1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রীর বার্তা এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া জগন্নাথপুরের রোহিত হতে চান ক্রিকেটার শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ: জগন্নাথপুর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব শামিম আহমদ বহিষ্কার বুধবার সারাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে যায় বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয়কে ধরল গ্রামবাসী বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: ডা. জাহেদ উর রহমান তীব্র শিক্ষক সংকটেও জগন্নাথপুরের সরকারি দুই স্কুলের বাজিমাত, ১২ শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ ১০ জন পরীক্ষা দিয়ে ১০ জনই ফেল আত্মশুদ্ধির আলোচনা জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের ফলে বিপর্যয়: স্কুলের চেয়ে পিছিয়ে মাদরাসা

মৃত আসামিকে পলাতক দেখানো এসআইকে ট্রাইব্যুনালে তলব

  • Update Time : মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর, ২০১৭
  • ৩৩৮ Time View

জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডটকম ডেস্ক :: মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত আসামি মৌলভী আবদুল মজিদকে পলাতক দেখিয়ে প্রতিবেদন দেয়ায় কক্সবাজারের মহেশখালী থানার এসআই জহিরুল হককে তলব করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

আগামী ২৬ নভেম্বর তাকে সশরীরে হাজির হয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে কক্সবাজার জেলার পুলিশ সুপার এবং মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলেছেন আদালত।

সোমবার ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এ সময় ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউটর রানা দাসগুপ্ত এবং আর এ বিষয়টিকে আদালতের নজরে আনা আসামি পক্ষের আইনজীবী আব্দুস সাত্তার পালোয়ান।

মৃত আসামিকে পলাতক দেখিয়ে প্রতিবেদন দেয়ায় ওই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন করেছিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন সংস্থা।

আবেদনের পরে প্রসিকিউটর রানা দাসগুপ্ত বলেছিলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধে মহেশখালীর ১৮ জনের বিরুদ্ধে আমরা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করি। গত ২৫ মে অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য হয়।

ওই দিন আইনজীবী আব্দুস সাত্তার জানান, আসামি আব্দুল মজিদ মারা গেছেন। তখন ট্রাইব্যুনাল জানতে চান এ বিষয়ে কোনো নথি আছে কিনা। জবাবে আব্দুস সাত্তার বলেন, আমাকে অনুমতি দিলে খোঁজ নিতে পারি।

পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আসামি আব্দুল মজিদ ২০১৬ সালের ২২ ডিসেম্বর মারা গেছেন। তার মৃত্যুর খবরের সত্যতা যাচাই করতে এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম মহেশখালী থানার ওসি বরাবর প্রতিবেদন চেয়ে চিঠি দেন। পরে গত ৫ জুলাই পুলিশ আসামির মৃত্যুর খবরটি সত্য বলে প্রতিবেদন দাখিল করে।

প্রসিকিউটর রানা দাসগুপ্ত বলেন, ‘আসামি মারা যাওয়ার দুই মাস পরও পুলিশ জানে না আসামি মারা গেছে। এতে পুলিশের গাফিলতির বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে। এ ধরনের প্রতিবেদন বিচারিক কাজে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে। আমরা ট্রাইব্যুনালের কাছে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা চেয়ে আবেদন করেছি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com