1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
জগন্নাথপুরে অনিয়মের অভিযোগে তোপের মুখে বিদ্যালয় সড়ক সংস্কার কাজ বন্ধ  অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রীর বার্তা এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া জগন্নাথপুরের রোহিত হতে চান ক্রিকেটার শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ: জগন্নাথপুর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব শামিম আহমদ বহিষ্কার বুধবার সারাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে যায় বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয়কে ধরল গ্রামবাসী বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: ডা. জাহেদ উর রহমান তীব্র শিক্ষক সংকটেও জগন্নাথপুরের সরকারি দুই স্কুলের বাজিমাত, ১২ শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ ১০ জন পরীক্ষা দিয়ে ১০ জনই ফেল আত্মশুদ্ধির আলোচনা

জার্মানির আদালতে স্কার্ফ পরা নারী নিষিদ্ধ হলেন

  • Update Time : শুক্রবার, ২১ জুলাই, ২০১৭
  • ৩৫২ Time View

জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডটকম ডেস্ক :: হেড স্কার্ফ বা হিজাব পরিহিত এক মুসলিম নারীকে আদালতে নিষিদ্ধ করেছেন জার্মানির একজন বিচারক। আইনি পরামর্শকরা একে বর্ণবাদ বলে অভিযুক্ত করেছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে উদ্ধৃত করে এ খবর দিয়েছে লন্ডনের অনলাইন দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট। এতে বলা হয়, জার্মানির ব্রান্ডেনবার্গে লুকেনওয়াল্ডেতে অবস্থিত ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে সিরিয়ার ওই নারীর বিবাহ বিচ্ছেদ নিয়ে শুনানি ছিল। কিন্তু আদালতে তাকে মাথায় স্কার্ফ পরে যেতে বারণ করে একটি চিঠি দিয়েছেন ওই বিচারক। তিনি বলেন, ধর্মীয় উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ। এসব বলেছেন ওই নারীর পক্ষে আইনি লড়াই করা আইনজীবী নাহাত আবোকাল। তিনি বলেছেন, এ বিষয়ে আমার মক্কেলকে সতর্ক করে চিঠি দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে তিনি যদি নির্দেশ না মেনে চলেন তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। পাশাপাশি তাকে স্বামীর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের শুনানিতে সশরীরে আদালতে উপস্থিত থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। নাহাত আবোকাল অভিযোগ করেছেন ওই বিচারক অসাংবিধানিক কাজ করেছেন। তিনি বলেছেন, জার্মানিতে ইসলামিক পোশাক নিয়ে তীব্র বিতর্ক থাকা সত্ত্বেও তিনি বিচারকের এ নির্দেশের বিরুদ্ধে লড়াই করবেন। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার এক সহকর্মী। তবে জানিয়ে দিয়েছেন যেহেতু মামলাটি বিচারাধীন তাই এ বিষয়ে আর কোনো তথ্য দেয়া হবে না। লুকেনওয়ার্ল্ডের ওই কোর্টের একজন মুখপাত্র এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আদালত কক্ষে কি হবে তার দায় দায়িত্ব বিচারকের। উল্লেখ্য, বোরকা ও ইসলামী অন্য পোশাক যেমন সারা মুখ ঢেকে থাকে এমন পোশাক আংশিক বন্ধ করার পক্ষে এর আগে ভোট দিয়েছে জার্মান পার্লামেন্ট। তাছাড়া ধর্মীয় বা রাজনৈতিক ভাব প্রকাশ করে এমন কোনো পোশাক পরার ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতার আইন রয়েছে। সেটা ব্যবহার করতে পারেন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তারা। তবে আইনি প্রক্রিয়া চলাকালীন প্রত্যক্ষদর্শী, অভিযোগকারী, নির্যাতিত ব্যক্তি বা অন্য কারো তাকে অংশ নেয়ার ক্ষেত্রে এ বিধিনিষেধ প্রয়োগ করা হয় না। ২০০৬ সালে ফেডারেল কনস্টিটিউশনাল কোর্ট একটি রায় দিয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, একজন প্রত্যক্ষদর্শী যদি মাথায় স্কার্ফ পরে আসেন তাহলে তাকে বের করে দেয়ার কোনো অধিকার নেই একজন বিচারকের। এ জন্য বন-এর ফ্রিড্রিচ-ইউলহেম ইউনিভার্সিটির আইনের একজন প্রফেসর ক্লাউস এফ গার্ডিজ বলেছেন, সিরিয়ার ওই নারীকে যে চিঠি দেয়া হয়েছে তাতে তাকে অবমাননা করা হয়েছে। তার ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘন করা হয়েছে। তিনি ওই বিচারককে প্রাদেশিক বর্ণবাদী ও যৌনতার আওতায় অভিযুক্ত করেছেন। তিনি লিগ্যাল ট্রিবিউন অনলাইনে লিখেছেন, তার নির্দেশের শিকার হবেন শুধু নারীরাই।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com