1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রীর বার্তা এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া জগন্নাথপুরের রোহিত হতে চান ক্রিকেটার শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ: জগন্নাথপুর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব শামিম আহমদ বহিষ্কার বুধবার সারাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে যায় বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয়কে ধরল গ্রামবাসী বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: ডা. জাহেদ উর রহমান তীব্র শিক্ষক সংকটেও জগন্নাথপুরের সরকারি দুই স্কুলের বাজিমাত, ১২ শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ ১০ জন পরীক্ষা দিয়ে ১০ জনই ফেল আত্মশুদ্ধির আলোচনা জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের ফলে বিপর্যয়: স্কুলের চেয়ে পিছিয়ে মাদরাসা

চা বিক্রেতা আজমত হত্যার লোমহর্ষক বর্ণনা

  • Update Time : শুক্রবার, ১৩ এপ্রিল, ২০১৮
  • ২৬২ Time View

জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক::সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার গালা ইউনিয়নের ভেড়াখোলা গ্রামের চা বিক্রেতা আজমত আলী হত্যার রহস্য উদঘাটন হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে শাহজাদপুর থানা পুলিশ এ হত্যা মামলার সন্দেহভাজন আসামি ভেড়াকোলা গ্রামের খোকা মোল্লার ছেলে আবুল কাশেম পাশুকে (৫৫) গ্রেফতার করে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করলে এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য বেরিয়ে আসে।

পরে বিকালে পুলিশ আসামি আবুল কাশেমকে শাহজাদপুর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. হাসিবুল হকের কাছে হাজির করলে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তিনি।

শাহজাদপুর থানার এসআই নওয়াজেশ আলী জানান, এ হত্যার পর থেকে আমরা সন্দেহভাজন আসামি আবুল কাশেমের ওপর কঠোর নজর রাখছিলাম। দেখা যায়, এ হত্যাকাণ্ডের পর থেকে তার আচরণে অস্বাভাবিক পরিবর্তন ঘটে। তিনি এ হত্যাকাণ্ডের পরদিন থেকে নামাজ পড়া শুরু করেন, অথচ তার আগে তিনি ঠিকমতো নামাজ পড়েননি। এছাড়া দিনের বেশির ভাগ সময় তিনি একাকিত্বভাবে সময় কাটান। খাওয়াদাওয়ায়ও তার পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। খাওয়াদাওয়া ছেড়ে অস্বাভাবিক আচরণ করতে থাকেন। এতে তার ওপর সন্দেহ আরও বেড়ে যায়।

এসআই ন ওয়াজেশ আলী আরও জানান, এমনকি গ্রেফতার হওয়ার আগে আবুল কাশেম বিষপানে আত্মহত্যা করারও চেষ্টা করেন।

আসামি আবুল কাশেমের স্বীকারোক্তির উদ্ধৃতি দিয়ে পুলিশ কর্মকর্তা নওয়াজেশ আলী বলেন, হত্যাকাণ্ডের দিন শ্রীলঙ্কার নিদাহাস ট্রফিতে বাংলাদেশ-ভারত ক্রিকেট ম্যাচ খেলা শেষে চা বিক্রেতা আজমত আলী দোকান বন্ধ করে একা বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় আবুল কাশেম কয়েকজন সহযোগী নিয়ে চা বিক্রেতা আজমত আলীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও শ্বাসরোধ করে হত্যার পর লাশ পাশের একটি ডোবায় কাঁদার মধ্যে পুঁতে কচুরিপানা দিয়ে ঢেকে তারা পালিয়ে যান।

তিনি জানান, চা বিক্রেতার চাচা সাবেক ইউপি মেম্বার বীরবাহাদুর থাবার সঙ্গে আসামি পাশুর ডিস লাইনের ব্যবসা নিয়ে কোন্দল ছিল। এর জের ধরে প্রতিশোধ নিতে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়। তবে এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আর কে কে জড়িত আছে- তা তদন্তের স্বার্থে জানাননি পুলিশ কর্মকর্তা।

উল্লেখ্য, এ বছর ১৯ মার্চ সোমবার দুপুরের দিকে উপজেলার গালা ইউনিয়নের ভেড়াকোলা গ্রামের একটি ডোবা থেকে চা বিক্রেতা আজমত আলীর ক্ষতবিক্ষত লাশ শাহজাদপুর থানা পুলিশ উদ্ধার করে। তিনি ওই গ্রামের বিশা মোল্লার ছেলে।

এ হত্যাকাণ্ডের পর নিহতের চাচা বীরবাহাদুর থাবা বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর থেকেই এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কারা জড়িত তা খুঁজে বের করতে মাঠে নামে পুলিশ। দীর্ঘ ১ মাস চেষ্টার পর সন্দেহজনকভাবে পাশুকে গ্রেফতার করে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার স্বীকারোক্তিতে এ হত্যার রহস্য উদঘাটন হয়।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com