1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রীর বার্তা এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া জগন্নাথপুরের রোহিত হতে চান ক্রিকেটার শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ: জগন্নাথপুর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব শামিম আহমদ বহিষ্কার বুধবার সারাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে যায় বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয়কে ধরল গ্রামবাসী বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: ডা. জাহেদ উর রহমান তীব্র শিক্ষক সংকটেও জগন্নাথপুরের সরকারি দুই স্কুলের বাজিমাত, ১২ শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ ১০ জন পরীক্ষা দিয়ে ১০ জনই ফেল আত্মশুদ্ধির আলোচনা জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের ফলে বিপর্যয়: স্কুলের চেয়ে পিছিয়ে মাদরাসা

অপ্রাপ্ত বয়স্করা নিয়ন্ত্রণ করছে ব্রিটেনের অপরাধ জগত!

  • Update Time : শনিবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০১৬
  • ৪০৯ Time View

যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি :: ব্রিটেনে অপরাধ জগত নিয়ন্ত্রণ করছে অপ্রাপ্ত বয়স্করা। সম্প্রতি হোম অফিসের এক গবেষণায় এমন ভয়ংকর তথ্যই প্রকাশ করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, ব্রিটেনে সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের ৫০ শতাংশ সদস্যের বয়স ১২ থেকে ১৪ বছর। আর ৯ থেকে ১১ বছর বয়সী সদস্যের সংখ্যা মাত্র ৭ শতাংশ।আর এক্ষেত্রে লন্ডনের অসহায় এবং অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল পরিবারের সদস্যের বেশি টার্গেট করে থাকে সংঘবদ্ধ অপরাধী বা মাদক ব্যবসায়ীরা। ৯ বছর বয়সী স্কুল শিশুদের দামী ট্রেইনার, ট্রাকস্যুটসহ ইত্যাদি লোভনীয় দ্রব্যের বিনিময়ে ড্রাগ পাচারে বাধ্য করে সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্ররা। তাদের কথামত না চললে দেয়া হয় শাস্তি।
এ ছাড়াও অপরাধ জগতে যৌন নির্যাতন আশঙ্কাজনকহারে বাড়ছে। অপরাধীরা নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে এবং প্রতিশোধের হাতিয়ার হিসেবে যৌন নির্যাতন করে থাকে বলে রিপোর্টে বলা হয়।
ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের প্রায় ৩৩টি এলাকার পুলিশ, লোকাল অথোরিটি, হেলথ সার্ভিস, সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্রের সাবেক ও বর্তমান সদস্যসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলাপ করে এ রিপোর্ট তৈরী করা হয়েছে বলে হোম অফিস থেকে জানানো হয়েছে। রিপোর্টে একজন গ্যাং সদস্য জানিয়েছেন, সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্রে নিয়োগের ক্ষেত্রে লোকাল স্কুল বা আশপাশের ১২ বছর বয়সীদের টার্গেট করা হয়। তাদেরকে অর্থের বা নতুন ট্রেইনার এবং ট্রাকস্যুটসহ ইত্যাদির লোভ দেখিয়ে দলে নিয়ে খুব সহজে ড্রাগ পাচারে ব্যবহার করা যায়।
গবেষণা রিপোর্টে অংশ নেয়া বেশির ভাগ অপরাধ চক্রের সাবেক ও বর্তমান সদস্যরা জানিয়েছেন, প্রতিপক্ষের ওপর প্রতিশোধ নেয়ার লক্ষ্যেই বেশির ভাগ ক্ষেত্রে নারী বা মেয়েদের ব্যবহার করা হয়। এ কারণে প্রয়োজনে তাদের উপর চালানো হয় শারীরিক বা যৌন নির্যাতন। আবার কোনো কোনো অপরাধচক্রের নেতা নিজের কর্তৃত্ব জাহির করার জন্যও নারী বা মেয়েদের উপর যৌন নির্যাতন চালিয়ে থাকেন বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া বিশেষ জায়গা যেমন, জেল বা অন্য কোনো স্পর্শকাতর এলাকায় ড্রাগ বা অস্ত্র পাচারে ব্যবহার হতে নারীদের বাধ্য করা হয়। এদিকে সংঘবদ্ধ অপরাধচক্র আগের মতো আর স্ট্রিটে অবস্থান না করে সামাজিক যোগাযোগ নির্ভর হয়ে যাচ্ছে বলেও রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়।
এসব সংঘবদ্ধ অপরাধ প্রতিরোধে ব্যাপকভাবে বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করা হয় গবেষণা রিপোর্টে। হোম অফিস মিনিস্টার কিরান বেডলি জানিয়েছেন, সংঘবদ্ধ অপরাধচক্র এবং ইয়ুথ ভায়োল্যান্সের কমিউনিটি এবং পরিবারের জন্য ধ্বংস ডেকে আনছে। এ কারণে সংঘবদ্ধ অপরাধ প্রতিরোধে বেসিলডন, গ্রিমসবি, হ্যারো, হ্যাস্টিং এবং ইস্টবার্ন, হাইওয়েকম্ব, মেডওয়ে, সাটন, সাউথাম্পটন এবং সুইনডনে নতুন করে বিশেষ প্রোগ্রাম চালু করা হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com