1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সিলেট স্বামী-স্ত্রীসহ ৩ জনের লাশ উদ্ধার সহসাই খুলছে না হরমুজ প্রণালি, বাড়ছে তেলের দাম সিলেটে পারিবারিক কলহের জেরে দ্বিতীয় স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা, প্রথম স্ত্রীসহ আটক স্বামী জামানত ছাড়াই তরুণদের ১০ লাখ টাকা ব্যাংক ঋণ দিবে বাংলাদেশ ব্যাংক ‘যে বিষয়ে আপনার জ্ঞান নেই, তাতে ধৈর্য রাখবেন কীভাবে?‘ জগন্নাথপুরে অনিয়মের অভিযোগে তোপের মুখে বিদ্যালয় সড়ক সংস্কার কাজ বন্ধ  অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রীর বার্তা এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া জগন্নাথপুরের রোহিত হতে চান ক্রিকেটার শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ: জগন্নাথপুর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব শামিম আহমদ বহিষ্কার বুধবার সারাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ

বিরোধ নিরসনে কোরআনের নির্দেশনা

  • Update Time : সোমবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৪
  • ৭৯ Time View

পবিত্র কোরআনে মুসলমানের পারিবারিক বিরোধ নিরসনে ন্যায়পরায়ণ তৃতীয়পক্ষের কাছে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাকে ইসলামী পরিভাষায় ‘সালিস’ পদ্ধতি বলে। সামাজিক, রাষ্ট্রীয় ও আন্তর্জাতিক দ্বন্দ্ব-সংঘাত নিরসনে এই কোরানিক মডেল কার্যকর হতে পারে। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘তাদের উভয়ের মধ্যে বিরোধ আশঙ্কা করলে তোমরা স্বামীর পরিবার থেকে একজন ও স্ত্রীর পরিবার থেকে একজন সালিস নিযুক্ত করবে।
তারা উভয়ে নিষ্পত্তি চাইলে আল্লাহ তাদের মধ্যে মীমাংসার অনুকূল অবস্থা সৃষ্টি করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সবিশেষ অবহিত। ’ (সুরা : নিসা, আয়াত : ৩৫)

 

যদি সমাজের একটি ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠান পরিবারে সালিস নিযুক্ত করা আবশ্যক হয়, তবে উম্মাহর একতা রক্ষায় কেন সালিস নিযুক্ত করা হবে না। যখন মুসলিম উম্মাহর একতা রক্ষা করার জোর তাগিদ কোরআনের একাধিক স্থানে এসেছে।

বরং আমরা দেখি, আরো ছোট বিষয়েও ইসলাম সালিস নিযুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে। কোনো মুসলিম যখন ইহরাম বাঁধা অবস্থায় শিকার করে ফেলে, তবে তার ব্যাপারে কোরআনের নির্দেশ হলো— ‘হে মুমিনরা! মুহরিম অবস্থায় তোমরা শিকার-জন্তু হত্যা কোরো না; তোমাদের মধ্যে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে তা হত্যা করলে যা সে হত্যা করল তার বিনিময় হচ্ছে অনুরূপ গৃহপালিত জন্তু, যার ফায়সালা করবে তোমাদের মধ্যে দুজন ন্যায়বান লোক—কাবায় প্রেরিতব্য কোরবানিরূপে। ’ (সুরা : মায়িদা, আয়াত : ৯৫)

সত্যচ্যুত খারেজি সম্প্রদায় যখন আলী (রা.)-এর আনুগত্য অস্বীকার করে এই যুক্তিতে যে তিনি দ্বিনের ব্যাপারে মানুষকে বিচারক হিসেবে গ্রহণ করেছেন, অথচ আল্লাহ বলেছেন ‘হুকুম বা ফায়সালা করার ক্ষমতা কেবল আল্লাহর জন্য’।

(সুরা : আনআম, আয়াত : ৫৭)

আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) তাদের যুক্তি খণ্ডন করে বলেন, আল্লাহ তাআলা স্বামী ও স্ত্রী, হেরেমে শিকারের ব্যাপারে তৃতীয় ব্যক্তিকে ‘সালিস’ নিযুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন।
মুসলিম জাতির সন্তানদের বড় দুটি অংশের বিরোধ মীমাংসার জন্য ‘সালিস’ নিযুক্ত করা কি বৈধ হবে না?
সৌজন্যে বাংলাদেশ প্রতিদিন

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com