1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রীর বার্তা এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া জগন্নাথপুরের রোহিত হতে চান ক্রিকেটার শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ: জগন্নাথপুর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব শামিম আহমদ বহিষ্কার বুধবার সারাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে যায় বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয়কে ধরল গ্রামবাসী বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: ডা. জাহেদ উর রহমান তীব্র শিক্ষক সংকটেও জগন্নাথপুরের সরকারি দুই স্কুলের বাজিমাত, ১২ শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ ১০ জন পরীক্ষা দিয়ে ১০ জনই ফেল আত্মশুদ্ধির আলোচনা জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের ফলে বিপর্যয়: স্কুলের চেয়ে পিছিয়ে মাদরাসা

‘সমুদ্রের গুপ্তধন’ প্রতারণা, চীনা নাগরিকসহ গ্রেফতার ১২

  • Update Time : শুক্রবার, ৬ অক্টোবর, ২০১৭
  • ২৪৫ Time View

জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডটকম ডেস্ক :
আন্তর্জাতিক একটি চক্র লটারীর নামে প্রতারণা করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা।
২০ টাকা দামের লটারিটি ‘সমুদ্রের গুপ্তধন’, ৫০ টাকা দামেরটি ‘ঝাল মরিচ’ আর ১০০ টাকা দামের লটারিটির নাম ‘১০ গুণ বেশি ভাগ্যবান’। টিকিট কিনে ঘষলেই হাজার থেকে লাখ টাকা পুরস্কার। এমন ফাঁদে পড়ে লটারি কিনে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন লোকজন। এদের বেশির ভাগই নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষ। এই প্রতারণা চলছে দেশের বেশ কয়েকটি জেলায়।
চট্টগ্রাম, ঢাকা, সিলেট, কুমিল্লা, বগুড়াসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে দৈনিক ১৮ থেকে ২০ কোটি টাকার লটারির টিকিট বিক্রি হয়। আন্তর্জাতিক একটি চক্র বাংলাদেশ, নাইজেরিয়া, ইয়েমেনসহ বিভিন্ন দেশে প্রতারণার মাধ্যমে এই ব্যবসা করে আসছে। আজ বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম নগরের খুলশী থানার একটি ভাড়া বাসা থেকে এক চীনা নাগরিকসহ প্রতারক চক্রের ১২ জনকে আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ এসব তথ্য জানতে পারে।
নগর গোয়েন্দা পুলিশ ও কাউন্টার টেররিজম ইউনিট যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে। পুলিশ জানায়, পিবিডিএফ লিমিটেড নামে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠানটি খোলা হয়। প্রতিষ্ঠানটি ‘ওয়েলফেয়ার ফান্ড’ নামে লটারিগুলো বিক্রি করে আসছিল। তবে এতে সরকারের কোনো অনুমোদন নেই।
বৃহস্পতিবার বিকেলে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, কার্টনভর্তি লটারির টিকিট এবং বিভিন্ন কাগজপত্র পুলিশ সদস্যরা জব্দ করে গাড়িতে তুলছেন। ভবনের বাইরে কোনো সাইনবোর্ড না থাকলেও ভেতরে পিবিডিএফ লেখা রয়েছে। যার পূর্ণাঙ্গ নাম পেট্রো নজরুল বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট। ভবনের পাঁচ তলায় ঢুকতেই ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের একটি ট্রেড লাইসেন্সের কপি টাঙানো রয়েছে। সেখানে নজরুল ইসলাম মোল্লা (চেয়ারম্যান) লেখা রয়েছে। ঠিকানা রয়েছে ১৯/৯ পল্লবী, মিরপুর, ঢাকা। তবে লাইসেন্সটি সঠিক কিনা এবং ঠিকানাটি যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ।

প্রতিষ্ঠানটির মানবসম্পদ কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন পুলিশের উপস্থিতিতে বলেন, দুই মাস আগে তাঁরা বাসাটি ভাড়া নেন। এর আগে উত্তর খুলশী এলাকায় তাঁদের কার্যালয় ছিল। দুই মাস পরপর কার্যালয় পরিবর্তন করেন। চীনা নাগরিক জিন শিয়াং (৩৬) সবকিছু দেখভাল করেন। তিন মাস আগে তিনি এ প্রতিষ্ঠানে চাকরি নেন। তিনি বলেন, ২০, ৫০ ও ১০০ টাকার লটারি রয়েছে। ১০০ টাকা দামের লটারির বাম পাশে তারকা চিহ্নিত স্থানে ঘষলে একটি সংখ্যা দেখা যাবে। ওই সংখ্যাটি লটারির ওপর থাকা ১০টি লাইনে বিভিন্ন সংখ্যা দেওয়া আছে। ঘষা সংখ্যাটি ১০ লাইনে থাকা কোনো সংখ্যার সঙ্গে মিললে পাশে যে টাকার পরিমাণ লেখা আছে সেটি লটারির ক্রেতা পাবেন। ৫০ টাকার ঝাল মরিচ লটারিতেও একইভাবে ঘষে তিনটি মরিচ মিলাতে হবে। আর মরিচের পাশে টাকার যে সংখ্যাটি লেখা থাকবে সেটি লটারির ক্রেতা পাবেন। ২০ টাকা দামের সমুদ্রের গুপ্তধন লটারির ডান পাশে থাকা সংখ্যার পাশে যে টাকা লেখা থাকবে সেটি লটারির ক্রেতা পাবেন।

জাহাঙ্গীর হোসেন আরও বলেন, তাঁদের প্রতিষ্ঠানে প্রায় দেড় শতাধিক বিক্রয় প্রতিনিধি রয়েছেন। তাঁরা নগরের বিভিন্ন স্থানে দোকানে লটারিগুলো বিক্রি করেন। দোকানদারেরা ১০০ টাকায় ৫ টাকা কমিশন পান। বিক্রয় প্রতিনিধিরা পান এক শ টাকায় ২ টাকা। লটারিতে কেউ পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত পেলে ওই টাকা দোকানদারেরা দিয়ে দেন। এর বেশি হলে তাঁদের কার্যালয় থেকে নিয়ে যান লটারি বিজয়ীরা। লটারি কিনে বেশির ভাগ লোক বেশি টাকা পেয়েছেন বলে দাবি করেন জাহাঙ্গীর।
এ বিষয়ে চীনা নাগরিক জিন শিয়াংকে লটারির মাধ্যমে প্রতারণার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী কমিশনার আসিফ মহিউদ্দিন বলেন, চক্রটি বেশি দিন একই স্থানে কার্যালয় রাখে না। দুই মাস পর পর তারা কার্যালয় পরিবর্তন করে। চীনা নাগরিক জিন শিয়াং নিজেকে ব্যবসায়ী দাবি করে প্রতি দুই মাস পর পর তাঁর ভিসার মেয়াদ বর্ধিত করেন।

নগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক মোহাম্মদ মুহসীন বলেন, নগরের ইপিজেড, জিইসি মোড়, নিউমার্কেট, খুলশী, আকবরশাহ, আমবাগান, বাকলিয়া এলাকায় যেখানে নিম্ন আয়ের লোকজনের বসবাস, সেখানে লটারির প্রচারণা চালায় তারা। লটারি কিনে লাখ টাকা পেয়েছেন এমন কাউকে পাওয়া যায়নি।

সুত্র-প্রথম আলো।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com