1. forarup@gmail.com : jagannthpur25 :
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
জামানত ছাড়াই তরুণদের ১০ লাখ টাকা ব্যাংক ঋণ দিবে বাংলাদেশ ব্যাংক ‘যে বিষয়ে আপনার জ্ঞান নেই, তাতে ধৈর্য রাখবেন কীভাবে?‘ জগন্নাথপুরে অনিয়মের অভিযোগে তোপের মুখে বিদ্যালয় সড়ক সংস্কার কাজ বন্ধ  অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রীর বার্তা এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া জগন্নাথপুরের রোহিত হতে চান ক্রিকেটার শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ: জগন্নাথপুর পৌর যুবদলের সদস্য সচিব শামিম আহমদ বহিষ্কার বুধবার সারাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে যায় বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয়কে ধরল গ্রামবাসী বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: ডা. জাহেদ উর রহমান তীব্র শিক্ষক সংকটেও জগন্নাথপুরের সরকারি দুই স্কুলের বাজিমাত, ১২ শিক্ষার্থীর জিপিএ-৫

‘স্যার’ সম্বোধন না করায় প্রাথমিকের শিক্ষকের ওপর চড়াও সরকারি কর্মকর্তা

  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ, ২০২৩
  • ১৯৪ Time View

জগন্নাথপুর২৪ ডেস্ক::

জানা গেছে, রবিবার সকালে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে শহীদ সেলিম স্মৃতি ভাস্কর্যে ফুল দেওয়ার সময় ঘটনাটি ঘটে। এ সময় অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করছিলেন একাডেমিক সুপারভাইজার মুশফিকুর রহমান।শিক্ষক লুত্ফুল আজাদ জানান, তিনি শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে ফুল দিতে অনুষ্ঠানে যান। দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পরও তাঁদের ডাকা হচ্ছিল না। তাই দৃষ্টি আকর্ষণ করতে গিয়ে একাডেমিক সুপারভাইজারকে ‘ভাই’ সম্বোধন করেন। এতে রাগান্বিত হয়ে মাইক্রোফোন হাতে নিয়েই সুপারভাইজার বলতে থাকেন, ‘কে আপনার ভাই? নিজেকে কত বড় নেতা মনে করেন? স্যার বলেন নাই কেন?’

এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুলিয়ারচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাদিয়া ইসলাম, থানার ওসি গোলাম মোস্তফা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইমতিয়াজ বিন মুছাসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। তাঁরা সবাই একাডেমিক সুপারভাইজারের কথা মাইকে শুনতে পেয়ে অবাক হন।

জানা গেছে, রবিবার সকালে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে শহীদ সেলিম স্মৃতি ভাস্কর্যে ফুল দেওয়ার সময় ঘটনাটি ঘটে। এ সময় অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করছিলেন একাডেমিক সুপারভাইজার মুশফিকুর রহমান।শিক্ষক লুত্ফুল আজাদ জানান, তিনি শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে ফুল দিতে অনুষ্ঠানে যান। দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পরও তাঁদের ডাকা হচ্ছিল না। তাই দৃষ্টি আকর্ষণ করতে গিয়ে একাডেমিক সুপারভাইজারকে ‘ভাই’ সম্বোধন করেন। এতে রাগান্বিত হয়ে মাইক্রোফোন হাতে নিয়েই সুপারভাইজার বলতে থাকেন, ‘কে আপনার ভাই? নিজেকে কত বড় নেতা মনে করেন? স্যার বলেন নাই কেন?’

এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুলিয়ারচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাদিয়া ইসলাম, থানার ওসি গোলাম মোস্তফা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইমতিয়াজ বিন মুছাসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। তাঁরা সবাই একাডেমিক সুপারভাইজারের কথা মাইকে শুনতে পেয়ে অবাক হন।

তবে বিষয়টি বেশিদূর গড়াতে দেননি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাদিয়া ইসলাম। ওই দিন দুপুরে দুজনকে ডেকে বিষয়টি মীমাংসা করে দেন। এ প্রসঙ্গে ইউএনও বলেন, ‘অনুষ্ঠানে ফুল দেওয়ার সময় তাঁদের মধ্যে খানিকটা ঝামেলা হয়। এ কারণে উপস্থিত সবাই অনুষ্ঠান সঞ্চালকের ওপর বিরক্ত ও ক্ষুব্ধ হন। পরে আমি তাঁদের ভুল-বোঝাবুঝি মীমাংসা করে দিই।’একাডেমিক সুপারভাইজার মুশফিকুর রহমান বলেন, ‘ঘটনাটি আসলে ভুল-বোঝাবুঝি থেকে সৃষ্ট। শ্রদ্ধাঞ্জলি দেওয়ার সময় কার আগে কে দেবে—তা নিয়ে ঝামেলা তৈরি হয়। ওই শিক্ষকও বিষয়টি নিয়ে আমার সঙ্গে কথা বলতে আসেন। তখন আমি মেজাজ হারিয়ে ফেলি। এর সঙ্গে স্যার বলা বা না বলার সম্পর্ক নেই।’

শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর
জগন্নাথপুর টুয়েন্টিফোর কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬
Design & Developed By ThemesBazar.Com