বিশেষ প্রতিনিধি:;
জগন্নাথপুরে হাওরে শ্রমিক সংকট এড়াতে স্থানীয় শ্রমিক এবং করোনা পরিস্থিতিতে বেকার হয়ে পড়া অটোরিকশা, টমটমসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার কর্মহীন মানুষদের ত্রাণ সহায়তার মাধ্যমে ধান কাটার কাজে লাগানোর জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
গতকাল রোববার দুপুরে জগন্নাথপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে করোনভাইরাস প্রতিরোধ কমিটি ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে এক মতবিনিময় সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। তা ছাড়া অন্য এলাকা থেকে ধান কাটার শ্রমিক আসতে কোথাও বাধার মুখে পড়লে স্থানীয় প্রশাসন তাদের সহায়তা
জগন্নাথপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বিজন কুমার দেব বলেন, জগন্নাথপুরের সর্ববৃহৎ নলুয়া হাওরসহ উপজেলার প্রতিটি হাওরে পাকা আধা পাকা বোরো ধান রয়েছে। কৃষকরা শ্রমিক সংকটের কারণে পাকা ধান কর্তৃন করতে পারছেন না। একদিকে করোনার থাবা অন্যদিকে আগাম বন্যার শঙ্কা। এঅবস্থায় কৃষকের পাশে দাঁড়াতে সম্প্রতি বেকার হয়ে পড়া লোকজনকে কাজে লাগানোর সিদ্ধান্ত হয়।
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহফুজুল আলম মাসুম বলেন, হাওরের ধান কাটতে বাহির থেকে জগন্নাথপুরে লোকজনে আসতে চাইলে তাদের কে আমরা সহায়তা দেব। কঠিন এই পরিস্থিতিতে শঙ্কিত কৃৃষকের কষ্টের ফসল গোলায় তোলত বেকার কর্মহীন বিভিন্ন শ্রেনীর লোকজনকে সরকারী সহায়তার মাধ্যমে হাওরের ধান কাটার কাজে লাগানো হবে।
জগন্নাথপুর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা শওকত ওসমান মজুমদার বলেন, জগন্নাথপুর উপজেলায় এবার ২০ হাজার ৫শ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ করা হয়েছে। শ্রমিক সংকটে ধান কাটা কিছুটা বিঘ্নিত হচ্ছে স্বীকার করে তিনি বলেন, আমরা ত্রাণসামগ্রী দিয়ে শ্রমিদেরকে ধান কাটতে মাঠে নামানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি।
Leave a Reply