1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
জগন্নাথপুরে অনিয়মের অভিযোগে তোপের মুখে বিদ্যালয় সড়ক সংস্কার কাজ বন্ধ  অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রীর বার্তা এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া জগন্নাথপুরের রোহিত হতে চান ক্রিকেটার শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ: জগন্নাথপুর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব শামিম আহমদ বহিষ্কার বুধবার সারাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে যায় বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয়কে ধরল গ্রামবাসী বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: ডা. জাহেদ উর রহমান তীব্র শিক্ষক সংকটেও জগন্নাথপুরের সরকারি দুই স্কুলের বাজিমাত, ১২ শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ ১০ জন পরীক্ষা দিয়ে ১০ জনই ফেল আত্মশুদ্ধির আলোচনা

জগন্নাথপুরের সন্তান স্কুল ছাত্র আবু সাঈদ হত্যা মামলায় পুলিশ কনেস্টবলসহ তিনজনের ফাঁসি

  • Update Time : সোমবার, ৩০ নভেম্বর, ২০১৫
  • ৩৬১ Time View

জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডেস্ক- জগন্নাথপুর উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নের খাসিলা গ্রামের আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার বিকাল পৌনে ৪ টার সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আব্দুর রশিদ এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। পুলিশ কনেস্টবলসহ তিনজনের ফাঁসি ও একজনকে খালাস প্রদান করা হয়েছে। রায়ে জগন্নাথপুরের মানুষ খুশি হয়েছে।
বিকাল ৪টা ৪৫ মিনিটে আদালতের বিচারক আব্দুর রশিদ সাঈদ হত্যায় সিলেটের বিমানবন্দর থানার সাবেক কনস্টেবল এবাদুর রহমান পুতুল, সিলেট জেলা ওলামা লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাকিব, পুলিশের কথিত সোর্স আতাউর রহমান গেদাকে ফাঁসির রায় ঘোষনা করেন। এছাড়াও ওই মামলার আরেক আসামি ওলামা লীগ নেতা মাহিব হোসেন মাসুমকে খালাস প্রদান করেন তিনি।
এর আগে বেলা ২টা ৫৫মিনিটের সময় ওই হত্যা মামলার চার আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে তাদের উপস্থিতিতে রায় পড়ে শুনানা আদালতের বিচারক আব্দুর রশিদ। এরও আগে সকাল ১১টার দিকে আদালতে বিচাকর আব্দুর রশিদ। গত ১১ মার্চ নগরীর শাহ মীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র আবু সাঈদ (৯) অপহৃত হয়। অপহরণের তিনদিন পর ১৪ মার্চ নগরীর ঝর্ণারপাড় সোনাতলা এলাকায় পুলিশ কনস্টেবল এবাদুর রহমান পুতুলের বাসার ছাদের চিলেকোটা থেকে আবু সাঈদের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ২৩ সেপ্টেম্বর এ মামলায় চারজনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন কোতোয়ালি থানার (ওসি-তদন্ত) মোশাররফ হোসেন। চার্জশিটে অভিযুক্তরা হলেন- সিলেটের বিমানবন্দর থানার সাবেক কনস্টেবল এবাদুর রহমান পুতুল, সিলেট জেলা ওলামা লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাকিব, পুলিশের কথিত সোর্স আতাউর রহমান গেদা এবং ওলামা লীগ নেতা মাহিব হোসেন মাসুম। অভিযুক্তদের মধ্যে এবাদুর, রাকিব ও গেদা ১৬৪ ধারায় আদালতে জবানবন্দি দেন। আদালত সূত্র আরো জানায়, শিশু সাঈদ হত্যা মামলায় ৩৭জন সাক্ষীর বিপরীতে ২৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। গত ১৭ নভেম্বর চার্জ গঠনের মাধ্যমে শিশু সাঈদ হত্যা মামলার বিচারকাজ শুরু হয়। মাত্র ৮ কার্যদিবসে শেষ হয় সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক। সর্বশেষ রোববার অষ্টম কার্যদিবসে প্রথমে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন আদালতের পিপি অ্যাডাভোকেট আব্দুল মালেক। পরে আসামিপক্ষের সাতজন আইনজীবী যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। প্রসঙ্গত, নিহত আবু সাঈদ সিলেট নগরীর রায়নগর শাহ মীর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ও রায়নগর দর্জিবন্দ বসুন্ধরা ৭৪ নম্বর বাসার আব্দুল মতিনের ছেলে। জগন্নাথপুর শাহজালাল মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ এম এ মতিন জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডটকম কে বলেন, অামরা জগন্নাথপুরবাসীর ব্যানারে ন্যায় বিচারের জন্য হত্যাকান্ডোর পর রাজপথে আন্দোলন করে ফাঁসির দাবী জানিয়েছিলাম। অাজ রায়ের মাধ্যমে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা হওয়ায় আমরা খুশি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com