জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক::
ঈশ্বরগঞ্জ থেকে কেন্দুয়ায় এক যুবকের সঙ্গে দেখা করতে এসে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক তরুণী। তরুণী কেন্দুয়ার বিল্লাল নামে এক যুবকের সঙ্গে দেখা করতে আসেন। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ বিল্লালসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
গতকাল রোববার দুপুরে তাদের নেত্রকোনা আদালতে পাঠানো হয়। আদালতের বিজ্ঞ বিচারক তাদের জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার এক তরুণীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ গড়ে তোলেন নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার বিল্লাল মিয়া।
ওই তরুণী পুলিশকে জানান, দুজনের মধ্যে মোবাইল ফোনে কথোপকথনের পর সামনাসামনি দেখা করতে গত শনিবার রাতে বিল্লালের গ্রামে আসেন তিনি। কিন্তু বিল্লাল তার বাড়িতে না নিয়ে কাশিপুর ঈদগাহ মাঠে নিয়ে যান। সেখানে নির্জন স্থানে বিল্লাল তার দুই বন্ধু হারুন ও রুবেলকে নিয়ে তাকে দলবদ্ধ ধর্ষণ করেন।
ধর্ষণের শিকার হয়ে তরুণী কৌশলে তাদের কবল থেকে বেরিয়ে এসে কেন্দুয়া থানার পুলিশকে জানান। পুলিশ ভুক্তভোগী ওই তরুণীর কাছ থেকে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের নাম-ঠিকানা সংগ্রহ করে। গতকাল রোববার সকাল থেকেই অভিযানে নামে পুলিশ। পরে সকালে কাশিপুর গ্রামে মঙ্গল মিয়ার ছেলে বিল্লাল (২২), রোস্তম আলীর ছেলে হারুন (২৭) এবং এখলাস মিয়ার ছেলে রুবেলকে (২৫) গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে।
এ ঘটনায় তরুণী নিজেই বাদী হয়ে বিল্লাল, হারুন ও রুবেলের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে কেন্দুয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। কেন্দুয়া থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) ও মামলা তদন্ত কর্মকর্তা সজল সরকার জানান, ওই তরুণীর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পুলিশি পাহারায় নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে নেত্রকোনা আদালতে পাঠালে আদালতের বিচারক তাদের জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। মামলাটির তদন্ত চলছে।
সূত্র-সমকাল