স্টাফ রিপোর্টার::
প্রবাসি অধ্যুষিত সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া নাগরিক সনদ নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের বিরুদ্ধে সোমবার তদন্ত থেকে শুরু হয়েছে।
সুনামগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পঞ্চানন বালা এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু করেন।
এবিষয়ে জানতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার মুঠোফোন যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
তবে জগন্নাথপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডটকমকে জানিয়েছেন , জেলা শিক্ষা অফিসার পঞ্চানন বালা স্যার অভিযোগের ভিত্তিত্বে বিষয়টি তদন্ত শুরু করেছেন। এ বিষয়টি এখনও তদন্তাধীন রয়েছে।
প্রসঙ্গত. এলাকাবাসী ২০১৪ সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা এ বছর অনুষ্ঠিত হয়। গত ১৪ সেপ্টেম্বর চুড়ান্ত ফলাফলে জগন্নাথপুর উপজেলায় উত্তীর্ণ হন ৬৩ জন। তাদের পদায়ন করে ১০ অক্টোবর যোগদান করতে বলা হয়। কিন্তু এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর ৭ জন ভুয়া নাগরিক সনদধারীর যোগদান বাতিলের দাবি জানানো হয়। পরবর্তীতে আরো তিন জন কে সনাক্ত করে জেলা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়। অভিযুক্ত ১০ জন হলেন,মিজানুর রহমান,আব্দুল মজিদ,আশিকুর রহমান,সুমা আক্তার,রুবি রানী দাশ, অর্ণিবান দাশ, লুৎফা তাহের, বিথী, আঁকি সরকার ও নাজমা আক্তার। অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাদের নিয়োগ স্থগিত রেখে নতুন করে ২০১৮ সালের নাগরিক সনদ দেখাতে বলা হয়।
Leave a Reply