1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রীর বার্তা এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া জগন্নাথপুরের রোহিত হতে চান ক্রিকেটার শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ: জগন্নাথপুর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব শামিম আহমদ বহিষ্কার বুধবার সারাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে যায় বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয়কে ধরল গ্রামবাসী বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: ডা. জাহেদ উর রহমান তীব্র শিক্ষক সংকটেও জগন্নাথপুরের সরকারি দুই স্কুলের বাজিমাত, ১২ শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫ ১০ জন পরীক্ষা দিয়ে ১০ জনই ফেল আত্মশুদ্ধির আলোচনা জগন্নাথপুরে এসএসসি ও সমমানের ফলে বিপর্যয়: স্কুলের চেয়ে পিছিয়ে মাদরাসা

সৌদি আরবে বাংলাদেশি ড্রাইভারদের কী হবে?

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
  • ৩৭৮ Time View

জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর ডটকম ডেস্ক :;
সৌদি আরবে নারীদের যাতায়াতের জন্য আট লাখের মতো ড্রাইভার কর্মরত রয়েছেন। যার মধ্যে বিরাটসংখ্যক ড্রাইভার বাংলাদেশের।

সম্প্রতি দেশটিতে নারীদের গাড়ি চালানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে। ২০১৮ সালের জুন মাস থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।

কিন্তু এ সিদ্ধান্তের সঙ্গে সঙ্গেই প্রশ্ন উঠেছে, নারীদের যাতায়াতের জন্য যে লাখ লাখ অভিবাসী ড্রাইভারের সৌদি আরবে চাকরি হয়েছে এবং হচেছ, তাদের কী হবে? বিবিসি বাংলায় এ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

সংবাদে বলা হয়েছে, শুধু সৌদি নারীদের যাতায়াতের প্রয়োজনে সেদেশে ৮ লাখ ড্রাইভার কাজ করে, যাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় বাংলাদেশি।

সঠিক হিসাব পাওয়া না গেলেও, ঢাকায় শীর্ষ একজন জনসম্পদ রফতানিকারক আলী হায়দার চৌধুরী জানিয়েছেন, গৃহকর্মে কাজের জন্য নতুন করে লোক নিয়োগের ভিসা দেয়া শুরুর পর গত দেড় বছরে বাংলাদেশ থেকে অন্তত ৫০ হাজার মানুষ ড্রাইভারের চাকরি নিয়ে সৌদি আরব গেছেন।

জেদ্দায় রেন্ট- এ-কার ব্যবসার সঙ্গে ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করছেন বাহার বকুল। তিনি বলেন, প্রচুর বাংলাদেশিকে তিনি চেনেন, যারা বিভিন্ন সৌদি পরিবারে গাড়িচালকের কাজ করেন।

‘অনেক বাড়িতেই কয়েকজন ড্রাইভার কাজ করে। মনে করেন, তিনটি বাচ্চা তিনটি ভিন্ন ভিন্ন স্কুলে যায়, তাদের তিনজনের জন্যই হয়তো তিনজন ড্রাইভার। অধিকাংশই বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান বা শ্রীলংকার।’

নারীরা গাড়ি চালানো শুরু করলে তাদের চাকরি কি হুমকিতে পড়তে পারে- এমন প্রশ্নে বাহার বকুল বলেন, এখনই চট করে বলা মুশকিল। একজন ড্রাইভারের বেতন কম করে ১৫০০ রিয়াল। মহিলারা গাড়ি চালাতে পারলে হয়তো অনেক পরিবার পয়সা বাঁচানোর চেষ্টা করতে পারে।

তিনি বলেন, সৌদি আরবে বেশ কিছুদিন ধরে বিভিন্ন কাজে মহিলাদের দেখা যাচ্ছে, যেটা আগে দেখাই যেত না। ‘সুপার মার্কেটগুলোতেও এখন মেয়েরা কাজ করছে। গাড়ি চালাতেও দেখব হয়তো কিছুদিন পর।’

জনসম্পদ রফতানিকারক আলী হায়দার চৌধুরী, যিনি ২২ বছর সৌদি আরবে ছিলেন, তিনি মনে করছেন গাড়ি চালানোর নিষেধাজ্ঞা উঠে গেলেও অদূর ভবিষ্যতে খুব কম সৌদি মহিলাই হয়তো গাড়ি চালাবেন।

‘আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, সৌদি সমাজ এতটাই রক্ষণশীল যে, তাদের কতজন গাড়ি চালাবেন, তা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে। পশ্চিমা দেশে গিয়ে পড়াশোনা করে আসা কিছু হয়তো গাড়ি চালাবেন, কিন্তু সেই সংখ্যা খুব বেশি নয়।’

উদাহরণ হিসেবে তিনি কাতার এবং কুয়েতের কথা উল্লেখ করেন।

‘কুয়েত, কাতারেও মেয়েরা গাড়ি চালাতে পারে। কিন্তু তার পরও ওই দুই দেশে অনেকেই বাসাবাড়িতে ড্রাইভারের কাজ নিয়ে যাচ্ছে।’

তিনি বলেন, কত সৌদি নারী ড্রাইভারের পয়সা বাঁচাতে গাড়ি চালাবে, তা অনেকটাই নির্ভর করবে সৌদি অর্থনীতির গতিপ্রকৃতির ওপর।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com