জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক::
শান্তিগঞ্জে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ গাঁজা, একটি প্রাইভেটকার, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোনসহ জাবেদ হোসেন (৩০) নামের এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। তবে অভিযানের সময় কৌশলে সটকে পড়ে আরও দুই সহযোগী।
গতকাল রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে সিলেট—সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের শান্তিগঞ্জ উপজেলার সদরপুর গ্রামের শামসু মিয়ার রাইস মিলের সামনের রাস্তা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত জাবেদ হোসেন শান্তিগঞ্জ উপজেলার আব্দুল কাদিরের ছেলে। এই ঘটনায় যুক্ত অন্য দুই আসামি হলেন—একই এলাকার গুলজার মিয়া (৪০) ও মো. সিরাজ মিয়া (৬৬)।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, সিলেট থেকে সুনামগঞ্জগামী একটি ছাই রঙের প্রাইভেটকারে বিপুল পরিমাণ মাদকের চালান যাচ্ছে— এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিএনসি সুনামগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের ‘খ’ সার্কেলের একটি বিশেষ টিম মহাসড়কে অবস্থান নেয়। ঢাকা মেট্রো—গ—১৩—০৫৯৪ গাড়িটি চিহ্নিত করে থামিয়ে ডিএনসি সদস্যরা তল্লাশি চালান।
তল্লাশিকালে প্রাইভেটকারের ভেতরে সুকৌশলে লুকানো দুটি খাকি ও কালো রঙের প্যাকেটে থাকা মোট ২০ কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়। মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটি জব্দের পাশাপাশি আসামির কাছ থেকে নগদ ৪ হাজার টাকা ও দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত আলামতের আনুমানিক মূল্য প্রায় ১৪ লাখ টাকা।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত জাবেদ জানান, তারা পরস্পর যোগসাজশে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থেকে কম দামে গাঁজা কিনে সুনামগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে আসছিলেন। ডিএনসি সূত্রে আরও জানা গেছে, পলাতক আসামি সিরাজ মিয়ার বিরুদ্ধে আগে থেকেই বিভিন্ন থানায় অন্তত ৩টি মাদক মামলা রয়েছে।
এ ঘটনায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় শান্তিগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে ডিএনসি কর্তৃপক্ষ।