1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
জগন্নাথপুরে অনিয়মের অভিযোগে তোপের মুখে বিদ্যালয় সড়ক সংস্কার কাজ বন্ধ  অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রীর বার্তা এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া জগন্নাথপুরের রোহিত হতে চান ক্রিকেটার শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ: জগন্নাথপুর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব শামিম আহমদ বহিষ্কার বুধবার সারাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে যায় বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয়কে ধরল গ্রামবাসী বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: ডা. জাহেদ উর রহমান তীব্র শিক্ষক সংকটেও জগন্নাথপুরের সরকারি দুই স্কুলের বাজিমাত, ১২ শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ ১০ জন পরীক্ষা দিয়ে ১০ জনই ফেল আত্মশুদ্ধির আলোচনা

শাহ আরেফিনের মাজারের নামে বস্তাবন্দী টাকা লোপাট বাহহা ট্যাহা উডানো অয়, জালাল ও ছাব্বির বাইট্টা নেয়গা

  • Update Time : রবিবার, ২৭ মার্চ, ২০১৬
  • ৩৪৪ Time View

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি::সুনামগঞ্জের শাহ আরেফিনের মাজারকে ঘিরে চলছে লুটপাটের মহোৎসব। প্রায় দেড় যুগ ধরে পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি বাদাঘাট ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন ও আলম ছাব্বিরসহ একটি সিন্ডিকেট এ লুটপাট চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় এদের বিরুদ্ধে কেউ সাহস পায়না। আর যদি কেউ প্রতিবাদ করে তাহলে তাকে নানাভাবে হয়রানী করা হয়। সম্প্রতি সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার লাওড়েরগড় সীমান্তে শাহ আরেফিনের মাজারে সরজমিনে গেলে সাংবাদিকদের দেখে সত্তর বছরের এক বৃদ্ধা বলেন, শাহ আরেফিনের মাজারের এত টাকা যায় কোথায়। তিনি আরো বলেন,শাহ আরেফিনের মাজারে প্রতিবছর ওরস বসে। লাখো মানুষ সমবেত হয় এ মাজারে। এ সময় মাজারের আশেপাশে ছোট-বড় প্রায় ৫ শতাধিক দোকান বসে। ওরস চলাকালীন সময়ে দোকানগুলো থেকে ১৫/২০ লাখ উত্তোলন করা হয় মাজারের নামে। এছাড়া প্রতিদিনি দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দর্শনাথীগন মোকামে টাকা-পয়সা, ছাগল, গরু ইত্যাদি দান করে থাকেন কিন্তু এসব দান-অনুদানেরও কোন হদিস নেই। স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, মাজারের নামে টাকা উত্তোলন করেন শাহ আরেফিনের মাজার কমিটি। এ কমিটির কাগজে কলমে সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার হলেও টাকা-পয়সা নাড়াচাড়া করেন সাবেক চেয়ারম্যান ও মাজার কমিটির সহ-সভাপতি জালাল উদ্দিন ও আলম ছাব্বিরসহ একটি প্রভাবশালী চক্র। শাহ আরেফিন মোকাম পরিচালনা কমিটির কোষাধ্যক্ষ নুরুল আমিন জানান, মাজার কমিটির সভাপতি ইউএনও আর বিষয়গুলো ভাল জানেন জালাল সাব,ও আলম ছাব্বির। আমি কমিটির কোষাধ্যক্ষ কিন্তু হযরত শাহ আরেফিন মোকাম নামে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক বাদাঘাট শাখা একাউন্ট নং ১৫৮৪ নম্বরে তিন বছর ধরে কোন টাকা নেই। প্রতিবছর ওরস ও দৈনিক আয়ের টাকা যায় কোথায় জানতে চাইলে তিনি বলেন এটা জালাল সাব ও আলম ছাব্বির ভাল জানেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যাক্তি জানান, বাহহা ট্যাহা তোলা অয়। এসব ট্যাহা জালাল সাব ও আলম ছাব্বির বাইট্টা নেয়গা। সোয়ালা গ্রামের আব্দুল হেকিম জানান, মাজারের ওরসের সময় দোকানগুলো থেকে উঠানোসহ দান- অনুদানের বস্তা বন্দী করে টাকা তোলা হয়। ওরস শেষে ঐ লাখ লাখ টাকা কোথায় যায় খোঁজ পাওয়া যায়না। দীর্ঘদিন ধরে একই কমিটি থাকে কোন পরিবর্তনও হয়না। শাহ আরেফিনের মাজার পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব আলম ছাব্বির জানান, মাজারের যে আয় হয় তা দিয়ে মাজারের এথিমখানা, মাদ্রাসা, মসজিদ পরিচালনা করতে ব্যায় হয়। বর্তমানে একাউন্টে কোন টাকা নেই,ঘাটতি আছে। বাদাঘাট উত্তর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগনেতা জালাল উদ্দিন জানান, আমি প্রায় ১৫ বছর ধরে এ কমিটির সহ-সভাপতি। মাজারের যা আয় হয় তা দিয়ে উন্নয়নমুলক কাজ ও বিল্ডিং নির্মাণ করা হয়। এ কমিটির সভাপতি তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার, টাকা কালেকশনের সময় ইউএনও’ এবং পুলিশের লোকজন থাকে। কোন অনিয়ম হয়না। যে সকল অভিযোগ করা তা সম্পুর্ন মিথ্যা।
মাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইকবাল হোসেন জানান, আমি গত বছর তাহিরপুরে যোগদান করেছি। মাজার কমিটি টাকা উঠানোর পর গননা করার সময় আমাদের প্রতিনিধি থাকে কিন্তু কোন টাকা জমা হয়না। তারা বিভিন্ন উন্নয়নমুলক কাজের ব্যায় দেখায়। মাজার কমিটির সভাপতি হলেও আমার নামে কোন একাউন্ট নেই। এ বছর চেষ্ঠা করব সভাপতি হিসেবে যৌথ একাউন্ট করার।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com