স্টাফ রিপোর্টার-
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিতরণের জন্য নিরাপদ খাদ্য সংরক্ষনের জন্য বরাদ্দকৃত ৪০ টি ড্রাম আত্মসাৎ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার বিকেলে জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট উপজেলার সৈয়দপুর শাহার পাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৭,৮,৯, নং ওয়ার্ডের সাবেক মহিলা সদস্য মোছাঃ রহিমা বেগম ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান তৈয়ব মিয়া কামালীর বিরুদ্ধে ড্রাম আত্মসাত করার লিখিতভাবে এ অভিযোগ করেন।
সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা সদস্যর লিখিত অভিযোগ থেকে জানা গেছে, খাদ্য অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে দরিদ্র অনগ্রসর ক্ষুদ্রনৃগোষ্টিও দূর্যোগ প্রবন এলাকার জনগোষ্ঠীর নিরাপদ খাদ্য সংরক্ষণের জন্য হাউস হোল্ডস সাইলো সরবরাহ প্রকল্পে উপজেলার আটটি ইউনিয়নে ছয় হাজার ড্রাম বিতরণ করা হয় । ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে তালিকা তৈরি করে তাদের মাধ্যমে তা বিতরণের কথা। সৈয়দপুর শাহার পাড়া ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা সদস্য রহিমা বেগম সাত মাস আগে পুরুষ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সামছ উদ্দিন কামালী সহ আমরা দুই জন মিলে ১০০ জনের নামের একটি তালিকা প্রেরণ করি। ওই তালিকা থেকে ৪০ জনের ড্রাম বিতরন করা হয়নি।
রহিমা বেগম অভিযোগ করে বলেন সৈয়দপুর শাহার পাড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান তৈয়ব মিয়া কামালী আমার তালিকাভূক্ত ড্রামগুলো উপকারভোগীদের না দিয়ে কি করেছেন বুঝে উঠতে পারছি না। খোঁজ নিয়ে কোন সন্ধান না পেয়ে জানতে পেরেছি সাবেক চেয়ারম্যান ড্রামগুলো আত্মসাত করেন।
৭ নং ওয়ার্ডের সাধারণ সদস্য সামছ উদ্দিন বলেন আমি ও সাবেক মহিলা সদস্য দুইজন মিলে ১০০ জনের নামের তালিকা দেই। তারমধ্যে তালিকা ভুক্ত ৪০ জন ড্রাম পায়নি।।
সাবেক চেয়ারম্যান তৈয়ব মিয়া কামালী সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তাঁর ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তার এক ঘনিষ্ঠজন জানান তিনি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের পর পর যুক্তরাজ্য চলে গেছেন।
জগন্নাথপুর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা আব্দুর রব জানান, জগন্নাথপুর উপজেলার জন্য ছয় হাজার ড্রাম বরাদ্দ আসে। আমরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের কাছে ড্রামগুলো হস্তান্তর করেছি। তারা বিতরণ করার কথা। এ বিষয়ে আমরা কিছু জানি না।
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজেদুল ইসলাম বলেন, এবিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি।তদন্ত করে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত এর আগে আশারকান্দি ইউনিয়নেী একটি ওয়ার্ডর ৮০ টি ড্রাম আত্মসাতের অভিযোগ উঠে।