1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সিলেট স্বামী-স্ত্রীসহ ৩ জনের লাশ উদ্ধার সহসাই খুলছে না হরমুজ প্রণালি, বাড়ছে তেলের দাম সিলেটে পারিবারিক কলহের জেরে দ্বিতীয় স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা, প্রথম স্ত্রীসহ আটক স্বামী জামানত ছাড়াই তরুণদের ১০ লাখ টাকা ব্যাংক ঋণ দিবে বাংলাদেশ ব্যাংক ‘যে বিষয়ে আপনার জ্ঞান নেই, তাতে ধৈর্য রাখবেন কীভাবে?‘ জগন্নাথপুরে অনিয়মের অভিযোগে তোপের মুখে বিদ্যালয় সড়ক সংস্কার কাজ বন্ধ  অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রীর বার্তা এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া জগন্নাথপুরের রোহিত হতে চান ক্রিকেটার শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ: জগন্নাথপুর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব শামিম আহমদ বহিষ্কার বুধবার সারাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ

জগন্নাথপুরে উন্মুক্ত জলাশয় প্রভাবশালীদের দখলে, মাছ ধরতে পারছেন না মৎস্যজীবিরা

  • Update Time : বুধবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০১৮
  • ২৪৪ Time View

স্টাফ রিপোর্টার :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার দিঘলবাক এলাকায় উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছ ধরতে পারছেন না প্রকৃত মৎস্যজীবিরা। একটি প্রভাবশালী মহল জোরপূর্বক মৎস্যজীবিদেরকে মাছ ধরতে বাধা দিয়ে নিজেরা মাছ ধরে বিক্রি করে ফায়দা লুটছে। প্রতিকার চেয়ে মৎস্যজীবিরা জগন্নাথপুর উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করলেও কোন কাজ হচ্ছে না।
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে দায়েরকৃত মৎস্যজীবিদের লিখিত অভিযোগে জানা যায়, জগন্নাথপুর উপজেলার আশারকান্দি,পাইলগাঁও ইউনিয়নে অবস্থিত কাঞ্চা বিবিয়ানা গুলমা মরণকালী ও কুশিয়ারা জলমহালটি উন্মুক্ত জলাশয় হিসেবে প্রকৃত মৎস্যজীবিদের মৎস্য আরোহনের কথা। কিন্তুু দিঘলবাক গ্রামের মুজিব উদ্দিন উন্মুক্ত জলমহালটি দখল করে মৌলবীজার জেলার দাউদপুর গ্রামের আওলাদ আলীসহ৫ জন মৎস্যজীবি (জেলেদের নিকট ২০ লাখ টাকায় মাছ ধরার জন্য বিক্রি করে দেন। এখন আমরা প্রকৃত মৎস্যজীবিরা মাছ ধরতে গেলে প্রভাবশালী বিএনপি কর্মী মুজিব উদ্দিন এতে বাধা প্রদান করেন। দিঘলবাক গ্রামের মৎস্যজীবি আলী আহমদ জানান,উন্মুক্ত জলাশায়ে নদীর তীরবর্তী মৎস্যজীবি হিসেবে আমাদের মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহের কথা থাকলেও প্রভাবশালী একটি মহলের কারণে আমরা জাল ফেলতে পারছি না। এঅবস্থায় আমরা কষ্টে দিনযাপন করছি। তিনি বলেন, ৩০জন মৎস্যজীবি সাক্ষরিত একটি আবেদন জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবরে দাখিল করে প্রতিকার চাইলেও কোন সুবিচার পাচ্ছি না।
অভিযুক্ত মুজিব উদ্দিন তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,আমরা এলাকার মৎস্যজীবিদের অধিকার রক্ষায় প্রশাসনে আবেদন করে জলমহালটি এবার উন্মুক্ত রেখেছি। স্থানীয় এলাকাবাসী মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করছেন। যারা অভিযোগ করছেন তারা বিগতদিনে টোকেন ফি দিয়ে মাছ ধরতেন। এবার সুবিধা না পেয়ে মিথ্যা অভিযোগ করছেন।
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ বলেন,প্রকৃত মৎস্যজীবিরা যাতে মাছ ধরতে পারেন এবিষয়ে থানাকে সহযোগীতা করতে বলেছি।
জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ হারুণ রশিদ চৌধুরী জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন,ওই জলমহালে যারা মাছ ধরতে পারছেন না তারাও প্রকৃত মৎস্যজীবি নয়। যারা ধরছেন তারাও সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মাছ ধরছেন। আমরা শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে কাজ করছি। #

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com