগন্নাথপুরের প্রধান শিক্ষক এইচ এম আজমল গাজা নিয়ে ট্রাম্পের কূটনীতিকে ‘লজ্জাজনক প্রদর্শনী’ বললেন মাখোঁ হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের টাকা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বিশ্বকে আরও কঠোর হওয়ার বার্তা তারেক রহমানের নিউ ইয়র্কে বিমানের ১১ বোয়িং ক্রয়ের চুক্তি আজ

অবশেষে জয় হলো বাংলাদেশী অধ্যুষিত টাওয়ার হ্যামলেটসের ৬শ বাসিন্দার

  • Update Time : বুধবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১৬
  • ৩৭২ Time View

স্টাফ রিপোর্টার:: টাওয়ার হ্যামলেটসের মেয়র জন বিগসের সরাসরি হস্তক্ষেপের কারনে সোশাল ল্যান্ড লর্ড ইস্ট এন্ড হোমস এস্টেটের ৪টি বিহ্বিং ভেঙ্গে নতুন ফ্ল্যাট বানানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসলো। উল্লেখ্য যে, ইস্ট এন্ড হোমস ২০১৪ সালের মার্চে এক চিঠিতে এস্টেটের ৪টি বিহ্বিংয়ের ৬শ বাসিন্দাকে তাদের বিহ্বিংগুলো ভেঙ্গে ফেলার নোটিশ দিয়েছিলো। বিহ্বিং ৪টি হচ্চেছ ব্রুন হাউস, বার্নার্ড হাউস, কার্টার হাউস এবং বার্নেট হাউস। কাউন্সিলের টেনেন্ট এবং লিজহোহ্বাররা ষ্ক্রলিভারপুল স্টেশন থেকে মাত্র ৫ মিনিটের দূরত্বে অবস্থিত বিহ্বিংগুলো ভেঙ্গে তাদের সামর্থ্যের মধ্যে নয় এমন বিলাসবহুল ফ্ল্যাট বানানো হবেম্ব এই অভিযোগে আন্দোলন শুরু করেন। শুরুতেই বাসিন্দাদের আন্দোলনের সাথে একাত“তা ঘোষনা করেন জন বিগস। তিনি তখন জিএলএ মে“ার ছিলেন। এছাড়া স্থানীয় এমপি রুশনারা আলী এস্টেটটি রক্ষায় সরকারের বিশেষ হস্তক্ষেপ চেয়ে ত্কালীন হাউজিং এন্ড প্ল্যানিং মিনিস্টার ব্র্যান্ডন লুইসকেও চিঠি লিখেন। তারা দুজনেই বিহ্বিংগুলো রক্ষায় বাসিন্দাদের বিভিন্ন ক্যাম্পেইন কর্মসূচিতে অংশ নেন। এরপর টাওয়ার হ্যামলেটসের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের প্রেক্ষিতে গত ১১ জুন নির্বাহী মেয়র নির্বাচিত হন জন বিগস। নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি পুরো বিষয়টি পর্যালোচনা করে ইস্ট এন্ড হোমসকে তাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনে বাধ্য করেন। উল্লেখ্য যে, ৯ বছর আগে ১৯৩০ সালে নির্মিত হল্যান্ড এস্টেটটি হস্তান্তরের সময় এর সংস্কারের জন্য ইস্ট এন্ড হোমসকে কাউন্সিল ১৯ মিলিয়ন পাউন্ড বরাদ্দ দেয়। ২০০৬ সালে তারা মেরামত এবং উন্নয়নের জন্য ২২ মিলিয়ন পাউন্ডের চুক্তিও সম্পাদন করে। কিন্তু মেরামতের পরিবর্তে ইস্ট এন্ড হোমস ২০১৪ সালের মার্চে এস্টেটের বিহ্বিংগুলো ভেঙ্গে ফেলার জন্য বাসিন্দাদের নোটিশ দিয়েছিলো। এখানে বিলাসবহুল ফ্ল্যাট নির্মিত হলে সাধারন বাসিন্দাদের পক্ষে বসবাস অসম্ভব হবে এই বিবেচনায় এর টেনেন্ট এবং লিজহোহ্বাররা বিহ্বিং ভাঙ্গার বিরুদ্ধে ক্যাম্পেইন করে আসছিলেন। এদিকে হল্যান্ড এস্টেট ভাঙ্গার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ায় মেয়র জন বিগস সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এক বিশেষ বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, সত্যিকার অর্থে সামর্থ্যরে মধ্যে ভালো ঘরবাড়ী আমাদের জন্য একটি বিরাট সমস্যা। হল্যান্ড এস্টেটের বাসিন্দাদের ক্যাম্পেইনে সহযোগীতা করতে পেরে আমি আনন্দিত। ইস্ট এন্ড হোমস তাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছে। এখন তারা বাসিন্দাদের সাথে পরামর্শের ভিত্তিতে এস্টেটের সংস্কার এবং ভবিষ্য্ পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে। দরিদ্র্য বাসিন্দাদের এখান থেকে যেতে হবে না এটা আমার জন্য খুবই একটি স্বস্থির খবর।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com