স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে অপহরণের চার দিন পর সারজিদ আহমদ (৯) নামের এক শিশুকে ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
আজ শনিবার (১২ অক্টোবর) ময়নাতদন্তের জন্য লাশ সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। এরআগে শুক্রবার রাতে উপজেলার ইনাতগঞ্জ (উমরপুর) এলাকার একটি মাছের ফিসারি থেকে শিশুটির ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও নিহত পরিবারের লোকজন জানান, উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের ইনাতগঞ্জ আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা আল-আমিনের শিশুপুত্র সারজিদ গত ৭ অক্টোবর তার খেলার সাথীদের সঙ্গে বাড়ির পাশে আলীগঞ্জ সেতুতে খেলাধুলা করছিল। এ সময় অভিযুক্তরা শিশুটিকে নৌকা বাইছ দেখানো কথা বলে নিয়ে যায়। এরপর শিশুটি আর বাড়ি ফিরে আসেনি। এ ঘটনায় গত ৯ অক্টোবর ওই শিশুর বাবা আল-আমিন বাদী হয়ে তিনজনের নামে জগন্নাথপুর থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়ের পর তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।গ্রেপ্তাররা হলেন, উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের গোতগাঁও গ্রামের মৃত কছর মিয়ার ছেলে ছালিম উদ্দিন (৪৫), একই গ্রামের মৃত আব্দুর শহিদের ছেলে জনি (২৫) ও বাগময়না গ্রামের মৃত আব্দুল নওয়াফের ছেলে সোহাগ মিয়া (২৫)। এরমধ্যে গ্রেপ্তারকৃতদের সুনামগঞ্জ কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
শিশু সারজিদের বাবা আল আমিন জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, আমার ছেলেকে ঘাতকরা হত্যা করেছে। আমি এ হত্যার বিচার চাই।
জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমান আকন্দ জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডটকমকে
বলেন, শিশুটিকে অপহরণের ঘটনায় ইতোমধ্যে তিনজন কারাগারে রয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদনও করা হয়েছে। রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন করা হবে। তিনি জানান, উদ্ধারকৃত শিশুর জিহ্বায়
কামড়ের চিহ্ন দেখা গেছে এবং জিহ্বাটা বের করা ছিল।
এছাড়া গলায় কালো দাগ রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হতে পারে।