1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সিলেট স্বামী-স্ত্রীসহ ৩ জনের লাশ উদ্ধার সহসাই খুলছে না হরমুজ প্রণালি, বাড়ছে তেলের দাম সিলেটে পারিবারিক কলহের জেরে দ্বিতীয় স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা, প্রথম স্ত্রীসহ আটক স্বামী জামানত ছাড়াই তরুণদের ১০ লাখ টাকা ব্যাংক ঋণ দিবে বাংলাদেশ ব্যাংক ‘যে বিষয়ে আপনার জ্ঞান নেই, তাতে ধৈর্য রাখবেন কীভাবে?‘ জগন্নাথপুরে অনিয়মের অভিযোগে তোপের মুখে বিদ্যালয় সড়ক সংস্কার কাজ বন্ধ  অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রীর বার্তা এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া জগন্নাথপুরের রোহিত হতে চান ক্রিকেটার শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ: জগন্নাথপুর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব শামিম আহমদ বহিষ্কার বুধবার সারাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ

মুসলিমদের জন্য পবিত্র কোরআন মুখস্থ করা অনেক বড় পূণ্যের কাজ। সাধারণত শৈশবেই মুসলিম শিশুরা কোরআন হেফজ সমাপ্ত করে থাকে। তবে স্মৃতিশক্তির তারতম্যের কারণে এতে কম-বেশি সময় লাগে।

  • Update Time : মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল, ২০২১
  • ৩৯১ Time View

জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক::

ফিলিস্তিনের মরুভূমিতে বাস করা একজন রেডিওতে পবিত্র কোরআনের তেলাওয়াত শুনে হেফজ সম্পন্ন করেছেন। আলহাজ সালামাহ আলি নামে একজন রাখাল কয়েক বছর যাবত ছাগল চড়ানোর সময় রেডিওতে কোরআন শুনতেন। নিয়মিত শুনে শুনে তিনি পবিত্র কোরআনের হেফজ সম্পন্ন করেন।

আলহাজ সালামাহ বলেন, ‘১৯৮৩ সালে পবিত্র কোরআন হেফজ শুরু করি। ব্যক্তিগত প্রচেষ্টায় চার বছর পর হেফজ সমাপ্ত হয়। কারণ ওই সময় আমাদের এলাকায় কোনো হাফেজ কিংবা হেফজখানাও ছিল না। এলাকার করুণ পরিবেশ আগের মতোই বহাল আছে।’

সালাহ জানান, ‘হেফজের সময় পেছনের পাঠ পুনরায় পড়া খুবই জরুরি। নতুবা পঠিত সবকিছু ভুলে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। এক্ষেত্রে রেডিওতে কোরআন শোনার ব্যবস্থা আমাকে অনেক বেশি সহায়তা করে।’

রেডিওতে শায়খ কখন কোরআন তেলাওয়াতের সময় সম্পর্কে আমি জানতাম। তখন আমিও তাঁদের সঙ্গে কোরআন পুনরাবৃত্তি করতাম। এভাবে তা শুনতে শুনতে আমার বিশুদ্ধ কোরআন তেলাওয়াত শিখি।’

 

‘নিজের ছাগল চড়ানোর সময় আমি রেডিওতে কোরআন শুনতাম। এভাবে আমি তাজবিদের সব রীতি-নীতি আয়ত্ত করি। ফলে অত্যন্ত বিশুদ্ধ ও সুন্দরভাবে কোরআন পড়তে পারি।’

‘অধ্যয়নের প্রতি নিজের প্রবল আগ্রহও কোরআন হেফজের ক্ষেত্রে আমাকে সহায়তা করে। আমার হাতে আসা যেকোনো বই পড়ে শেষ করি। ছাগল চড়াতে মরুভূমিতে বাস করলেও কোরআন তেলাওয়াত ও নানা বই পাঠের মাধ্যমে ভিন্ন এক জগতে বসবাস করি।’

‘মরু অঞ্চলে সীমিত জ্ঞানের অধিকারী মানুষের সঙ্গে আমার সাক্ষাত হয়। তাই আমি মনে করি, বইপাঠ সবার জন্য জরুরি। গভীর অধ্যয়ন ছাড়া কোনো গত্যন্তর নেই। তাই সবাইকে কোরআন পাঠের অনুরোধ করব। কোরআন না পড়ে অন্য কিছু পাঠে মনোযোগী হওয়া নিজেকে দুর্বল করে রাখবে।’

‘আমি মরুভূমিতে বাস করি, যেখানে কোনো হেফজখানা বা হাফেজ বলতে কিছুই নেই। তদুপরি কোরআন হেফজের ক্ষেত্রে ‘নিঃসঙ্গতা ও অফুরন্ত অবসর সময়’ আমাকে সবচেয়ে বেশি সহায়তা করে। সর্বোপরি মহান আল্লাহর সার্বিক সহায়তা তো আছেই। আমার এখন ষাট বছর। কিন্তু আমি এখনও পবিত্র কোরআন বার বার পড়তে থাকি।’ সূত্র : আল জাজিরা,

সৌজন্যে কালের কণ্ঠ

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com