1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের ফলে বিপর্যয়: স্কুলের চেয়ে পিছিয়ে মাদরাসা জগন্নাথপুরে গেলবারের চেয়ে এবার জিপিএ-৫ বেশি, স্কুলে ২৩, মাদরাসা ও কারিগরিতে ১টি জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ফেল ১৩৬১ শিক্ষার্থী জগন্নাথপুরে পরীক্ষা না দিয়েও ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী তালিকায় নাম! এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ যুক্তরাজ্যে রেফারি সার্ভিস অ্যাওয়ার্ডে ভুষিত হলেন জগন্নাথপুরের ফটিক মিয়া  দেশে রেকর্ড ৩৬৭১ মেগাওয়াট লোডশেডিং প্রযুক্তির যুগে সময়ের অপচয় ও সচেতনতা দেশের মানুষ যাতে শান্তিতে থাকতে পারে, সেটিই প্রধান লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী জগন্নাথপুরে মৎস্য ফিশারি থেকে পাহাড়াদারের লাশ উদ্ধার

মহামারিতে উপায়-উপকরণকে অস্বীকার ও সাহাবিদের বিশ্বাস

  • Update Time : মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২০
  • ৫৮৪ Time View

কোরআন দ্বারা প্রমাণিত আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (সা.)-এর নির্দেশনার মূল উৎস শরীয় আসবাব বা কার্যকারণ এবং তা পূর্বনির্ধারিত। আল্লাহর সৃষ্টি ও কার্যকারণে কোনো পরিবর্তন নেই। তাঁর আদেশের কোনো বিকৃতি নেই। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আপনি আল্লাহর রীতির কোনো পরিবর্তন পাবেন না এবং আল্লাহর নীতির কোনো বিকৃতি পাবেন না।’ (সুরা : ফাতির, আয়াত : ৪৩)

সুতরাং উপায়-উপকরণ অস্বীকার করা নির্বুদ্ধিতা এবং ইসলামী শরিয়তের প্রতি একটি আঘাত। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আল্লাহ আকাশ থেকে যে বৃষ্টি বর্ষণ করেন, তা দিয়ে মৃত জমিন পুনরুজ্জীবিত করেন।’ (সুরা : আল বাকারা, আয়াত : ১৬৪)
মুমিন ব্যক্তি উপায়-উপকরণ গ্রহণ করবে। কেননা তাকে তা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং আল্লাহই এসবের প্রতিক্রিয়া বা ফলাফল নির্ধারণ করবেন। মুমিন বান্দাকে আল্লাহর দয়া, সমতা, প্রজ্ঞা ও জ্ঞানের প্রতি সন্তুষ্ট থাকতে হবে। কেননা তিনিই বিশ্বস্ত আশ্রয়দাতা এবং ধোঁকা ও প্রবঞ্চনা থেকে মুক্তিদাতা। ইরশাদ হয়েছে, ‘শয়তান তোমাদের দারিদ্র্যের ভয় দেখায় এবং অশ্লীল কাজের নির্দেশ দেয়; আর আল্লাহ তোমাদের তাঁর ক্ষমা ও অনুগ্রহের প্রতিশ্রুতি দেন। আল্লাহ প্রশস্ত জ্ঞানের অধিকারী।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ২৬৮)

সাহাবারা এই মর্মার্থ ভালোভাবে উপলব্ধি করেছিলেন। তাঁরা বুঝেছিলেন তাকদিরে বিশ্বাস অর্থ উপায়-উপকরণ ছেড়ে দেওয়া নয়। এ জন্য ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) আবু উবায়দা ইবনুল জাররাহ (রা.)-এর তাকদিরের প্রতি যে বিশ্বাস ছিল তা গ্রহণ করেননি, যা বিখ্যাত ‘আমওয়াস মহামারি’তে ঘটেছিল। ওমর (রা.) যখন শামের (সিরিয়া) সীমান্ত এলাকা থেকে মদিনায় ফিরে আসতে চাইলেন, তখন আবু উবায়দা ইবনুল জারাহ (রা.) বললেন, আপনি কি আল্লাহর তাকদির থেকে পালিয়ে যাবেন? ওমর (রা.) এই প্রশ্নে হতবাক হয়ে গেলেন এবং বললেন, ‘আবু উবায়দা! তুমি ছাড়া অন্য কেউ এ কথা বললে মেনে নেওয়া যেত! হ্যাঁ, আমরা আল্লাহর এক তাকদির থেকে আরেক তাকদিরের দিকে পালাচ্ছি। এরপর তিনি বললেন, মনে কর তুমি একটি উপত্যকায় উট নিয়ে গেলে। ওই উপত্যকার দুটি অংশ রয়েছে। একটি উর্বর, আরেকটি অনুর্বর। তুমি উর্বর অংশে উট চরালে সেটা আল্লাহর তাকদির অনুযায়ী। আবার তুমি অনুর্বর অংশে উট চরালে সেটাও আল্লাহর তাকদির অনুসারে
ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) ও আবু উবায়দা (রা.) উভয়ে জানতেন, তাকদির হলো ভবিষ্যতের ঘটনাবলি সম্পর্কে আল্লাহর পূর্বজ্ঞান। তবে ওমর (রা.) মনে করতেন কার্য ফলাফলের সঙ্গে আসবাব বা কার্যকারণকে যুক্ত করার ক্ষেত্রে তাকদিরের কোনো ভূমিকা নেই। কাজেই মহামারি থাকাবস্থায় শামে প্রবেশ করা হবে মৃত্যুর কারণ। আর মহামারি থেকে মুক্তির জন্য ফিরে যাওয়া হবে আসবাব বা অবলম্বন গ্রহণ। সুতরাং কোনো কাজের জন্য অগ্রসর হওয়া বা কোনো কাজ থেকে পিছু হটার সঙ্গে তাকদিরকে সম্পৃক্ত করা সঠিক নয়। আবার তাকদিরের দোহায় দিয়ে উপায়-উপকরণ ত্যাগ করা সঠিক নয়। (সংক্ষেপিত)
আলজাজিরার ব্লগ ‘মুদাওয়ানাত’ থেকে সাইফ মুরতাফির অনুবাদ
সৌজন্যে কালের কণ্ঠ

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com